নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আজ সন্ধ্যায় ‘বন্দর রক্ষা ও করিডরবিরোধী আন্দোলন’ ব্যানারে ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দিব না’ শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এ সময় সামনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়ে সিপিবির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার এর মধ্যে দাবি না (বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবি) মানলে আগামী ৪ ডিসেম্বর যমুনার অভিমুখে আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।’ দাবি আদায় না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না বলে জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আদালতে একটা মামলা ছিল (বন্দর নিয়ে), সেইখানে আমাদের মাননীয় বিচারপতিরা ওনারা মৌখিকভাবে বলেছেন, নিষ্পত্তি হওয়ার আগে আর কিছু করা যাবে না। অথচ আমাদের আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ওই নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল দেওয়ার জন্য ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে। বন্দরের ব্যাপারে লিজ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাই।’
এখতিয়ার বহির্ভূত ও বেআইনিভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অভিযোগ করে প্রিন্স বলেন, ‘২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পরে ড. ইউনূস দেশে ফিরেই চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আজ ১৯ বছর পরে এসে তিনি বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করছে। জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারি করতেই বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ববিরোধী আমাদের জাতীয় সম্পদকে ওই বিদেশিদের হাতে দেব না। সরকার চুক্তি থেকে সরে না আসলে হরতাল, অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে।’
ইন্টেরিম সরকারের উপদেষ্টার বাইরে আরও দুজন ব্যক্তি লুতফে সিদ্দিকী ও আশেক চৌধুরী এই বিষয়ে জড়িত বলে উল্লেখ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘২৫ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়, আইন শাখা ও আমাদের এনআরবি এইখানে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বন্দর ডিপিকে দেওয়া হবে কি না, তা পর্যালোচনার জন্য তিন-চার দিনের একটি সভা করতে চায়। এই বন্দর যে ডিপিকে দেওয়া হবে—এইটা পর্যালোচনার জন্য। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে আমেরিকার নৌবাহিনীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের সক্ষমতা আছে, দরকার হলে ভালো মেশিনারি বা এক্সপার্ট এনে আমাদের নিজস্ব মালিকানায় বন্দর চালানো উচিত।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘চট্টগ্রামের লালদিয়া চর ৩৩ বছর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল ২২ বছরের জন্য ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও বে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের ফুসফুস। এটি কোনোভাবেই বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘বন্দর ইজারা দেওয়ার চুক্তির শর্ত গোপন রাখা হয়েছে, যা জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে যে নিশ্চয়ই চুক্তির ধারায় কোনো দেশবিরোধী কিছু থাকতে পারে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাদের মূল্য দিতে হবে এবং সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।’ অবিলম্বে জনগণকে অবগত না করে যে চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে—তা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু অংশ ইজারা দেওয়া হচ্ছে একটি ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে, যার সাথে আমেরিকার যোগ সাজেশ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সংঘটিত হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। দেশের সরকারের নিজস্ব বিনিয়োগে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এটি আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সামর্থ্য রয়েছে। এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।’
বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে বলে মন্তব্য করে রঞ্জন দে বলেন, বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর তুলে দেওয়া হলে সেখানকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে পড়বে এবং তাঁরা ছাঁটাইয়ের শিকার হবেন। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে এবং অন্য বিদেশিরাও সেখানে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এম এ সাঈদ বলেন, ‘দেশের সকল জাতীয় ও কৌশলগত সম্পদের মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের নেই। সরকার যে অজুহাতে বন্দর ইজারা দিতে চায়, সেটি যুক্তিযুক্ত নয়। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বন্দর পরিচালনা করতে হবে। আগামী দিনে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন রেজা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ—বিসিএলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহীন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. এস এম ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলী— বিসিএলের সভাপতি গৌতম শীলসহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মশাল মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আজ সন্ধ্যায় ‘বন্দর রক্ষা ও করিডরবিরোধী আন্দোলন’ ব্যানারে ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দিব না’ শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এ সময় সামনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়ে সিপিবির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার এর মধ্যে দাবি না (বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবি) মানলে আগামী ৪ ডিসেম্বর যমুনার অভিমুখে আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।’ দাবি আদায় না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না বলে জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আদালতে একটা মামলা ছিল (বন্দর নিয়ে), সেইখানে আমাদের মাননীয় বিচারপতিরা ওনারা মৌখিকভাবে বলেছেন, নিষ্পত্তি হওয়ার আগে আর কিছু করা যাবে না। অথচ আমাদের আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ওই নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল দেওয়ার জন্য ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে। বন্দরের ব্যাপারে লিজ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাই।’
এখতিয়ার বহির্ভূত ও বেআইনিভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অভিযোগ করে প্রিন্স বলেন, ‘২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পরে ড. ইউনূস দেশে ফিরেই চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আজ ১৯ বছর পরে এসে তিনি বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করছে। জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারি করতেই বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ববিরোধী আমাদের জাতীয় সম্পদকে ওই বিদেশিদের হাতে দেব না। সরকার চুক্তি থেকে সরে না আসলে হরতাল, অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে।’
ইন্টেরিম সরকারের উপদেষ্টার বাইরে আরও দুজন ব্যক্তি লুতফে সিদ্দিকী ও আশেক চৌধুরী এই বিষয়ে জড়িত বলে উল্লেখ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘২৫ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়, আইন শাখা ও আমাদের এনআরবি এইখানে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বন্দর ডিপিকে দেওয়া হবে কি না, তা পর্যালোচনার জন্য তিন-চার দিনের একটি সভা করতে চায়। এই বন্দর যে ডিপিকে দেওয়া হবে—এইটা পর্যালোচনার জন্য। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে আমেরিকার নৌবাহিনীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের সক্ষমতা আছে, দরকার হলে ভালো মেশিনারি বা এক্সপার্ট এনে আমাদের নিজস্ব মালিকানায় বন্দর চালানো উচিত।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘চট্টগ্রামের লালদিয়া চর ৩৩ বছর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল ২২ বছরের জন্য ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও বে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের ফুসফুস। এটি কোনোভাবেই বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘বন্দর ইজারা দেওয়ার চুক্তির শর্ত গোপন রাখা হয়েছে, যা জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে যে নিশ্চয়ই চুক্তির ধারায় কোনো দেশবিরোধী কিছু থাকতে পারে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাদের মূল্য দিতে হবে এবং সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।’ অবিলম্বে জনগণকে অবগত না করে যে চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে—তা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু অংশ ইজারা দেওয়া হচ্ছে একটি ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে, যার সাথে আমেরিকার যোগ সাজেশ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সংঘটিত হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। দেশের সরকারের নিজস্ব বিনিয়োগে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এটি আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সামর্থ্য রয়েছে। এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।’
বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে বলে মন্তব্য করে রঞ্জন দে বলেন, বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর তুলে দেওয়া হলে সেখানকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে পড়বে এবং তাঁরা ছাঁটাইয়ের শিকার হবেন। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে এবং অন্য বিদেশিরাও সেখানে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এম এ সাঈদ বলেন, ‘দেশের সকল জাতীয় ও কৌশলগত সম্পদের মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের নেই। সরকার যে অজুহাতে বন্দর ইজারা দিতে চায়, সেটি যুক্তিযুক্ত নয়। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বন্দর পরিচালনা করতে হবে। আগামী দিনে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন রেজা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ—বিসিএলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহীন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. এস এম ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলী— বিসিএলের সভাপতি গৌতম শীলসহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মশাল মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আজ সন্ধ্যায় ‘বন্দর রক্ষা ও করিডরবিরোধী আন্দোলন’ ব্যানারে ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দিব না’ শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এ সময় সামনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়ে সিপিবির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার এর মধ্যে দাবি না (বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবি) মানলে আগামী ৪ ডিসেম্বর যমুনার অভিমুখে আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।’ দাবি আদায় না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না বলে জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আদালতে একটা মামলা ছিল (বন্দর নিয়ে), সেইখানে আমাদের মাননীয় বিচারপতিরা ওনারা মৌখিকভাবে বলেছেন, নিষ্পত্তি হওয়ার আগে আর কিছু করা যাবে না। অথচ আমাদের আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ওই নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল দেওয়ার জন্য ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে। বন্দরের ব্যাপারে লিজ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাই।’
এখতিয়ার বহির্ভূত ও বেআইনিভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অভিযোগ করে প্রিন্স বলেন, ‘২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পরে ড. ইউনূস দেশে ফিরেই চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আজ ১৯ বছর পরে এসে তিনি বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করছে। জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারি করতেই বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ববিরোধী আমাদের জাতীয় সম্পদকে ওই বিদেশিদের হাতে দেব না। সরকার চুক্তি থেকে সরে না আসলে হরতাল, অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে।’
ইন্টেরিম সরকারের উপদেষ্টার বাইরে আরও দুজন ব্যক্তি লুতফে সিদ্দিকী ও আশেক চৌধুরী এই বিষয়ে জড়িত বলে উল্লেখ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘২৫ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়, আইন শাখা ও আমাদের এনআরবি এইখানে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বন্দর ডিপিকে দেওয়া হবে কি না, তা পর্যালোচনার জন্য তিন-চার দিনের একটি সভা করতে চায়। এই বন্দর যে ডিপিকে দেওয়া হবে—এইটা পর্যালোচনার জন্য। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে আমেরিকার নৌবাহিনীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের সক্ষমতা আছে, দরকার হলে ভালো মেশিনারি বা এক্সপার্ট এনে আমাদের নিজস্ব মালিকানায় বন্দর চালানো উচিত।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘চট্টগ্রামের লালদিয়া চর ৩৩ বছর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল ২২ বছরের জন্য ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও বে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের ফুসফুস। এটি কোনোভাবেই বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘বন্দর ইজারা দেওয়ার চুক্তির শর্ত গোপন রাখা হয়েছে, যা জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে যে নিশ্চয়ই চুক্তির ধারায় কোনো দেশবিরোধী কিছু থাকতে পারে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাদের মূল্য দিতে হবে এবং সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।’ অবিলম্বে জনগণকে অবগত না করে যে চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে—তা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু অংশ ইজারা দেওয়া হচ্ছে একটি ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে, যার সাথে আমেরিকার যোগ সাজেশ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সংঘটিত হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। দেশের সরকারের নিজস্ব বিনিয়োগে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এটি আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সামর্থ্য রয়েছে। এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।’
বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে বলে মন্তব্য করে রঞ্জন দে বলেন, বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর তুলে দেওয়া হলে সেখানকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে পড়বে এবং তাঁরা ছাঁটাইয়ের শিকার হবেন। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে এবং অন্য বিদেশিরাও সেখানে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এম এ সাঈদ বলেন, ‘দেশের সকল জাতীয় ও কৌশলগত সম্পদের মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের নেই। সরকার যে অজুহাতে বন্দর ইজারা দিতে চায়, সেটি যুক্তিযুক্ত নয়। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বন্দর পরিচালনা করতে হবে। আগামী দিনে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন রেজা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ—বিসিএলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহীন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. এস এম ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলী— বিসিএলের সভাপতি গৌতম শীলসহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মশাল মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আজ সন্ধ্যায় ‘বন্দর রক্ষা ও করিডরবিরোধী আন্দোলন’ ব্যানারে ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দিব না’ শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এ সময় সামনে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়ে সিপিবির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার এর মধ্যে দাবি না (বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবি) মানলে আগামী ৪ ডিসেম্বর যমুনার অভিমুখে আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।’ দাবি আদায় না করা পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না বলে জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আদালতে একটা মামলা ছিল (বন্দর নিয়ে), সেইখানে আমাদের মাননীয় বিচারপতিরা ওনারা মৌখিকভাবে বলেছেন, নিষ্পত্তি হওয়ার আগে আর কিছু করা যাবে না। অথচ আমাদের আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ওই নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল দেওয়ার জন্য ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে। বন্দরের ব্যাপারে লিজ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাই।’
এখতিয়ার বহির্ভূত ও বেআইনিভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অভিযোগ করে প্রিন্স বলেন, ‘২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পরে ড. ইউনূস দেশে ফিরেই চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আজ ১৯ বছর পরে এসে তিনি বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করছে। জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারি করতেই বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ববিরোধী আমাদের জাতীয় সম্পদকে ওই বিদেশিদের হাতে দেব না। সরকার চুক্তি থেকে সরে না আসলে হরতাল, অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে দাবি আদায় করা হবে।’
ইন্টেরিম সরকারের উপদেষ্টার বাইরে আরও দুজন ব্যক্তি লুতফে সিদ্দিকী ও আশেক চৌধুরী এই বিষয়ে জড়িত বলে উল্লেখ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘২৫ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়, আইন শাখা ও আমাদের এনআরবি এইখানে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বন্দর ডিপিকে দেওয়া হবে কি না, তা পর্যালোচনার জন্য তিন-চার দিনের একটি সভা করতে চায়। এই বন্দর যে ডিপিকে দেওয়া হবে—এইটা পর্যালোচনার জন্য। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে আমেরিকার নৌবাহিনীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের সক্ষমতা আছে, দরকার হলে ভালো মেশিনারি বা এক্সপার্ট এনে আমাদের নিজস্ব মালিকানায় বন্দর চালানো উচিত।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘চট্টগ্রামের লালদিয়া চর ৩৩ বছর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল ২২ বছরের জন্য ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও বে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের ফুসফুস। এটি কোনোভাবেই বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ‘বন্দর ইজারা দেওয়ার চুক্তির শর্ত গোপন রাখা হয়েছে, যা জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে যে নিশ্চয়ই চুক্তির ধারায় কোনো দেশবিরোধী কিছু থাকতে পারে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাদের মূল্য দিতে হবে এবং সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।’ অবিলম্বে জনগণকে অবগত না করে যে চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে—তা থেকে সরে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু অংশ ইজারা দেওয়া হচ্ছে একটি ডেনমার্কের কোম্পানির কাছে, যার সাথে আমেরিকার যোগ সাজেশ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সংঘটিত হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। দেশের সরকারের নিজস্ব বিনিয়োগে সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে এটি আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সামর্থ্য রয়েছে। এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানটিকে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।’
বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে বলে মন্তব্য করে রঞ্জন দে বলেন, বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর তুলে দেওয়া হলে সেখানকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে পড়বে এবং তাঁরা ছাঁটাইয়ের শিকার হবেন। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হলে আমেরিকা সেখানে ঘাঁটি গাড়বে এবং অন্য বিদেশিরাও সেখানে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এম এ সাঈদ বলেন, ‘দেশের সকল জাতীয় ও কৌশলগত সম্পদের মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের নেই। সরকার যে অজুহাতে বন্দর ইজারা দিতে চায়, সেটি যুক্তিযুক্ত নয়। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বন্দর পরিচালনা করতে হবে। আগামী দিনে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন রেজা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ—বিসিএলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহীন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. এস এম ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলী— বিসিএলের সভাপতি গৌতম শীলসহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মশাল মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
২৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়
৮ দিন আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়
৮ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
২৯ মিনিট আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়
৮ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
২৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

আন্দোলন ও হাইকোর্টের বক্তব্য উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতে ইউনূস সরকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়
৮ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
২৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে