Ajker Patrika

জামায়াত নেতা তাহেরকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদ, ঢাকা
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, পাশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: আজকের পত্রিকা
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, পাশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: আজকের পত্রিকা

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার হাসপাতালে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত তিন দিন ধরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জামায়াতের এ নেতা।

দলটির প্রচার বিভাগ জানিয়েছে, হাসপাতালে আজ আবদুল্লাহ তাহেরের খোঁজখবর নেন মির্জা ফখরুল। তাঁর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে জেনে তাহেরের দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন বিএনপির মহাসচিব।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়াকে ‘লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা’

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ৫৪
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।

এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।

দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’

মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

অর্থনীতির সুফল জনগণ পায়নি, একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে: আমীর খসরু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।

অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’

অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।

বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি: জামায়াত আমির

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ০০
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে কথা বলছেন জামায়াত আমির। ছবি: আজকের পত্রিকা
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে কথা বলছেন জামায়াত আমির। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।

অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’

ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’

আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী

জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’

এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ১৯
হাসনাত আবদুল্লাহ। ফাইল ছবি
হাসনাত আবদুল্লাহ। ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত