নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে শিগগির এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস এই দলগুলোর নেতাদের মধ্যে জোট গড়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী অবস্থান এবং জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তবে দলগুলোর নির্বাচনী আসন ছাড়ের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বলয়ের বাইরে তৃতীয় কোনো শক্তিকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। আমরা এনসিপির নেতৃত্বে তৃতীয় শক্তি গড়ার কথা ভাবছি। এখন পর্যন্ত এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ চলছে। পরবর্তীকালে আরও দু-একটি দল যুক্ত হতে পারে।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তরুণদের নিয়ে তৃতীয় একটা বলয় তৈরি করতে চাই, যাদের সঙ্গে আমাদের আদর্শগত মিল রয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ চলছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনে আসন ছাড়ের বিষয়েও কোনো কথা হয়নি।’
জুলাই সনদসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই দূরত্ব ঘোচাবার চেষ্টা করা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। তাই বিএনপি, জামায়াতের বাইরে এসে ছোট দলের দিকেই মনোনিবেশ করতে চায় তরুণদের নতুন দলটি।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, ‘বিএনপি, জামায়াতের কথা আমরা একসময় ভেবেছি। কিন্তু তাদের নিজস্ব কিছু সংকীর্ণতা এবং অতীতের কৃতকর্ম আছে। যতটা মূল্যায়ন আমাদের পাওয়ার কথা, সেটাও তারা দিতে রাজি নয়। মাত্র এক বছর আগের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিও তারা ভুলে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের নেতৃত্বে নতুন জোট গড়তে জোর দিচ্ছি।’
জোটের আলাপ চললেও এনসিপির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী চান দলটি এককভাবে নির্বাচন করুক। বিভিন্ন ফোরামেও দলের বড় একটি অংশ একক নির্বাচনের পক্ষে কথা বলেছে।
সর্বশেষ গত রোববার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও জানিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল সোমবার রাতে বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন একটা জোট দেখতে পাবেন। এই জোট হবে নারীদের পক্ষে, আলেম-ওলামার পক্ষে, বাংলাদেশের আপামর মানুষের পক্ষে।
অন্যদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু গত রোববার ফেনীতে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
জোটের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, ‘আমরা মধ্যমপন্থী দলগুলো নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চাই, যাদের সঙ্গে আদর্শগত জায়গায় এক থাকতে পারব। এ ক্ষেত্রে এবি পার্টি বা যাদের কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের ফোরামে আলোচনার পরে নেওয়া হবে।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে শিগগির এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস এই দলগুলোর নেতাদের মধ্যে জোট গড়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী অবস্থান এবং জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তবে দলগুলোর নির্বাচনী আসন ছাড়ের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বলয়ের বাইরে তৃতীয় কোনো শক্তিকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। আমরা এনসিপির নেতৃত্বে তৃতীয় শক্তি গড়ার কথা ভাবছি। এখন পর্যন্ত এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ চলছে। পরবর্তীকালে আরও দু-একটি দল যুক্ত হতে পারে।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তরুণদের নিয়ে তৃতীয় একটা বলয় তৈরি করতে চাই, যাদের সঙ্গে আমাদের আদর্শগত মিল রয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ চলছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনে আসন ছাড়ের বিষয়েও কোনো কথা হয়নি।’
জুলাই সনদসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই দূরত্ব ঘোচাবার চেষ্টা করা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। তাই বিএনপি, জামায়াতের বাইরে এসে ছোট দলের দিকেই মনোনিবেশ করতে চায় তরুণদের নতুন দলটি।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, ‘বিএনপি, জামায়াতের কথা আমরা একসময় ভেবেছি। কিন্তু তাদের নিজস্ব কিছু সংকীর্ণতা এবং অতীতের কৃতকর্ম আছে। যতটা মূল্যায়ন আমাদের পাওয়ার কথা, সেটাও তারা দিতে রাজি নয়। মাত্র এক বছর আগের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিও তারা ভুলে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের নেতৃত্বে নতুন জোট গড়তে জোর দিচ্ছি।’
জোটের আলাপ চললেও এনসিপির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী চান দলটি এককভাবে নির্বাচন করুক। বিভিন্ন ফোরামেও দলের বড় একটি অংশ একক নির্বাচনের পক্ষে কথা বলেছে।
সর্বশেষ গত রোববার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও জানিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল সোমবার রাতে বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন একটা জোট দেখতে পাবেন। এই জোট হবে নারীদের পক্ষে, আলেম-ওলামার পক্ষে, বাংলাদেশের আপামর মানুষের পক্ষে।
অন্যদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু গত রোববার ফেনীতে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
জোটের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, ‘আমরা মধ্যমপন্থী দলগুলো নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চাই, যাদের সঙ্গে আদর্শগত জায়গায় এক থাকতে পারব। এ ক্ষেত্রে এবি পার্টি বা যাদের কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের ফোরামে আলোচনার পরে নেওয়া হবে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে শিগগির এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস এই দলগুলোর নেতাদের মধ্যে জোট গড়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী অবস্থান এবং জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তবে দলগুলোর নির্বাচনী আসন ছাড়ের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বলয়ের বাইরে তৃতীয় কোনো শক্তিকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। আমরা এনসিপির নেতৃত্বে তৃতীয় শক্তি গড়ার কথা ভাবছি। এখন পর্যন্ত এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ চলছে। পরবর্তীকালে আরও দু-একটি দল যুক্ত হতে পারে।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তরুণদের নিয়ে তৃতীয় একটা বলয় তৈরি করতে চাই, যাদের সঙ্গে আমাদের আদর্শগত মিল রয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ চলছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনে আসন ছাড়ের বিষয়েও কোনো কথা হয়নি।’
