
একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা। গতকাল ফোনে এই উইঙ্গারের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনোয়ার সোহাগ—
আনোয়ার সোহাগ, ঢাকা

প্রশ্ন: গোল নিয়ে তো বটেই, আপনার অ্যাসিস্ট নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। কেমন লাগছে?
রাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগছে। কারণ উপভোগ করে খেলতে পেরেছি। বল নিয়ে এগোতেই প্রথমে গোলের ভাবনা আসে। কিন্তু যে পজিশনে ছিলাম, ওখান থেকে আর শুট করা যায় না। আমি মোরসালিনকে ফলো করি। সে দৌড়ে আসছিল। আর তখন আমি ওকে পাসটা দিয়ে দিই। এরপর তো...। পাল্টা আক্রমণ নিয়ে একটা বিশেষ পরিকল্পনা তো ছিলই। এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় জয়।
প্রশ্ন: ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর পেছনে অবদান রাখতে পেরে কতটুকু খুশি?
রাকিব: এই জয় পুরো বাংলাদেশের জন্য অবশ্যই আনন্দের। ২২ বছর পর আমরা ওদের বিপক্ষে জিতেছি। ভালো লাগছে যে সবাই খুশি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ভারতের বিপক্ষে জিততে চায়। আমরা জিততে পেরেছি, এ জন্য বেশি ভালো লাগতেছে। তাও ঘরের মাঠে। আসলে সবাই কিন্তু অনেক দূর থেকে আসে। সবাই কত কষ্ট করে। তো তারপর তারা খেলা দেখে। যদি খেলা দেখার মধ্যে আমরা ভালো রেজাল্ট না দিতে পারি, তখন আমাদের কাছেও খারাপ লাগে, তাদেরও খারাপ লাগে। শেষ দুটি ম্যাচে খুব কাছাকাছি গিয়েও আমরা তাদের খুশি করতে পারিনি। কিন্তু তারা মাঠে ৯০ মিনিট যেভাবে গলা ফাটিয়েছে, তা আসলে অবিশ্বাস্য।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগে কী কথা হয়েছিল?
রাকিব: হামজা ভাই, শমিত ভাই সব খেলোয়াড়কে বলেছে, আমাদের যেকোনোভাবেই জিততে হবে। আমরা পরিশ্রম করব। আল্লাহ আমাদের দেবে। ঠিক আমরা মাঠে সবাই খেলেছি কিন্তু দলের জন্য। সবাই পারফর্ম করার কারণে আমরা ম্যাচটা জিততে পেরেছি। আমারও তাড়না ছিল, যেকোনোভাবে হোক দলের জন্য অবদান রাখব।
প্রশ্ন: ড্রেসিংরুমে অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা গেল...
রাকিব: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসছে, আমাদের প্রেসিডেন্ট আসছে। আমাদের বলা হয়েছে, সামনে আরও খেলা আছে। আমরা ভালো করতে চাই। এখন যে জায়গায় আছি, সে জায়গা থেকে আরও সামনে এগোচ্ছি এবং সাফে ভালো একটা রেজাল্ট করতে চাই। এরপর রাতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম আসেনি, যেহেতু এত বড় একটা ম্যাচ ছিল।
প্রশ্ন: ম্যাচের শেষ দিকে কেমন লাগছিল?
রাকিব: আসলে ৮০ মিনিট পার হওয়ার পর অনেক কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু চেষ্টা করছিলাম যে বাকি ১০ মিনিট যেভাবেই হোক খেলব। মাঠের ভেতরে কয়েকবারই আমিন বলছিলাম, আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম আরকি। শেষ দুই-তিনটি ম্যাচে কিন্তু আমরা শেষের দিকে গোল হজম করছি। এটার জন্য ভয় লাগছিল। মাঠে নামলে কেউই গোল হজম করতে চায় না।
প্রশ্ন: মোরসালিনের সঙ্গে আপনার রসায়নটা কেমন?
রাকিব: আসলে এখন ভিন্ন ক্লাবে খেলি। আগে তো আমরা একসঙ্গে ছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া ছিল। আর জাতীয় দলে তো একসঙ্গে খেলি। ও আমার মুভমেন্ট বোঝে, আমি ওর মুভমেন্ট বুঝি। মোরসালিনও অনেক গতিময় খেলোয়াড়। কারণ, যখন আমি বল ধরে রান করছি, সে কিন্তু আমার সঙ্গে সঙ্গে এসেছে।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জামাল ভূঁইয়া বলছিলেন আপনি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় খেলোয়াড়...
রাকিব: আসলে অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন। তিনি সব সময় এই কথাগুলো বলেন; তুমি খেলতে পারবা, তুমি পারফর্ম করবা। আমি তাঁর আস্থা রাখতে পেরেছি।
প্রশ্ন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে সমালোচনাটা বেশি হয়...
রাকিব: খারাপ খেললে সমালোচনা হবে, এটা স্বাভাবিক। ভালো খেললে তখন তো অন্তত বাহবা পাওয়া উচিত। তখনো যদি মানুষ সমালোচনা করে, অথবা খারাপ কিছু বলে, এই জিনিসটা খারাপ লাগে। আসলে সবাই কিন্তু একটা পতাকা অথবা একটা দেশের জন্যই খেলে। প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা বিভাজন তৈরি করি না, কিন্তু বাইরের মানুষ যদি চায় তৈরি করতে, এটা তো খারাপ।
প্রশ্ন: আসলে কি বিভাজন আছে?
রাকিব: আমাদের মধ্যে এ রকম কোনো কিছুই নেই। কিউবা, শমিত, হামজা ভাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে আমি মনে করি না কারোর সঙ্গে কিছু আছে। এমন না যে আমরা বাংলাদেশের জন্য খেলি, তারা ইতালি অথবা ইংল্যান্ডের জন্য খেলে। সবাই তো একটা দেশের জন্যই খেলে।
প্রশ্ন: জাতীয় দল নিয়ে সমর্থকদের যে আমেজ, তা ক্লাব ফুটবলে চোখে পড়ে না...
