হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। কিন্তু অভিযুক্তের নাম উল্লেখসহ অভিযোগ দেওয়ার এক মাস পার হলেও, কাউকে আটক কিংবা ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
শুধু তাই নয়, হাতীবান্ধা থানা আওতায় নওদাবাশ ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) কমলের বিরুদ্ধে ২ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার।
অপহরণের শিকার স্কুলছাত্রীর নাম—ইশরাত জাহান হ্যাপি (১৪)। সে কেতকীবাড়ী বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। হ্যাপি উপজেলার প্রাণনাথ পাটিকাপাড়া এলাকার আব্দুল হালিমের মেয়ে।
গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলার প্রাননাথ পাটিকাপাড়া এলাকায় এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। পরদিন এ ঘটনায় মাজেদুল নামের এক যুবককে প্রধান আসামি করে আরও চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা আব্দুল হালিম।
অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার কেতকী বাড়ি পশ্চিম পাড়া এলাকার মাজেদুল ইসলামসহ (২২) তার পরিবারের তিন সদস্য।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত মাজেদুল ইসলামের বাড়ির সামনে দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। স্কুলে যাওয়া আসার পথে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিতেন ০ মাজেদুল। এমনকি বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারকে জানালে মাজেদুলকে সাবধান করেন শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল হালিম। এরই মধ্যে গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থীকে তার বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মাজেদুল।
এ দিকে এ ঘটনায় ৯ জুলাই বাবা আব্দুল হালিম বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব পান হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক কমল। তবে অভিযোগের ১ মাস পেড়িয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ওই শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মেয়ে প্রায় ১ মাস হলো বাড়িতে নাই। আমরা অভিযোগ করেছি। ১ মাস হয়ে গেল এতেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো আমার মেয়ের দোষ দেন ওই এসআই এবং ২ হাজার টাকাও নেন।’
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা জোসনা বেগম বলেন, ‘১ মাস হলো আমার মেয়েকে দেখি না। আমরা একটি মেয়ে কোথায় আছে, কেমন আছে, জানি না। আজ অবদি একবারের জন্য কথাও হয়নি। আমি আমার মেয়েকে চাই।
এ বিষয়ে জানতে মাজেদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ দিকে হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মূসা মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিচ্ছি।’
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। কিন্তু অভিযুক্তের নাম উল্লেখসহ অভিযোগ দেওয়ার এক মাস পার হলেও, কাউকে আটক কিংবা ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
শুধু তাই নয়, হাতীবান্ধা থানা আওতায় নওদাবাশ ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) কমলের বিরুদ্ধে ২ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার।
অপহরণের শিকার স্কুলছাত্রীর নাম—ইশরাত জাহান হ্যাপি (১৪)। সে কেতকীবাড়ী বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। হ্যাপি উপজেলার প্রাণনাথ পাটিকাপাড়া এলাকার আব্দুল হালিমের মেয়ে।
গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলার প্রাননাথ পাটিকাপাড়া এলাকায় এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। পরদিন এ ঘটনায় মাজেদুল নামের এক যুবককে প্রধান আসামি করে আরও চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা আব্দুল হালিম।
অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার কেতকী বাড়ি পশ্চিম পাড়া এলাকার মাজেদুল ইসলামসহ (২২) তার পরিবারের তিন সদস্য।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত মাজেদুল ইসলামের বাড়ির সামনে দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। স্কুলে যাওয়া আসার পথে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিতেন ০ মাজেদুল। এমনকি বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারকে জানালে মাজেদুলকে সাবধান করেন শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল হালিম। এরই মধ্যে গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থীকে তার বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মাজেদুল।
এ দিকে এ ঘটনায় ৯ জুলাই বাবা আব্দুল হালিম বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব পান হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক কমল। তবে অভিযোগের ১ মাস পেড়িয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ওই শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মেয়ে প্রায় ১ মাস হলো বাড়িতে নাই। আমরা অভিযোগ করেছি। ১ মাস হয়ে গেল এতেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো আমার মেয়ের দোষ দেন ওই এসআই এবং ২ হাজার টাকাও নেন।’
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা জোসনা বেগম বলেন, ‘১ মাস হলো আমার মেয়েকে দেখি না। আমরা একটি মেয়ে কোথায় আছে, কেমন আছে, জানি না। আজ অবদি একবারের জন্য কথাও হয়নি। আমি আমার মেয়েকে চাই।
এ বিষয়ে জানতে মাজেদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ দিকে হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মূসা মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিচ্ছি।’
ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে এই পথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজ শনিবার সকাল ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
১ ঘণ্টা আগেমাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পূর্ব রাস্তি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলছে ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা। প্রধান শিক্ষকবিহীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, যেসব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হচ্ছে, তাঁদের অনেকেরই প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ
৯ ঘণ্টা আগেদুই দশক কিছুটা শান্ত থাকার পর কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর নৌপথে আবার ডাকাতের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দুবার ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ দুই ঘটনায় আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিরোধেও কার্যকর উদ্যোগ নেই স্থানীয় প্রশাসনের। আবার ডাকাতি শুরু হওয়ায় ১৪ কিলোমিটার এই নৌপথের নৌযান, যাত্রী
৯ ঘণ্টা আগে