অনলাইন ডেস্ক
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় এক নারীর হত্যার ঘটনা নিয়ে র্যাব ও পুলিশ দুই ধরনের বক্তব্য দিয়েছে। র্যাব এই হত্যার পেছনে ছেলেকে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত মনে করলেও পুলিশ বলছে, এর সঙ্গে ছেলের সম্পৃক্ততা নেই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ ঘটনা তদন্তে কোনো র্যাব সদস্যের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমাকে (৫০) হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনায় ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। তবে পুলিশের তদন্তে ভিন্ন বিষয় উঠে আসে। পুলিশ বলেছে, গৃহবধূ হত্যায় ছেলে নয়, বাড়ির ভাড়াটিয়া জড়িত। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংস্থার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস বলেন, র্যাবের তদন্তে যদি কারও গাফিলতি থাকে বা তথ্যগত প্রক্রিয়াগত ভুল থাকে, এর সঙ্গে র্যাবের কেউ যদি দায়ী হয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গৃহবধূ খুনের ঘটনায় প্রথমে ছেলেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওই ঘটনা তদন্তে পুলিশ সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করে। যেখানে তিন ভাড়াটিয়া এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানায় পুলিশ। তাহলে ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার আগেই প্রকাশ করায় এক ব্যক্তি ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ শিকার হলেন কি না—এই প্রশ্নে র্যাবের মুখপাত্র মুনিম ফেরদৌস বলেন, বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার ঘটনায় ছেলে জবানবন্দি দিয়েছেন। সেই তথ্য আমরা রেকর্ড করেছি। তাকে যখন ক্যাম্পে আনা হয়, তখন তার আত্মীয়স্বজন ছিলেন। ছেলের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতেই র্যাব কাজ করেছে।
তিনি বলেন, তদন্তে ভিন্নতা হতেই পারে। ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও তদন্ত করছে। পুলিশ তদন্তে যদি র্যাবের সহযোগিতা নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে আমরা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের র্যাবের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে বা তদন্তে গাফিলতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
দুই সংস্থার তদন্তে ভিন্নতা কেন? আর ছেলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেননি। আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটিত হওয়ার আগেই গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে একজনকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার করা হলো কি না, এমন প্রশ্নে মুনিম ফেরদৌস বলেন, স্বীকারোক্তি অনেক ধরনের আছে। কেউ কোনো ঘটনায় স্বীকারোক্তি দেওয়া মানেই ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে না। আবার যিনি স্বীকারোক্তি দেবেন, তিনি যেকোনো সময় তাঁর বক্তব্য অস্বীকার, পরিবর্তন, পরিমার্জন করতে পারবেন। এটা তাঁর আইনগত অধিকার। ১৬৪, ১৬১ (ধারায় জবানবন্দি) আলাদা। এখানে র্যাবের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তবু ঘটনার তদন্তে গাফিলতি আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মিডিয়া ব্রিফিং সচেতনতামূলক কাজ। এখানে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। ব্রিফিং নিবারণমূলক কাজের অংশ। মানুষ যাতে শিক্ষা নেয় বা সচেতন হয়। এখানে পুলিশের তদন্ত ভুল, এমন বলার সুযোগ নেই। ঘটনার আরও অধিকতর তদন্ত হবে। তদন্ত কিন্তু শেষ হয়নি।
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় এক নারীর হত্যার ঘটনা নিয়ে র্যাব ও পুলিশ দুই ধরনের বক্তব্য দিয়েছে। র্যাব এই হত্যার পেছনে ছেলেকে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত মনে করলেও পুলিশ বলছে, এর সঙ্গে ছেলের সম্পৃক্ততা নেই। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ ঘটনা তদন্তে কোনো র্যাব সদস্যের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমাকে (৫০) হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনায় ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। তবে পুলিশের তদন্তে ভিন্ন বিষয় উঠে আসে। পুলিশ বলেছে, গৃহবধূ হত্যায় ছেলে নয়, বাড়ির ভাড়াটিয়া জড়িত। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংস্থার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস বলেন, র্যাবের তদন্তে যদি কারও গাফিলতি থাকে বা তথ্যগত প্রক্রিয়াগত ভুল থাকে, এর সঙ্গে র্যাবের কেউ যদি দায়ী হয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গৃহবধূ খুনের ঘটনায় প্রথমে ছেলেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওই ঘটনা তদন্তে পুলিশ সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করে। যেখানে তিন ভাড়াটিয়া এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানায় পুলিশ। তাহলে ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার আগেই প্রকাশ করায় এক ব্যক্তি ‘মিডিয়া ট্রায়ালের’ শিকার হলেন কি না—এই প্রশ্নে র্যাবের মুখপাত্র মুনিম ফেরদৌস বলেন, বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার ঘটনায় ছেলে জবানবন্দি দিয়েছেন। সেই তথ্য আমরা রেকর্ড করেছি। তাকে যখন ক্যাম্পে আনা হয়, তখন তার আত্মীয়স্বজন ছিলেন। ছেলের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতেই র্যাব কাজ করেছে।
তিনি বলেন, তদন্তে ভিন্নতা হতেই পারে। ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও তদন্ত করছে। পুলিশ তদন্তে যদি র্যাবের সহযোগিতা নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে আমরা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের র্যাবের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে বা তদন্তে গাফিলতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
দুই সংস্থার তদন্তে ভিন্নতা কেন? আর ছেলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেননি। আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটিত হওয়ার আগেই গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে একজনকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার করা হলো কি না, এমন প্রশ্নে মুনিম ফেরদৌস বলেন, স্বীকারোক্তি অনেক ধরনের আছে। কেউ কোনো ঘটনায় স্বীকারোক্তি দেওয়া মানেই ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে না। আবার যিনি স্বীকারোক্তি দেবেন, তিনি যেকোনো সময় তাঁর বক্তব্য অস্বীকার, পরিবর্তন, পরিমার্জন করতে পারবেন। এটা তাঁর আইনগত অধিকার। ১৬৪, ১৬১ (ধারায় জবানবন্দি) আলাদা। এখানে র্যাবের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তবু ঘটনার তদন্তে গাফিলতি আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মিডিয়া ব্রিফিং সচেতনতামূলক কাজ। এখানে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। ব্রিফিং নিবারণমূলক কাজের অংশ। মানুষ যাতে শিক্ষা নেয় বা সচেতন হয়। এখানে পুলিশের তদন্ত ভুল, এমন বলার সুযোগ নেই। ঘটনার আরও অধিকতর তদন্ত হবে। তদন্ত কিন্তু শেষ হয়নি।
জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যার ঘটনায় অন্তত ৭৪টি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট—পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এসব ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত না হওয়ায় হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা কিছুটা বিপাকে পড়ছেন।
১ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে সফলতার পর এবার আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে নবীন ও উদীয়মান বেসরকারি এয়ারলাইনস এয়ার এ্যাস্ট্রা। এই লক্ষ্যে এয়ারবাসের চারটি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এয়ারলাইনসটি। বহরে উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়া সাপেক্ষে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রচলিত আঞ্চলিক...
১ ঘণ্টা আগেরংপুরের কাউনিয়ায় মরা তিস্তা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। খুঁটি নির্মাণের পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও অর্থাভাবে সেতুর বাকি নির্মাণকাজে হাত দেওয়া হয়নি। এতে চরাঞ্চলের ছয় গ্রামের মানুষের উপজেলা সদর ও হারাগাছ পৌর এলাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ দূর হচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগেপ্রায় দেড় মাস ধরে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা নীলক্ষেতে প্রধান সড়কের এক পাশের প্রায় পুরোটা বন্ধ করে সুয়ারেজ লাইনের কাজ চলছে। বাকি অংশ দখল করে রেখেছেন হকাররা। বিপরীত সড়কে ডিভাইডার দিয়ে আলাদা লেন করলেও জনদুর্ভোগ কমেনি। এতে দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
২ ঘণ্টা আগে