রাকিব: এখন ফেডারেশন যেভাবে জাতীয় দলকে উন্নত করেছে, আমি মনে করি এখন আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল লিগকেও ভালো একটা শেপে নেওয়া উচিত। কারণ, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের রুটি-রুজি কিন্তু ফুটবল লিগ। তাই আগের দুই মৌসুমে যেভাবে লিগ হয়েছে, এবার যেন আরও ভালোভাবে হয়।
প্রশ্ন: ভারতের বিপক্ষে জয়টা তো এলো, কিন্তু দিন শেষে এই দল নিয়েও এশিয়ান কাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ নিশ্চয় আছে?
রাকিব: আক্ষেপ তো আছেই। আমাদের দল শক্তিশালী। প্রতিপক্ষগুলো কিন্তু আমাদের থেকেও শক্তিশালী ছিল, তাই না? ধীরে ধীরে কিন্তু আমরা অনেক উন্নতি করছি। একটু সময় লাগবে। একটু সময় দিলে এই দল অনেক ভালো কিছু করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা কিন্তু ভালো ফুটবলই খেলছি প্রতি ম্যাচে। ফুটবলে এমন নিশ্চয়তা নেই যে ভালো দল হলেই আপনি কোয়ালিফাই করবেন। ইতালি কিন্তু এবারও বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি সরাসরি। মাঝেমধ্যে ভাগ্যের দরকার হয়।
প্রশ্ন: গোল নিয়ে তো বটেই, আপনার অ্যাসিস্ট নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। কেমন লাগছে?
রাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগছে। কারণ উপভোগ করে খেলতে পেরেছি। বল নিয়ে এগোতেই প্রথমে গোলের ভাবনা আসে। কিন্তু যে পজিশনে ছিলাম, ওখান থেকে আর শুট করা যায় না। আমি মোরসালিনকে ফলো করি। সে দৌড়ে আসছিল। আর তখন আমি ওকে পাসটা দিয়ে দিই। এরপর তো...। পাল্টা আক্রমণ নিয়ে একটা বিশেষ পরিকল্পনা তো ছিলই। এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় জয়।
প্রশ্ন: ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর পেছনে অবদান রাখতে পেরে কতটুকু খুশি?
রাকিব: এই জয় পুরো বাংলাদেশের জন্য অবশ্যই আনন্দের। ২২ বছর পর আমরা ওদের বিপক্ষে জিতেছি। ভালো লাগছে যে সবাই খুশি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ভারতের বিপক্ষে জিততে চায়। আমরা জিততে পেরেছি, এ জন্য বেশি ভালো লাগতেছে। তাও ঘরের মাঠে। আসলে সবাই কিন্তু অনেক দূর থেকে আসে। সবাই কত কষ্ট করে। তো তারপর তারা খেলা দেখে। যদি খেলা দেখার মধ্যে আমরা ভালো রেজাল্ট না দিতে পারি, তখন আমাদের কাছেও খারাপ লাগে, তাদেরও খারাপ লাগে। শেষ দুটি ম্যাচে খুব কাছাকাছি গিয়েও আমরা তাদের খুশি করতে পারিনি। কিন্তু তারা মাঠে ৯০ মিনিট যেভাবে গলা ফাটিয়েছে, তা আসলে অবিশ্বাস্য।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগে কী কথা হয়েছিল?
রাকিব: হামজা ভাই, শমিত ভাই সব খেলোয়াড়কে বলেছে, আমাদের যেকোনোভাবেই জিততে হবে। আমরা পরিশ্রম করব। আল্লাহ আমাদের দেবে। ঠিক আমরা মাঠে সবাই খেলেছি কিন্তু দলের জন্য। সবাই পারফর্ম করার কারণে আমরা ম্যাচটা জিততে পেরেছি। আমারও তাড়না ছিল, যেকোনোভাবে হোক দলের জন্য অবদান রাখব।
প্রশ্ন: ড্রেসিংরুমে অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা গেল...
রাকিব: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসছে, আমাদের প্রেসিডেন্ট আসছে। আমাদের বলা হয়েছে, সামনে আরও খেলা আছে। আমরা ভালো করতে চাই। এখন যে জায়গায় আছি, সে জায়গা থেকে আরও সামনে এগোচ্ছি এবং সাফে ভালো একটা রেজাল্ট করতে চাই। এরপর রাতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম আসেনি, যেহেতু এত বড় একটা ম্যাচ ছিল।
প্রশ্ন: ম্যাচের শেষ দিকে কেমন লাগছিল?
রাকিব: আসলে ৮০ মিনিট পার হওয়ার পর অনেক কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু চেষ্টা করছিলাম যে বাকি ১০ মিনিট যেভাবেই হোক খেলব। মাঠের ভেতরে কয়েকবারই আমিন বলছিলাম, আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম আরকি। শেষ দুই-তিনটি ম্যাচে কিন্তু আমরা শেষের দিকে গোল হজম করছি। এটার জন্য ভয় লাগছিল। মাঠে নামলে কেউই গোল হজম করতে চায় না।
প্রশ্ন: মোরসালিনের সঙ্গে আপনার রসায়নটা কেমন?
রাকিব: আসলে এখন ভিন্ন ক্লাবে খেলি। আগে তো আমরা একসঙ্গে ছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া ছিল। আর জাতীয় দলে তো একসঙ্গে খেলি। ও আমার মুভমেন্ট বোঝে, আমি ওর মুভমেন্ট বুঝি। মোরসালিনও অনেক গতিময় খেলোয়াড়। কারণ, যখন আমি বল ধরে রান করছি, সে কিন্তু আমার সঙ্গে সঙ্গে এসেছে।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জামাল ভূঁইয়া বলছিলেন আপনি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় খেলোয়াড়...
রাকিব: আসলে অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন। তিনি সব সময় এই কথাগুলো বলেন; তুমি খেলতে পারবা, তুমি পারফর্ম করবা। আমি তাঁর আস্থা রাখতে পেরেছি।
প্রশ্ন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে সমালোচনাটা বেশি হয়...
রাকিব: খারাপ খেললে সমালোচনা হবে, এটা স্বাভাবিক। ভালো খেললে তখন তো অন্তত বাহবা পাওয়া উচিত। তখনো যদি মানুষ সমালোচনা করে, অথবা খারাপ কিছু বলে, এই জিনিসটা খারাপ লাগে। আসলে সবাই কিন্তু একটা পতাকা অথবা একটা দেশের জন্যই খেলে। প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা বিভাজন তৈরি করি না, কিন্তু বাইরের মানুষ যদি চায় তৈরি করতে, এটা তো খারাপ।
প্রশ্ন: আসলে কি বিভাজন আছে?
রাকিব: আমাদের মধ্যে এ রকম কোনো কিছুই নেই। কিউবা, শমিত, হামজা ভাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে আমি মনে করি না কারোর সঙ্গে কিছু আছে। এমন না যে আমরা বাংলাদেশের জন্য খেলি, তারা ইতালি অথবা ইংল্যান্ডের জন্য খেলে। সবাই তো একটা দেশের জন্যই খেলে।
প্রশ্ন: জাতীয় দল নিয়ে সমর্থকদের যে আমেজ, তা ক্লাব ফুটবলে চোখে পড়ে না...
রাকিব: এখন ফেডারেশন যেভাবে জাতীয় দলকে উন্নত করেছে, আমি মনে করি এখন আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল লিগকেও ভালো একটা শেপে নেওয়া উচিত। কারণ, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের রুটি-রুজি কিন্তু ফুটবল লিগ। তাই আগের দুই মৌসুমে যেভাবে লিগ হয়েছে, এবার যেন আরও ভালোভাবে হয়।
প্রশ্ন: ভারতের বিপক্ষে জয়টা তো এলো, কিন্তু দিন শেষে এই দল নিয়েও এশিয়ান কাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ নিশ্চয় আছে?
রাকিব: আক্ষেপ তো আছেই। আমাদের দল শক্তিশালী। প্রতিপক্ষগুলো কিন্তু আমাদের থেকেও শক্তিশালী ছিল, তাই না? ধীরে ধীরে কিন্তু আমরা অনেক উন্নতি করছি। একটু সময় লাগবে। একটু সময় দিলে এই দল অনেক ভালো কিছু করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা কিন্তু ভালো ফুটবলই খেলছি প্রতি ম্যাচে। ফুটবলে এমন নিশ্চয়তা নেই যে ভালো দল হলেই আপনি কোয়ালিফাই করবেন। ইতালি কিন্তু এবারও বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি সরাসরি। মাঝেমধ্যে ভাগ্যের দরকার হয়।

একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা। গতকাল ফোনে এই উইঙ্গারের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনোয়ার সোহাগ—
আনোয়ার সোহাগ, ঢাকা

প্রশ্ন: গোল নিয়ে তো বটেই, আপনার অ্যাসিস্ট নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। কেমন লাগছে?
রাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগছে। কারণ উপভোগ করে খেলতে পেরেছি। বল নিয়ে এগোতেই প্রথমে গোলের ভাবনা আসে। কিন্তু যে পজিশনে ছিলাম, ওখান থেকে আর শুট করা যায় না। আমি মোরসালিনকে ফলো করি। সে দৌড়ে আসছিল। আর তখন আমি ওকে পাসটা দিয়ে দিই। এরপর তো...। পাল্টা আক্রমণ নিয়ে একটা বিশেষ পরিকল্পনা তো ছিলই। এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় জয়।
প্রশ্ন: ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর পেছনে অবদান রাখতে পেরে কতটুকু খুশি?
রাকিব: এই জয় পুরো বাংলাদেশের জন্য অবশ্যই আনন্দের। ২২ বছর পর আমরা ওদের বিপক্ষে জিতেছি। ভালো লাগছে যে সবাই খুশি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ভারতের বিপক্ষে জিততে চায়। আমরা জিততে পেরেছি, এ জন্য বেশি ভালো লাগতেছে। তাও ঘরের মাঠে। আসলে সবাই কিন্তু অনেক দূর থেকে আসে। সবাই কত কষ্ট করে। তো তারপর তারা খেলা দেখে। যদি খেলা দেখার মধ্যে আমরা ভালো রেজাল্ট না দিতে পারি, তখন আমাদের কাছেও খারাপ লাগে, তাদেরও খারাপ লাগে। শেষ দুটি ম্যাচে খুব কাছাকাছি গিয়েও আমরা তাদের খুশি করতে পারিনি। কিন্তু তারা মাঠে ৯০ মিনিট যেভাবে গলা ফাটিয়েছে, তা আসলে অবিশ্বাস্য।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগে কী কথা হয়েছিল?
রাকিব: হামজা ভাই, শমিত ভাই সব খেলোয়াড়কে বলেছে, আমাদের যেকোনোভাবেই জিততে হবে। আমরা পরিশ্রম করব। আল্লাহ আমাদের দেবে। ঠিক আমরা মাঠে সবাই খেলেছি কিন্তু দলের জন্য। সবাই পারফর্ম করার কারণে আমরা ম্যাচটা জিততে পেরেছি। আমারও তাড়না ছিল, যেকোনোভাবে হোক দলের জন্য অবদান রাখব।
প্রশ্ন: ড্রেসিংরুমে অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা গেল...
রাকিব: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসছে, আমাদের প্রেসিডেন্ট আসছে। আমাদের বলা হয়েছে, সামনে আরও খেলা আছে। আমরা ভালো করতে চাই। এখন যে জায়গায় আছি, সে জায়গা থেকে আরও সামনে এগোচ্ছি এবং সাফে ভালো একটা রেজাল্ট করতে চাই। এরপর রাতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম আসেনি, যেহেতু এত বড় একটা ম্যাচ ছিল।
প্রশ্ন: ম্যাচের শেষ দিকে কেমন লাগছিল?
রাকিব: আসলে ৮০ মিনিট পার হওয়ার পর অনেক কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু চেষ্টা করছিলাম যে বাকি ১০ মিনিট যেভাবেই হোক খেলব। মাঠের ভেতরে কয়েকবারই আমিন বলছিলাম, আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম আরকি। শেষ দুই-তিনটি ম্যাচে কিন্তু আমরা শেষের দিকে গোল হজম করছি। এটার জন্য ভয় লাগছিল। মাঠে নামলে কেউই গোল হজম করতে চায় না।
প্রশ্ন: মোরসালিনের সঙ্গে আপনার রসায়নটা কেমন?
রাকিব: আসলে এখন ভিন্ন ক্লাবে খেলি। আগে তো আমরা একসঙ্গে ছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া ছিল। আর জাতীয় দলে তো একসঙ্গে খেলি। ও আমার মুভমেন্ট বোঝে, আমি ওর মুভমেন্ট বুঝি। মোরসালিনও অনেক গতিময় খেলোয়াড়। কারণ, যখন আমি বল ধরে রান করছি, সে কিন্তু আমার সঙ্গে সঙ্গে এসেছে।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জামাল ভূঁইয়া বলছিলেন আপনি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় খেলোয়াড়...
রাকিব: আসলে অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন। তিনি সব সময় এই কথাগুলো বলেন; তুমি খেলতে পারবা, তুমি পারফর্ম করবা। আমি তাঁর আস্থা রাখতে পেরেছি।
প্রশ্ন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে সমালোচনাটা বেশি হয়...
রাকিব: খারাপ খেললে সমালোচনা হবে, এটা স্বাভাবিক। ভালো খেললে তখন তো অন্তত বাহবা পাওয়া উচিত। তখনো যদি মানুষ সমালোচনা করে, অথবা খারাপ কিছু বলে, এই জিনিসটা খারাপ লাগে। আসলে সবাই কিন্তু একটা পতাকা অথবা একটা দেশের জন্যই খেলে। প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা বিভাজন তৈরি করি না, কিন্তু বাইরের মানুষ যদি চায় তৈরি করতে, এটা তো খারাপ।
প্রশ্ন: আসলে কি বিভাজন আছে?
রাকিব: আমাদের মধ্যে এ রকম কোনো কিছুই নেই। কিউবা, শমিত, হামজা ভাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে আমি মনে করি না কারোর সঙ্গে কিছু আছে। এমন না যে আমরা বাংলাদেশের জন্য খেলি, তারা ইতালি অথবা ইংল্যান্ডের জন্য খেলে। সবাই তো একটা দেশের জন্যই খেলে।
প্রশ্ন: জাতীয় দল নিয়ে সমর্থকদের যে আমেজ, তা ক্লাব ফুটবলে চোখে পড়ে না...
রাকিব: এখন ফেডারেশন যেভাবে জাতীয় দলকে উন্নত করেছে, আমি মনে করি এখন আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল লিগকেও ভালো একটা শেপে নেওয়া উচিত। কারণ, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের রুটি-রুজি কিন্তু ফুটবল লিগ। তাই আগের দুই মৌসুমে যেভাবে লিগ হয়েছে, এবার যেন আরও ভালোভাবে হয়।
প্রশ্ন: ভারতের বিপক্ষে জয়টা তো এলো, কিন্তু দিন শেষে এই দল নিয়েও এশিয়ান কাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ নিশ্চয় আছে?
রাকিব: আক্ষেপ তো আছেই। আমাদের দল শক্তিশালী। প্রতিপক্ষগুলো কিন্তু আমাদের থেকেও শক্তিশালী ছিল, তাই না? ধীরে ধীরে কিন্তু আমরা অনেক উন্নতি করছি। একটু সময় লাগবে। একটু সময় দিলে এই দল অনেক ভালো কিছু করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা কিন্তু ভালো ফুটবলই খেলছি প্রতি ম্যাচে। ফুটবলে এমন নিশ্চয়তা নেই যে ভালো দল হলেই আপনি কোয়ালিফাই করবেন। ইতালি কিন্তু এবারও বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি সরাসরি। মাঝেমধ্যে ভাগ্যের দরকার হয়।
প্রশ্ন: গোল নিয়ে তো বটেই, আপনার অ্যাসিস্ট নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। কেমন লাগছে?
রাকিব: হ্যাঁ, ভালো লাগছে। কারণ উপভোগ করে খেলতে পেরেছি। বল নিয়ে এগোতেই প্রথমে গোলের ভাবনা আসে। কিন্তু যে পজিশনে ছিলাম, ওখান থেকে আর শুট করা যায় না। আমি মোরসালিনকে ফলো করি। সে দৌড়ে আসছিল। আর তখন আমি ওকে পাসটা দিয়ে দিই। এরপর তো...। পাল্টা আক্রমণ নিয়ে একটা বিশেষ পরিকল্পনা তো ছিলই। এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় জয়।
প্রশ্ন: ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর পেছনে অবদান রাখতে পেরে কতটুকু খুশি?
রাকিব: এই জয় পুরো বাংলাদেশের জন্য অবশ্যই আনন্দের। ২২ বছর পর আমরা ওদের বিপক্ষে জিতেছি। ভালো লাগছে যে সবাই খুশি, কারণ বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ভারতের বিপক্ষে জিততে চায়। আমরা জিততে পেরেছি, এ জন্য বেশি ভালো লাগতেছে। তাও ঘরের মাঠে। আসলে সবাই কিন্তু অনেক দূর থেকে আসে। সবাই কত কষ্ট করে। তো তারপর তারা খেলা দেখে। যদি খেলা দেখার মধ্যে আমরা ভালো রেজাল্ট না দিতে পারি, তখন আমাদের কাছেও খারাপ লাগে, তাদেরও খারাপ লাগে। শেষ দুটি ম্যাচে খুব কাছাকাছি গিয়েও আমরা তাদের খুশি করতে পারিনি। কিন্তু তারা মাঠে ৯০ মিনিট যেভাবে গলা ফাটিয়েছে, তা আসলে অবিশ্বাস্য।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগে কী কথা হয়েছিল?