জুলাই সনদসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই দূরত্ব ঘোচাবার চেষ্টা করা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। তাই বিএনপি, জামায়াতের বাইরে এসে ছোট দলের দিকেই মনোনিবেশ করতে চায় তরুণদের নতুন দলটি।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, ‘বিএনপি, জামায়াতের কথা আমরা একসময় ভেবেছি। কিন্তু তাদের নিজস্ব কিছু সংকীর্ণতা এবং অতীতের কৃতকর্ম আছে। যতটা মূল্যায়ন আমাদের পাওয়ার কথা, সেটাও তারা দিতে রাজি নয়। মাত্র এক বছর আগের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিও তারা ভুলে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের নেতৃত্বে নতুন জোট গড়তে জোর দিচ্ছি।’
জোটের আলাপ চললেও এনসিপির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী চান দলটি এককভাবে নির্বাচন করুক। বিভিন্ন ফোরামেও দলের বড় একটি অংশ একক নির্বাচনের পক্ষে কথা বলেছে।
সর্বশেষ গত রোববার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও জানিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল সোমবার রাতে বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন একটা জোট দেখতে পাবেন। এই জোট হবে নারীদের পক্ষে, আলেম-ওলামার পক্ষে, বাংলাদেশের আপামর মানুষের পক্ষে।
অন্যদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু গত রোববার ফেনীতে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
জোটের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, ‘আমরা মধ্যমপন্থী দলগুলো নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চাই, যাদের সঙ্গে আদর্শগত জায়গায় এক থাকতে পারব। এ ক্ষেত্রে এবি পার্টি বা যাদের কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের ফোরামে আলোচনার পরে নেওয়া হবে।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে শিগগির এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস এই দলগুলোর নেতাদের মধ্যে জোট গড়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী অবস্থান এবং জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে। তবে দলগুলোর নির্বাচনী আসন ছাড়ের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বলয়ের বাইরে তৃতীয় কোনো শক্তিকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। আমরা এনসিপির নেতৃত্বে তৃতীয় শক্তি গড়ার কথা ভাবছি। এখন পর্যন্ত এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ চলছে। পরবর্তীকালে আরও দু-একটি দল যুক্ত হতে পারে।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তরুণদের নিয়ে তৃতীয় একটা বলয় তৈরি করতে চাই, যাদের সঙ্গে আমাদের আদর্শগত মিল রয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ চলছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনে আসন ছাড়ের বিষয়েও কোনো কথা হয়নি।’
জুলাই সনদসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই দূরত্ব ঘোচাবার চেষ্টা করা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। তাই বিএনপি, জামায়াতের বাইরে এসে ছোট দলের দিকেই মনোনিবেশ করতে চায় তরুণদের নতুন দলটি।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, ‘বিএনপি, জামায়াতের কথা আমরা একসময় ভেবেছি। কিন্তু তাদের নিজস্ব কিছু সংকীর্ণতা এবং অতীতের কৃতকর্ম আছে। যতটা মূল্যায়ন আমাদের পাওয়ার কথা, সেটাও তারা দিতে রাজি নয়। মাত্র এক বছর আগের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিও তারা ভুলে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের নেতৃত্বে নতুন জোট গড়তে জোর দিচ্ছি।’
জোটের আলাপ চললেও এনসিপির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী চান দলটি এককভাবে নির্বাচন করুক। বিভিন্ন ফোরামেও দলের বড় একটি অংশ একক নির্বাচনের পক্ষে কথা বলেছে।
সর্বশেষ গত রোববার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও জানিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল সোমবার রাতে বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন একটা জোট দেখতে পাবেন। এই জোট হবে নারীদের পক্ষে, আলেম-ওলামার পক্ষে, বাংলাদেশের আপামর মানুষের পক্ষে।
অন্যদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু গত রোববার ফেনীতে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
জোটের বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, ‘আমরা মধ্যমপন্থী দলগুলো নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চাই, যাদের সঙ্গে আদর্শগত জায়গায় এক থাকতে পারব। এ ক্ষেত্রে এবি পার্টি বা যাদের কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের ফোরামে আলোচনার পরে নেওয়া হবে।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩০ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি।
দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’
মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্য
৫ দিন আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা। বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার যে রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে উন্নয়ন, তার সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটি গোষ্ঠীর কাছে গেছে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যত পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ এই অধিবেশনের আয়োজন করে বণিক বার্তা।
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের বিষয়ে বলতে গিয়ে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী এবং একটা অর্গানাইজ গ্রুপ যাদের শক্তির কারণে, পলিটিক্যাল রিজিলেন্সের কারণে, এলাইনমেন্টের কারণে একটা সুবিধাভোগী রাজনীতি, একটা সুবিধাবিধি অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে, একটা অর্গানাইজ গ্রুপের কাছে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে যে স্লোগানটা দিচ্ছি, সেটার অর্থ রাজনীতিকে যেভাবে গণতন্ত্রায়ণের কথা আমরা বলছি, অর্থনীতিকেও আমাদের গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘খালি রাজনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করবেন, নির্বাচন করবেন, সরকার হবে, সংসদ হবে, সেটা কিন্তু সলিউশন (সমাধান) হবে না। সলিউশন হবে আমরা যদি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণ করতে পারি। যেই ধরনের অর্থনীতি বিগত দিনে চলে আসছে আমাদের সেই অর্থনীতি থেকে সরে একটা নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা চিন্তা করতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিক অর্থনৈতিক যে নীতিমালা থাকবে, অর্থনীতির যে কি আউটরিচ থাকবে, এক্সেস থাকবে, সেখানে আমরা নাগরিকদের কিভাবে সম্পৃক্ত করব, সেটা দেখতে হবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ মানে হলো বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের অর্থনৈতিক নীতিমালায় অংশগ্রহণ এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।’
অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করেন তিনি।
বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণে ১৮ মাসে এক কোটি চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এক কোটি চাকরি ১৮ মাসে’ আমরা প্রজেক্ট করেছি বিএনপির পক্ষ থেকে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনকালে এমপ্লয়মেন্ট কার্ভ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্য
৫ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩০ মিনিট আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫-এ বণিক বার্তা এ অধিবেশন আয়োজন করে।
অর্থনীতিতে ন্যায্যতার বিষয় নিয়ে আলোকপাতকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা বিদ্যমান। একজন উদ্যোক্তা যখন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হন। এক মাসের কাজ এক বছর গড়িয়ে গেলেও তিনি শেষ করতে পারেন না; ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নকে সহায়তা করে। এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে যে উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সফলতা দেখার কথা, তা দশ বছর গড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে নেওয়া লোন (ঋণ) সঠিক ব্যবহার না হওয়ার ফলে নন-পারফর্মিং (খেলাপি) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং করাপশন ব্যবসায়ীদের এতটাই নিরুৎসাহিত করে যে তারা নিজ দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বর্তমান ব্যবসা বাঁচানোর চিন্তা করেন। অন্যদিকে বিদেশি বন্ধুরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন, কারণ তারা বাংলাদেশের অস্থিরতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং তাদের জীবন ও তহবিলের নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। তারা একটি আরামদায়ক পরিবেশ (কমফোর্টেবল এনভায়রনমেন্ট) দাবি করেন।’
ব্যবসায়ীদের সুবিধাবাদী বলার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বলা হয় সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার আছে, তার সঙ্গে লাইন দেয়। আমার কথায় কেউ মনে কষ্ট নেবেন না। আমি যা বুঝি তা স্পষ্টভাবে বলার চেষ্টা করি। ব্যবসায়ীরা কেউ লাইন দেয় মনের আগ্রহে, আর কেউ লাইন দেয় বাধ্য হয়ে। আর লাইন দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে না। এর জন্য আমি তাদের দায়ী করব কীভাবে? এ দায় আমার, এ দায় রাজনীতিবিদদের।’
আরও পড়ুন-
আমাকে যারা চেনেনি, তারা এখনো মাটির নিচে বসবাস করে : শাহজাহান চৌধুরী
জামায়াত নেতা বলেন, ‘রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করবে রাজনীতি। রাজনীতি বিকশিত করবে রাজনীতি। মগজ ঠিক থাকলে গোটা শরীর ঠিক ফাংশন করবে। ব্রেন যদি ঠিক না থাকে বডির কোনো পার্টস প্রপারলি ফাংশন করবে না। এজন্য ব্যবসায়ীরা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।’
এ বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্য
৫ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩০ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। সেটা যেন খালেদা জিয়া নিজে দেখে যেতে পারেন। শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। দেশবাসীসহ সবার কাছে উনার (খালদো জিয়া) জন্য দোয়া চাই। সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আজ শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল এদিন সকালে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যায়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ সময় তাসনিম জারা বলেন, ‘দলমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সব সময় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া। দল-মতনির্বিশেষে সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘দোয়া চাওয়া ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। দেশবাসীসহ সবার কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বে চারটি দলের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই জোটের অংশ হতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিপরীতে ছোট দলগুলোকে ঐক্য
৫ দিন আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য
৩০ মিনিট আগে
অর্থনীতির সুফল জনগণের কাছে না গিয়ে একটা গোষ্ঠীর কাছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি মানে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ করা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনীতির জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন তৈরি করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যতই বলি আমরা কাঙ্ক্ষিত সেই সুবিধা এবং কমফোর্ট জোন দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে