Ajker Patrika

ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণে ফ্রান্সের সহায়তা চান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মঙ্গলবার বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে। ছবি: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মঙ্গলবার বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে। ছবি: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে বিশেষ সহকারীর দপ্তরে এ বৈঠক হয়। এ সময় ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণে ফ্রান্সের সহায়তা চান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।

বৈঠকে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশ সরকার সাইবার নিরাপত্তা আইন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন, ডিজিটাল নাগরিক পরিচয় এবং ই-পেমেন্ট সিস্টেমসহ বিভিন্ন আইন ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করছে। পাশাপাশি এস্তোনিয়ার সহায়তায় ডিজিটাল ইকো সিস্টেম ও ডেটা ইন্টারঅপারেবিলিটি নিয়েও কাজ চলমান রয়েছে।

বিশেষ সহকারী বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুল বা অসত্য তথ্য মোকাবিলায় একটি জাতীয় কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ফ্যাক্ট চেকিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বাংলাদেশি ফ্যাক্ট চেকারদের অ্যাডভান্সড লেভেলের (অগ্রসর ধাপ) প্রশিক্ষণে ফ্রান্সের সহযোগিতা প্রয়োজন।

স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ফ্রান্সের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্স গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ফ্রান্সের সক্রিয় ভূমিকার কারণে বাংলাদেশ তাদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ফরাসি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলগুলো সরকারি ভর্তুকিতে চলে। তাই পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। এটি ফ্রান্সে পড়াশোনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো সুযোগ।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, ফ্রান্সের স্পেস এজেন্সি এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিনা খরচে ইমেজারি ও একাডেমিক সহযোগিতা দিতে আগ্রহী।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই আগামী দিনে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফরাসি দূতাবাসের অর্থনৈতিক কাউন্সিলর জুলিয়ান ডিইউর।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...