রাকিব: হামজা ভাই, শমিত ভাই সব খেলোয়াড়কে বলেছে, আমাদের যেকোনোভাবেই জিততে হবে। আমরা পরিশ্রম করব। আল্লাহ আমাদের দেবে। ঠিক আমরা মাঠে সবাই খেলেছি কিন্তু দলের জন্য। সবাই পারফর্ম করার কারণে আমরা ম্যাচটা জিততে পেরেছি। আমারও তাড়না ছিল, যেকোনোভাবে হোক দলের জন্য অবদান রাখব।
প্রশ্ন: ড্রেসিংরুমে অন্যরকম এক পরিবেশ দেখা গেল...
রাকিব: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসছে, আমাদের প্রেসিডেন্ট আসছে। আমাদের বলা হয়েছে, সামনে আরও খেলা আছে। আমরা ভালো করতে চাই। এখন যে জায়গায় আছি, সে জায়গা থেকে আরও সামনে এগোচ্ছি এবং সাফে ভালো একটা রেজাল্ট করতে চাই। এরপর রাতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম আসেনি, যেহেতু এত বড় একটা ম্যাচ ছিল।
প্রশ্ন: ম্যাচের শেষ দিকে কেমন লাগছিল?
রাকিব: আসলে ৮০ মিনিট পার হওয়ার পর অনেক কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু চেষ্টা করছিলাম যে বাকি ১০ মিনিট যেভাবেই হোক খেলব। মাঠের ভেতরে কয়েকবারই আমিন বলছিলাম, আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম আরকি। শেষ দুই-তিনটি ম্যাচে কিন্তু আমরা শেষের দিকে গোল হজম করছি। এটার জন্য ভয় লাগছিল। মাঠে নামলে কেউই গোল হজম করতে চায় না।
প্রশ্ন: মোরসালিনের সঙ্গে আপনার রসায়নটা কেমন?
রাকিব: আসলে এখন ভিন্ন ক্লাবে খেলি। আগে তো আমরা একসঙ্গে ছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া ছিল। আর জাতীয় দলে তো একসঙ্গে খেলি। ও আমার মুভমেন্ট বোঝে, আমি ওর মুভমেন্ট বুঝি। মোরসালিনও অনেক গতিময় খেলোয়াড়। কারণ, যখন আমি বল ধরে রান করছি, সে কিন্তু আমার সঙ্গে সঙ্গে এসেছে।
প্রশ্ন: ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জামাল ভূঁইয়া বলছিলেন আপনি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় খেলোয়াড়...
রাকিব: আসলে অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন। তিনি সব সময় এই কথাগুলো বলেন; তুমি খেলতে পারবা, তুমি পারফর্ম করবা। আমি তাঁর আস্থা রাখতে পেরেছি।
প্রশ্ন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে সমালোচনাটা বেশি হয়...
রাকিব: খারাপ খেললে সমালোচনা হবে, এটা স্বাভাবিক। ভালো খেললে তখন তো অন্তত বাহবা পাওয়া উচিত। তখনো যদি মানুষ সমালোচনা করে, অথবা খারাপ কিছু বলে, এই জিনিসটা খারাপ লাগে। আসলে সবাই কিন্তু একটা পতাকা অথবা একটা দেশের জন্যই খেলে। প্রবাসী খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা বিভাজন তৈরি করি না, কিন্তু বাইরের মানুষ যদি চায় তৈরি করতে, এটা তো খারাপ।
প্রশ্ন: আসলে কি বিভাজন আছে?
রাকিব: আমাদের মধ্যে এ রকম কোনো কিছুই নেই। কিউবা, শমিত, হামজা ভাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে আমি মনে করি না কারোর সঙ্গে কিছু আছে। এমন না যে আমরা বাংলাদেশের জন্য খেলি, তারা ইতালি অথবা ইংল্যান্ডের জন্য খেলে। সবাই তো একটা দেশের জন্যই খেলে।
প্রশ্ন: জাতীয় দল নিয়ে সমর্থকদের যে আমেজ, তা ক্লাব ফুটবলে চোখে পড়ে না...
রাকিব: এখন ফেডারেশন যেভাবে জাতীয় দলকে উন্নত করেছে, আমি মনে করি এখন আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল লিগকেও ভালো একটা শেপে নেওয়া উচিত। কারণ, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের রুটি-রুজি কিন্তু ফুটবল লিগ। তাই আগের দুই মৌসুমে যেভাবে লিগ হয়েছে, এবার যেন আরও ভালোভাবে হয়।
প্রশ্ন: ভারতের বিপক্ষে জয়টা তো এলো, কিন্তু দিন শেষে এই দল নিয়েও এশিয়ান কাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ নিশ্চয় আছে?
রাকিব: আক্ষেপ তো আছেই। আমাদের দল শক্তিশালী। প্রতিপক্ষগুলো কিন্তু আমাদের থেকেও শক্তিশালী ছিল, তাই না? ধীরে ধীরে কিন্তু আমরা অনেক উন্নতি করছি। একটু সময় লাগবে। একটু সময় দিলে এই দল অনেক ভালো কিছু করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা কিন্তু ভালো ফুটবলই খেলছি প্রতি ম্যাচে। ফুটবলে এমন নিশ্চয়তা নেই যে ভালো দল হলেই আপনি কোয়ালিফাই করবেন। ইতালি কিন্তু এবারও বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি সরাসরি। মাঝেমধ্যে ভাগ্যের দরকার হয়।

বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
২ ঘণ্টা আগে
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের...
৩ ঘণ্টা আগে
চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত।
৪ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
বাদ বিপিএলের খেলোয়াড় তালিকায় থেকে বাদ পক্ষে চটেছেন এনামুল। তাঁর দাবি, বিসিবি প্রমাণ না দিয়ে দোষী সাব্যস্ত করছে তাঁদের। আজকের পত্রিকাকে এনামুল বললেন, ‘এ নিয়ে আমি বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। মিঠু ভাই, ফাহিম ভাই, লিপু ভাই, সিইও কিংবা বুলবুল ভাই, সবার সঙ্গেই কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কারও সাড়া পাইনি। তাঁরা রেসপন্স করলে জানতে চাইতাম আমার অপরাধটা কী? কী প্রমাণের ভিত্তিতে আমাকে বাইরে রাখা হলো সেটা জানতে চাইতাম।’ কোনো কিছু প্রমাণ না করেই তাকে চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় না রেখে সামাজিকভাবে হেয় করা হচ্ছে বলেও দাবি তোলেন এনামুল, ‘এভাবে আমাকে সমাজের মধ্যে অপমান, অসম্মান করা হচ্ছে। আমার যদি কোনো দোষ থাকে, ত্রুটি থাকে, তাহলে সেটা প্রমাণ করে শাস্তি দিক। কিন্তু সেটা প্রমাণ না করে এক বছর ধরে আমাকে অসম্মান করা হচ্ছে, এটা আমি মেনে নেব না।’
ফিক্সিং সম্পর্কিত কোনো জিজ্ঞাসাবাদে তাঁকে ডাকা হয়েছিল কি না—এ প্রশ্নের জবাবে এনামুল বলেন, ‘হ্যাঁ’, জানিয়ে এনামুল বলেন,‘ শুধু আমাকে কেন, তাদের মনে হলে পৃথিবী যে কাউকেই ডাকতে পারে। তারা যা যা জানতে চেয়েছি আমি তার উত্তর দিয়েছি। কিন্তু (শাস্তি হিসেবে যদি) আমাকে যদি খেলোয়াড় তালিকার বাইরে রাখা হয়, তাহলে বিসিবি প্রমাণ দিক, আমার অপরাধটা কী। কোনো প্রমাণ ছাড়া আমি শাস্তি মেনে নেব না।’
শুধু এনামুল হক বিজয়ই নন, চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন সানজামুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদুজ্জামান ও আলাউদ্দিন বাবুও।

বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
বাদ বিপিএলের খেলোয়াড় তালিকায় থেকে বাদ পক্ষে চটেছেন এনামুল। তাঁর দাবি, বিসিবি প্রমাণ না দিয়ে দোষী সাব্যস্ত করছে তাঁদের। আজকের পত্রিকাকে এনামুল বললেন, ‘এ নিয়ে আমি বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। মিঠু ভাই, ফাহিম ভাই, লিপু ভাই, সিইও কিংবা বুলবুল ভাই, সবার সঙ্গেই কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কারও সাড়া পাইনি। তাঁরা রেসপন্স করলে জানতে চাইতাম আমার অপরাধটা কী? কী প্রমাণের ভিত্তিতে আমাকে বাইরে রাখা হলো সেটা জানতে চাইতাম।’ কোনো কিছু প্রমাণ না করেই তাকে চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় না রেখে সামাজিকভাবে হেয় করা হচ্ছে বলেও দাবি তোলেন এনামুল, ‘এভাবে আমাকে সমাজের মধ্যে অপমান, অসম্মান করা হচ্ছে। আমার যদি কোনো দোষ থাকে, ত্রুটি থাকে, তাহলে সেটা প্রমাণ করে শাস্তি দিক। কিন্তু সেটা প্রমাণ না করে এক বছর ধরে আমাকে অসম্মান করা হচ্ছে, এটা আমি মেনে নেব না।’
ফিক্সিং সম্পর্কিত কোনো জিজ্ঞাসাবাদে তাঁকে ডাকা হয়েছিল কি না—এ প্রশ্নের জবাবে এনামুল বলেন, ‘হ্যাঁ’, জানিয়ে এনামুল বলেন,‘ শুধু আমাকে কেন, তাদের মনে হলে পৃথিবী যে কাউকেই ডাকতে পারে। তারা যা যা জানতে চেয়েছি আমি তার উত্তর দিয়েছি। কিন্তু (শাস্তি হিসেবে যদি) আমাকে যদি খেলোয়াড় তালিকার বাইরে রাখা হয়, তাহলে বিসিবি প্রমাণ দিক, আমার অপরাধটা কী। কোনো প্রমাণ ছাড়া আমি শাস্তি মেনে নেব না।’
শুধু এনামুল হক বিজয়ই নন, চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন সানজামুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদুজ্জামান ও আলাউদ্দিন বাবুও।

একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা।
৮ দিন আগে
বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
২ ঘণ্টা আগে
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের...
৩ ঘণ্টা আগে
চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত।
৪ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
ফ্র্যাঞ্চাইজি সূত্রে সে তালিকা সংবাদমাধ্যমে এসেছে। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৭ ক্রিকেটারকে। বাদ পড়া ক্রিকেটারদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম এনামুল হক বিজয়। জাতীয় দলে যাওয়া আসার মধ্যে আছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত তিনি।
বিপিএলের আগের সবকটি আসরেই দেখা গেছে বিজয়কে। সবশেষ আসরে খেলেছেন দুর্বার রাজশাহীর হয়ে। পদ্মাপাড়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অধিনায়কত্বের ভার সামলেছেন তিনি। এবার বাদ পড়লেন নিলাম থেকেই। বিজয় ছাড়াও বাদ পড়া অন্য বড় নামটি হলো মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এই ব্যাটিং অলরাউন্ডারও জাতীয় দলের আশেপাশেই ছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ পরিচিত মুখ তিনি। বিজয়ের মতো মোসাদ্দেকও ছিলেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। এই ক্যাটাগরিতে ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য ২২ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। এই ঘোষণার পরও অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা খসড়া তালিকায় থাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। এবার নিলামের আগের দিন চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়লেন বিজয়, সৈকতরা। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া বাকি পাঁচজন হলেন সানজামুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদুজ্জামান ও আলাউদ্দিন বাবু।
নিলামের খসড়া তালিকায় ছিল না আলিস ইসলামের নাম। চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়েছে এই স্পিনারের। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে আছেন তিনি। নিলামের গ্রেডিং ভালো না হওয়ায় তোপের মুখে পড়েছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। সমালোচনার মুখে বেশকিছু ক্রিকেটারের ক্যাটাগরি বাড়িয়েছে টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটি। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছেন শাহাদাত হোসেন দিপু, ইরফান শুক্কুর, আরিফুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, এসএম মেহরব, শেখ পারভেজ জীবন, ফজলে রাব্বি ও মুশফিক হাসানের। ‘সি’ থেকে ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছেন মুকিদুল ইসলাম।

বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
ফ্র্যাঞ্চাইজি সূত্রে সে তালিকা সংবাদমাধ্যমে এসেছে। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৭ ক্রিকেটারকে। বাদ পড়া ক্রিকেটারদের তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম এনামুল হক বিজয়। জাতীয় দলে যাওয়া আসার মধ্যে আছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত তিনি।
বিপিএলের আগের সবকটি আসরেই দেখা গেছে বিজয়কে। সবশেষ আসরে খেলেছেন দুর্বার রাজশাহীর হয়ে। পদ্মাপাড়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অধিনায়কত্বের ভার সামলেছেন তিনি। এবার বাদ পড়লেন নিলাম থেকেই। বিজয় ছাড়াও বাদ পড়া অন্য বড় নামটি হলো মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এই ব্যাটিং অলরাউন্ডারও জাতীয় দলের আশেপাশেই ছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ পরিচিত মুখ তিনি। বিজয়ের মতো মোসাদ্দেকও ছিলেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। এই ক্যাটাগরিতে ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য ২২ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। এই ঘোষণার পরও অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা খসড়া তালিকায় থাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। এবার নিলামের আগের দিন চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়লেন বিজয়, সৈকতরা। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া বাকি পাঁচজন হলেন সানজামুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদুজ্জামান ও আলাউদ্দিন বাবু।
নিলামের খসড়া তালিকায় ছিল না আলিস ইসলামের নাম। চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়েছে এই স্পিনারের। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে আছেন তিনি। নিলামের গ্রেডিং ভালো না হওয়ায় তোপের মুখে পড়েছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। সমালোচনার মুখে বেশকিছু ক্রিকেটারের ক্যাটাগরি বাড়িয়েছে টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটি। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছেন শাহাদাত হোসেন দিপু, ইরফান শুক্কুর, আরিফুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, এসএম মেহরব, শেখ পারভেজ জীবন, ফজলে রাব্বি ও মুশফিক হাসানের। ‘সি’ থেকে ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছেন মুকিদুল ইসলাম।

একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা।
৮ দিন আগে
বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
১৬ মিনিট আগে
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের...
৩ ঘণ্টা আগে
চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত।
৪ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজ হাতছাড়া করবে বাংলাদেশ। বাইশ গজে আজ আরও একটি জমজমাট ম্যাচ আছে। ত্রিদেশীয় টি–টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে মাঠে নামবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মাঠে নামবে ম্যানচেস্টার সিটি, টেটনহাম হটস্পার, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মতো দল। একনজরে আজকের টিভি সূচি।
ক্রিকেট
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড
সন্ধ্যা ৬ টা, সরাসরি
টি স্পোর্টস, নাগরিক টিভি
ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি
ফাইনাল
পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা
সন্ধ্যা ৭ টা, সরাসরি
এ স্পোর্টস
ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ম্যানসিটি-লিডস
রাত ৯ টা, সরাসরি
এভারটন-নিউক্যাসল
রাত ১১টা ৩০ মি. , সরাসরি
টটেনহাম-ফুলহাম
রাত ২ টা, সরাসরি
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজ হাতছাড়া করবে বাংলাদেশ। বাইশ গজে আজ আরও একটি জমজমাট ম্যাচ আছে। ত্রিদেশীয় টি–টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে মাঠে নামবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মাঠে নামবে ম্যানচেস্টার সিটি, টেটনহাম হটস্পার, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মতো দল। একনজরে আজকের টিভি সূচি।
ক্রিকেট
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড
সন্ধ্যা ৬ টা, সরাসরি
টি স্পোর্টস, নাগরিক টিভি
ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি
ফাইনাল
পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা
সন্ধ্যা ৭ টা, সরাসরি
এ স্পোর্টস
ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ম্যানসিটি-লিডস
রাত ৯ টা, সরাসরি
এভারটন-নিউক্যাসল
রাত ১১টা ৩০ মি. , সরাসরি
টটেনহাম-ফুলহাম
রাত ২ টা, সরাসরি
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা।
৮ দিন আগে
বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
২ ঘণ্টা আগে
চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত।
৪ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত। গ্রুপে থাকা সুইজারল্যান্ড ও চিলিকে প্রস্তুতি ম্যাচে উড়িয়ে দিয়েছে মেহরাব হোসেন সামিনের দল। আর ওমান গতকাল সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরেছে ৪-০ গোলে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়া।
আফসোস হোক বা রসিকতা, সেসব একপাশে রেখে জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২১) হকি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচ। হকির ইতিহাসে বিশ্বমঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আগে কখনো ছিল না। এবার যেহেতু দলের সংখ্যা (২৪) বেড়েছে, মিলেছে বাংলাদেশের খেলার সুযোগও। সেই জায়গাটা নিতে গত বছর জুনিয়র এশিয়া কাপে থাকতে হয়েছে সেরা ছয়ে।
বিশ্বকাপ সামনে রেখে চার মাসের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ। কোচ হিসেবে আনা হয়েছে অভিজ্ঞ আইকম্যানকে; যাঁর অধীনে ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতেছিল জাপান। বড় কোনো স্বপ্ন না দেখালেও বিশ্বকাপ থেকে ভালো স্মৃতি নিয়ে ফিরতে চান ৬৬ বছর বয়সী এই ডাচ কোচ।
ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ যুব দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে পেয়েছে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জয়। মঙ্গলবার তারা চিলিকে হারায় ৩-০ ব্যবধানে। এরপর বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে দেয় ৫-২ গোলে। সেই আত্মবিশ্বাস কতটুকু কাজে দেবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে? উত্তরে আজকের পত্রিকাকে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘আমরা সঠিক পথেই আছি। অনুশীলন ও ম্যাচে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। তাই সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে খেলতে তৈরি। সেরাদের বিপক্ষে খেলতে আমরা উজ্জীবিত হয়ে আছি। নিজেদের সবটুকু দিয়ে খেলার চেষ্টা করব।’
একবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি দুর্দান্ত ছন্দে আছে। গত মাসে মালয়েশিয়ায় ৬ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত সুলতান জহর কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে বাংলাদেশও চায় নিজেদের ছাপ রাখতে। সে জন্য পাল্টা আক্রমণই ভরসা আইকম্যানের ছকে, ‘অস্ট্রেলিয়া দুর্দান্ত খেলে সুলতান জহর কাপ জিতেছে। আমার মনে হয়, তারা অনেক গোল করার চেষ্টা করবে। সেটাই পাল্টা আক্রমণে ওঠার ভালো সুযোগ এনে দেবে আমাদের জন্য।’
শক্তিতে এগিয়ে থাকলেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না অস্ট্রেলিয়া। দলটির কোচ জে স্টেসি বলেন, ‘আসলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কে আমি খুব বেশি জানি না। তাদের খুব বেশি দেখিনি, তাই কিছুটা “অপেক্ষা করে দেখা”র বিষয় থাকবে। বাংলাদেশের কিছু ভিডিও ফুটেজ আছে এবং সব দলের মতোই তাদের বিপক্ষে প্রস্তুতি নেব।’

চেন্নাইয়ের মেয়র রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বসে গতকাল সুইজারল্যান্ড-ওমানের ম্যাচ দেখছিলেন বাংলাদেশের কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান। তখনই মজা করে বললেন, ‘আমাদের এই গ্রুপে খেলা উচিত ছিল।’ যদিও এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত রয়েছে। তবু বাংলাদেশের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকত। গ্রুপে থাকা সুইজারল্যান্ড ও চিলিকে প্রস্তুতি ম্যাচে উড়িয়ে দিয়েছে মেহরাব হোসেন সামিনের দল। আর ওমান গতকাল সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরেছে ৪-০ গোলে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়া।
আফসোস হোক বা রসিকতা, সেসব একপাশে রেখে জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২১) হকি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। রাধাকৃষ্ণণ স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচ। হকির ইতিহাসে বিশ্বমঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আগে কখনো ছিল না। এবার যেহেতু দলের সংখ্যা (২৪) বেড়েছে, মিলেছে বাংলাদেশের খেলার সুযোগও। সেই জায়গাটা নিতে গত বছর জুনিয়র এশিয়া কাপে থাকতে হয়েছে সেরা ছয়ে।
বিশ্বকাপ সামনে রেখে চার মাসের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ। কোচ হিসেবে আনা হয়েছে অভিজ্ঞ আইকম্যানকে; যাঁর অধীনে ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতেছিল জাপান। বড় কোনো স্বপ্ন না দেখালেও বিশ্বকাপ থেকে ভালো স্মৃতি নিয়ে ফিরতে চান ৬৬ বছর বয়সী এই ডাচ কোচ।
ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ যুব দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে পেয়েছে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জয়। মঙ্গলবার তারা চিলিকে হারায় ৩-০ ব্যবধানে। এরপর বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে দেয় ৫-২ গোলে। সেই আত্মবিশ্বাস কতটুকু কাজে দেবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে? উত্তরে আজকের পত্রিকাকে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘আমরা সঠিক পথেই আছি। অনুশীলন ও ম্যাচে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। তাই সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে খেলতে তৈরি। সেরাদের বিপক্ষে খেলতে আমরা উজ্জীবিত হয়ে আছি। নিজেদের সবটুকু দিয়ে খেলার চেষ্টা করব।’
একবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি দুর্দান্ত ছন্দে আছে। গত মাসে মালয়েশিয়ায় ৬ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত সুলতান জহর কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে বাংলাদেশও চায় নিজেদের ছাপ রাখতে। সে জন্য পাল্টা আক্রমণই ভরসা আইকম্যানের ছকে, ‘অস্ট্রেলিয়া দুর্দান্ত খেলে সুলতান জহর কাপ জিতেছে। আমার মনে হয়, তারা অনেক গোল করার চেষ্টা করবে। সেটাই পাল্টা আক্রমণে ওঠার ভালো সুযোগ এনে দেবে আমাদের জন্য।’
শক্তিতে এগিয়ে থাকলেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না অস্ট্রেলিয়া। দলটির কোচ জে স্টেসি বলেন, ‘আসলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্কে আমি খুব বেশি জানি না। তাদের খুব বেশি দেখিনি, তাই কিছুটা “অপেক্ষা করে দেখা”র বিষয় থাকবে। বাংলাদেশের কিছু ভিডিও ফুটেজ আছে এবং সব দলের মতোই তাদের বিপক্ষে প্রস্তুতি নেব।’

একটি কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট; আর একটি গোল। তাতে ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর অনাবিল আনন্দে ভেসেছে বাংলাদেশ। গোল করে নায়ক শেখ মোরসালিন, তাঁকে নায়ক হওয়ার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাকিব শোনালেন মাঠের গল্প, অনুভূতি ও দলের পরবর্তী পথচলার কথা।
৮ দিন আগে
বিপিএলের নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়ের। কেন এনামুল নেই, সে ব্যাখ্যা বিসিবি দেয়নি। তবে বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠা ক্রিকেটারদের নিলামে রাখা হবে না। তাই এনামুলের বাদ পড়ার কারণটাও আর বুঝে নিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কারও।
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২ তম আসরের নিলাম হবে আগামীকাল। তার আগেরদিন আলোচনার রসদ হয়ে সামনে এসেছে দেশি ক্রিকেটারদের নামের তালিকা। বিপিএলের পরবর্তী আসরকে সামনে রেখে খসড়া থেকে আজ দেশি ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত নামের তালিকা তৈরি করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।
২ ঘণ্টা আগে
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ৩৯ রানে হেরে যায় লিটন দাসের দল। সিরিজে টিকে থাকতে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। বাঁচা মরার মিশনে সন্ধ্যা ছয়টায় আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। হারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের...
৩ ঘণ্টা আগে