রয়টার্স

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১৯৭৫ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর হঠাৎ করেই তিনি রাজনৈতিকভাবে সামনে আসেন। শুরুর দিকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেও পরের দীর্ঘ শাসনকাল গণতন্ত্র হরণের জন্য নিন্দিত হয়েছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার, বাকস্বাধীনতা সংকোচন ও ভিন্নমত দমনের একের পর অভিযোগে তার সেই সংগ্রাম চাপা পড়ে গেছে।
ছাত্র আন্দোলনের মুখে গতবছর আগস্টে পদত্যাগ করে দেশে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ১৫ মাস পর আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডও দিল।
গণতন্ত্রের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে এক কাতারে লড়েছিলেন
ক্ষমতায় চরম সমালোচিত হলেও ১৭ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো এবং তৈরি পোশাকশিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণের জন্য কৃতিত্ব পেয়ে আসছিলেন হাসিনা। মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল থেকেও তিনি প্রশংসিত হন।
কিন্তু সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা নিয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের সূত্র ধরে তাঁর পতন হলো, যে আন্দোলনটি দ্রুতই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছিল। পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
ভারতে নির্বাসন থেকে হাসিনা মানবতাবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই রায় ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তিনি আরও বলেন, ‘সঠিক ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই না।’ রাষ্ট্রনিযুক্ত তাঁর আইনজীবীও আদালতে অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
জাতিসংঘের ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সর্বোচ্চ ১,৪০০ মানুষ নিহত হতে পারে এবং সরকারি নির্দেশেই বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে—এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিষ্ঠিত এবং হাসিনার আমলে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেই এবার তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নাটকীয় মোড় এনে দিল। ১৯৭৫ সালের অভ্যুত্থানের সময় ইউরোপে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি, সেই থেকেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।
১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া হাসিনা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছার পাঁচ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তাঁর বাবার যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানের পর ভারতে দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন হাসিনা। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হটাতে কট্টর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিলে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। তবে এ মিলন বেশিদিন টেকেনি। ‘বেগমদের দ্বন্দ্ব’ নামে পরিচিত দুই নেত্রীর তিক্ত লড়াই পরবর্তী কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ রাজনীতিকে বিভক্ত করে দেয়।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন হাসিনা। পাঁচ বছর পর বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরে টানা চার মেয়াদ দেশ চালান।
অভিযোগ, পতন ও নির্বাসন
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিরোধী নেতা ও কর্মীদের গণগ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা— এসবই তাঁর শাসনের ‘অন্ধকার দিক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, দেশটিতে কার্যত একদলীয় শাসন কায়েম হয়। তবে হাসিনার দাবি ছিল—স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থেই শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দী হন। তাঁর দল অভিযোগ করে, হাসিনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব মামলা করেছেন। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। উভয় নেত্রী একে অপরকে গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করতেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের একসময়ের দ্রুতগতির অর্থনীতি গতি হারায়। ফলে গত বছর বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ নিতে হয়।
গত বছরের আগস্টে অভ্যুত্থানের মুখে সেনা হেলিকপ্টারে বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার পর হাসিনার পতন চূড়ান্ত হয়। এরপর উল্লসিত বিক্ষোভকারীরা কোনো বাধা ছাড়াই তাঁর বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, টেলিভিশনসহ নানা সামগ্রী লুটে নিয়ে যায়।
এরপর থেকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তিনি হাসিনার সমালোচনার লক্ষ্য ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে এবং হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিতও হয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারির শুরুতে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না—এমন ঘোষণা দিয়েছেন ইউনূস।

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১৯৭৫ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর হঠাৎ করেই তিনি রাজনৈতিকভাবে সামনে আসেন। শুরুর দিকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেও পরের দীর্ঘ শাসনকাল গণতন্ত্র হরণের জন্য নিন্দিত হয়েছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার, বাকস্বাধীনতা সংকোচন ও ভিন্নমত দমনের একের পর অভিযোগে তার সেই সংগ্রাম চাপা পড়ে গেছে।
ছাত্র আন্দোলনের মুখে গতবছর আগস্টে পদত্যাগ করে দেশে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ১৫ মাস পর আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডও দিল।
গণতন্ত্রের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে এক কাতারে লড়েছিলেন
ক্ষমতায় চরম সমালোচিত হলেও ১৭ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো এবং তৈরি পোশাকশিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণের জন্য কৃতিত্ব পেয়ে আসছিলেন হাসিনা। মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল থেকেও তিনি প্রশংসিত হন।
কিন্তু সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা নিয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের সূত্র ধরে তাঁর পতন হলো, যে আন্দোলনটি দ্রুতই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছিল। পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
ভারতে নির্বাসন থেকে হাসিনা মানবতাবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই রায় ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তিনি আরও বলেন, ‘সঠিক ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই না।’ রাষ্ট্রনিযুক্ত তাঁর আইনজীবীও আদালতে অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
জাতিসংঘের ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সর্বোচ্চ ১,৪০০ মানুষ নিহত হতে পারে এবং সরকারি নির্দেশেই বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে—এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিষ্ঠিত এবং হাসিনার আমলে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেই এবার তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নাটকীয় মোড় এনে দিল। ১৯৭৫ সালের অভ্যুত্থানের সময় ইউরোপে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি, সেই থেকেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।
১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া হাসিনা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছার পাঁচ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তাঁর বাবার যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানের পর ভারতে দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন হাসিনা। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হটাতে কট্টর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিলে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। তবে এ মিলন বেশিদিন টেকেনি। ‘বেগমদের দ্বন্দ্ব’ নামে পরিচিত দুই নেত্রীর তিক্ত লড়াই পরবর্তী কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ রাজনীতিকে বিভক্ত করে দেয়।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন হাসিনা। পাঁচ বছর পর বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরে টানা চার মেয়াদ দেশ চালান।
অভিযোগ, পতন ও নির্বাসন
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিরোধী নেতা ও কর্মীদের গণগ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা— এসবই তাঁর শাসনের ‘অন্ধকার দিক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, দেশটিতে কার্যত একদলীয় শাসন কায়েম হয়। তবে হাসিনার দাবি ছিল—স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থেই শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দী হন। তাঁর দল অভিযোগ করে, হাসিনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব মামলা করেছেন। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। উভয় নেত্রী একে অপরকে গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করতেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের একসময়ের দ্রুতগতির অর্থনীতি গতি হারায়। ফলে গত বছর বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ নিতে হয়।
গত বছরের আগস্টে অভ্যুত্থানের মুখে সেনা হেলিকপ্টারে বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার পর হাসিনার পতন চূড়ান্ত হয়। এরপর উল্লসিত বিক্ষোভকারীরা কোনো বাধা ছাড়াই তাঁর বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, টেলিভিশনসহ নানা সামগ্রী লুটে নিয়ে যায়।
এরপর থেকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তিনি হাসিনার সমালোচনার লক্ষ্য ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে এবং হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিতও হয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারির শুরুতে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না—এমন ঘোষণা দিয়েছেন ইউনূস।
রয়টার্স

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১৯৭৫ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর হঠাৎ করেই তিনি রাজনৈতিকভাবে সামনে আসেন। শুরুর দিকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেও পরের দীর্ঘ শাসনকাল গণতন্ত্র হরণের জন্য নিন্দিত হয়েছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার, বাকস্বাধীনতা সংকোচন ও ভিন্নমত দমনের একের পর অভিযোগে তার সেই সংগ্রাম চাপা পড়ে গেছে।
ছাত্র আন্দোলনের মুখে গতবছর আগস্টে পদত্যাগ করে দেশে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ১৫ মাস পর আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডও দিল।
গণতন্ত্রের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে এক কাতারে লড়েছিলেন
ক্ষমতায় চরম সমালোচিত হলেও ১৭ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো এবং তৈরি পোশাকশিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণের জন্য কৃতিত্ব পেয়ে আসছিলেন হাসিনা। মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল থেকেও তিনি প্রশংসিত হন।
কিন্তু সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা নিয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের সূত্র ধরে তাঁর পতন হলো, যে আন্দোলনটি দ্রুতই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছিল। পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
ভারতে নির্বাসন থেকে হাসিনা মানবতাবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই রায় ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তিনি আরও বলেন, ‘সঠিক ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই না।’ রাষ্ট্রনিযুক্ত তাঁর আইনজীবীও আদালতে অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
জাতিসংঘের ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সর্বোচ্চ ১,৪০০ মানুষ নিহত হতে পারে এবং সরকারি নির্দেশেই বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে—এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিষ্ঠিত এবং হাসিনার আমলে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেই এবার তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নাটকীয় মোড় এনে দিল। ১৯৭৫ সালের অভ্যুত্থানের সময় ইউরোপে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি, সেই থেকেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।
১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া হাসিনা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছার পাঁচ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তাঁর বাবার যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানের পর ভারতে দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন হাসিনা। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হটাতে কট্টর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিলে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। তবে এ মিলন বেশিদিন টেকেনি। ‘বেগমদের দ্বন্দ্ব’ নামে পরিচিত দুই নেত্রীর তিক্ত লড়াই পরবর্তী কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ রাজনীতিকে বিভক্ত করে দেয়।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন হাসিনা। পাঁচ বছর পর বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরে টানা চার মেয়াদ দেশ চালান।
অভিযোগ, পতন ও নির্বাসন
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিরোধী নেতা ও কর্মীদের গণগ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা— এসবই তাঁর শাসনের ‘অন্ধকার দিক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, দেশটিতে কার্যত একদলীয় শাসন কায়েম হয়। তবে হাসিনার দাবি ছিল—স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থেই শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দী হন। তাঁর দল অভিযোগ করে, হাসিনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব মামলা করেছেন। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। উভয় নেত্রী একে অপরকে গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করতেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের একসময়ের দ্রুতগতির অর্থনীতি গতি হারায়। ফলে গত বছর বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ নিতে হয়।
গত বছরের আগস্টে অভ্যুত্থানের মুখে সেনা হেলিকপ্টারে বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার পর হাসিনার পতন চূড়ান্ত হয়। এরপর উল্লসিত বিক্ষোভকারীরা কোনো বাধা ছাড়াই তাঁর বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, টেলিভিশনসহ নানা সামগ্রী লুটে নিয়ে যায়।
এরপর থেকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তিনি হাসিনার সমালোচনার লক্ষ্য ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে এবং হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিতও হয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারির শুরুতে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না—এমন ঘোষণা দিয়েছেন ইউনূস।

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১৯৭৫ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর হঠাৎ করেই তিনি রাজনৈতিকভাবে সামনে আসেন। শুরুর দিকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেও পরের দীর্ঘ শাসনকাল গণতন্ত্র হরণের জন্য নিন্দিত হয়েছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার, বাকস্বাধীনতা সংকোচন ও ভিন্নমত দমনের একের পর অভিযোগে তার সেই সংগ্রাম চাপা পড়ে গেছে।
ছাত্র আন্দোলনের মুখে গতবছর আগস্টে পদত্যাগ করে দেশে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ১৫ মাস পর আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডও দিল।
গণতন্ত্রের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে এক কাতারে লড়েছিলেন
ক্ষমতায় চরম সমালোচিত হলেও ১৭ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো এবং তৈরি পোশাকশিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণের জন্য কৃতিত্ব পেয়ে আসছিলেন হাসিনা। মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল থেকেও তিনি প্রশংসিত হন।
কিন্তু সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা নিয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের সূত্র ধরে তাঁর পতন হলো, যে আন্দোলনটি দ্রুতই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছিল। পঞ্চমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
ভারতে নির্বাসন থেকে হাসিনা মানবতাবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই রায় ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তিনি আরও বলেন, ‘সঠিক ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই না।’ রাষ্ট্রনিযুক্ত তাঁর আইনজীবীও আদালতে অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
জাতিসংঘের ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সর্বোচ্চ ১,৪০০ মানুষ নিহত হতে পারে এবং সরকারি নির্দেশেই বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে—এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিষ্ঠিত এবং হাসিনার আমলে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেই এবার তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নাটকীয় মোড় এনে দিল। ১৯৭৫ সালের অভ্যুত্থানের সময় ইউরোপে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি, সেই থেকেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।
১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া হাসিনা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছার পাঁচ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তাঁর বাবার যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
পঁচাত্তরের অভ্যুত্থানের পর ভারতে দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন হাসিনা। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হটাতে কট্টর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিলে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। তবে এ মিলন বেশিদিন টেকেনি। ‘বেগমদের দ্বন্দ্ব’ নামে পরিচিত দুই নেত্রীর তিক্ত লড়াই পরবর্তী কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ রাজনীতিকে বিভক্ত করে দেয়।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন হাসিনা। পাঁচ বছর পর বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরে টানা চার মেয়াদ দেশ চালান।
অভিযোগ, পতন ও নির্বাসন
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিরোধী নেতা ও কর্মীদের গণগ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা— এসবই তাঁর শাসনের ‘অন্ধকার দিক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, দেশটিতে কার্যত একদলীয় শাসন কায়েম হয়। তবে হাসিনার দাবি ছিল—স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থেই শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দী হন। তাঁর দল অভিযোগ করে, হাসিনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব মামলা করেছেন। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। উভয় নেত্রী একে অপরকে গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করতেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের একসময়ের দ্রুতগতির অর্থনীতি গতি হারায়। ফলে গত বছর বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ নিতে হয়।
গত বছরের আগস্টে অভ্যুত্থানের মুখে সেনা হেলিকপ্টারে বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার পর হাসিনার পতন চূড়ান্ত হয়। এরপর উল্লসিত বিক্ষোভকারীরা কোনো বাধা ছাড়াই তাঁর বাসভবন গণভবনে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, টেলিভিশনসহ নানা সামগ্রী লুটে নিয়ে যায়।
এরপর থেকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তিনি হাসিনার সমালোচনার লক্ষ্য ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে এবং হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিতও হয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারির শুরুতে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না—এমন ঘোষণা দিয়েছেন ইউনূস।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১২ দিন আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১২ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩৯ মিনিট আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১২ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

গত বছর ছাত্র আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন–পীড়নের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির রাজনৈতিক পথচলাও শুরু হয়েছিল রক্তাক্ত ঘটনার মধ্য দিয়েই।
১২ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩৯ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে