বাসস, ঢাকা

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক দাবি ‘ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে নেওয়া’।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান প্রতিনিধি দল অতীতের হাসিনা আমলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট এবং অনেক বেশি মনোযোগী, কর্মঠ ও ফলাফলমুখী।’
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার পক্ষে কাজ করছে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজ সংগঠন। তবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে জনসম্মুখে বিবৃতি দেওয়া হতাশাজনক।’
প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরসঙ্গীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যাঁরা প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ্য হুমকির কারণে এই নিরাপত্তাব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অনেক কর্মকর্তা প্রতিদিন টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, গত পাঁচ দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল অন্তত এক ডজন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে, যার মধ্যে ছয়টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।
ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আসরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা, যেখানে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, এমন সময়ে যখন ‘বিভিন্ন মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে’।
প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অন্তর্বর্তী সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে এবং বিদেশে লবিং করছে, যেখানে কিছু আন্তর্জাতিক মহলের নীরব সমর্থনও রয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, সফরসঙ্গী তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যাঁরা ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় রোহিঙ্গা সম্মেলনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি প্রমাণ করে যে—জরুরি মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঢাকা নেতৃত্ব অব্যাহত রেখেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলের বাইরে থেকেও বৈশ্বিক সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও এ সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের সহায়তায় বেশ কিছু কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক দাবি ‘ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে নেওয়া’।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান প্রতিনিধি দল অতীতের হাসিনা আমলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট এবং অনেক বেশি মনোযোগী, কর্মঠ ও ফলাফলমুখী।’
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার পক্ষে কাজ করছে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজ সংগঠন। তবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে জনসম্মুখে বিবৃতি দেওয়া হতাশাজনক।’
প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরসঙ্গীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যাঁরা প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ্য হুমকির কারণে এই নিরাপত্তাব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অনেক কর্মকর্তা প্রতিদিন টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, গত পাঁচ দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল অন্তত এক ডজন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে, যার মধ্যে ছয়টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।
ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আসরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা, যেখানে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, এমন সময়ে যখন ‘বিভিন্ন মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে’।
প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অন্তর্বর্তী সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে এবং বিদেশে লবিং করছে, যেখানে কিছু আন্তর্জাতিক মহলের নীরব সমর্থনও রয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, সফরসঙ্গী তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যাঁরা ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় রোহিঙ্গা সম্মেলনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি প্রমাণ করে যে—জরুরি মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঢাকা নেতৃত্ব অব্যাহত রেখেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলের বাইরে থেকেও বৈশ্বিক সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও এ সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের সহায়তায় বেশ কিছু কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বাসস, ঢাকা

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক দাবি ‘ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে নেওয়া’।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান প্রতিনিধি দল অতীতের হাসিনা আমলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট এবং অনেক বেশি মনোযোগী, কর্মঠ ও ফলাফলমুখী।’
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার পক্ষে কাজ করছে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজ সংগঠন। তবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে জনসম্মুখে বিবৃতি দেওয়া হতাশাজনক।’
প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরসঙ্গীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যাঁরা প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ্য হুমকির কারণে এই নিরাপত্তাব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অনেক কর্মকর্তা প্রতিদিন টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, গত পাঁচ দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল অন্তত এক ডজন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে, যার মধ্যে ছয়টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।
ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আসরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা, যেখানে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, এমন সময়ে যখন ‘বিভিন্ন মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে’।
প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অন্তর্বর্তী সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে এবং বিদেশে লবিং করছে, যেখানে কিছু আন্তর্জাতিক মহলের নীরব সমর্থনও রয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, সফরসঙ্গী তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যাঁরা ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় রোহিঙ্গা সম্মেলনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি প্রমাণ করে যে—জরুরি মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঢাকা নেতৃত্ব অব্যাহত রেখেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলের বাইরে থেকেও বৈশ্বিক সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও এ সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের সহায়তায় বেশ কিছু কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক দাবি ‘ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে নেওয়া’।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান প্রতিনিধি দল অতীতের হাসিনা আমলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট এবং অনেক বেশি মনোযোগী, কর্মঠ ও ফলাফলমুখী।’
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার পক্ষে কাজ করছে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজ সংগঠন। তবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে জনসম্মুখে বিবৃতি দেওয়া হতাশাজনক।’
প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরসঙ্গীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যাঁরা প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ্য হুমকির কারণে এই নিরাপত্তাব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অনেক কর্মকর্তা প্রতিদিন টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, গত পাঁচ দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল অন্তত এক ডজন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে, যার মধ্যে ছয়টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।
ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আসরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা, যেখানে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, এমন সময়ে যখন ‘বিভিন্ন মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে’।
প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অন্তর্বর্তী সরকার ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে এবং বিদেশে লবিং করছে, যেখানে কিছু আন্তর্জাতিক মহলের নীরব সমর্থনও রয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, সফরসঙ্গী তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যাঁরা ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় রোহিঙ্গা সম্মেলনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি প্রমাণ করে যে—জরুরি মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঢাকা নেতৃত্ব অব্যাহত রেখেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলের বাইরে থেকেও বৈশ্বিক সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও এ সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাঁদের সহায়তায় বেশ কিছু কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন । আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
১৩ ঘণ্টা আগেবাসস, ঢাকা

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গণতন্ত্র উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মহান আল্লাহর নিকট তাঁর সুস্থতা এবং একইসাথে দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থনা করি।’
এ ছাড়া রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে তিনি গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গণতন্ত্র উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মহান আল্লাহর নিকট তাঁর সুস্থতা এবং একইসাথে দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থনা করি।’
এ ছাড়া রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে তিনি গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
১৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
সভায় ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এই সভায় বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সংশোধনের ফলে বর্তমান আইনের কয়েকটি ধারায় পরিবর্তন এসেছে, এনজিও নিবন্ধনের নিয়ম সহজ হয়েছে এবং অনুদান অবমুক্তির শর্তগুলোও সহজ করা হয়েছে। এখন থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে আর অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। আইনটিকে আরও অংশীজনবান্ধব করা হয়েছে।
এ ছাড়া পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া আজকের সভায় উত্থাপিত হয়েছে। অধ্যাদেশটি আরও বিস্তারিতভাবে এবং সংশোধিত আকারে পরবর্তী পরিষদ সভায় উত্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আরও পড়ুন-
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান
হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন: হাসনাত আবদুল্লাহ
সভায় প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরব আমিরাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময় বন্দী থাকা অবশিষ্ট ২৪ জনকে অচিরেই মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করেন। তিনি জানান, দু-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দেশে ফিরবেন।

উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
সভায় ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এই সভায় বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সংশোধনের ফলে বর্তমান আইনের কয়েকটি ধারায় পরিবর্তন এসেছে, এনজিও নিবন্ধনের নিয়ম সহজ হয়েছে এবং অনুদান অবমুক্তির শর্তগুলোও সহজ করা হয়েছে। এখন থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে আর অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। আইনটিকে আরও অংশীজনবান্ধব করা হয়েছে।
এ ছাড়া পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া আজকের সভায় উত্থাপিত হয়েছে। অধ্যাদেশটি আরও বিস্তারিতভাবে এবং সংশোধিত আকারে পরবর্তী পরিষদ সভায় উত্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আরও পড়ুন-
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান
হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন: হাসনাত আবদুল্লাহ
সভায় প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরব আমিরাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময় বন্দী থাকা অবশিষ্ট ২৪ জনকে অচিরেই মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করেন। তিনি জানান, দু-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দেশে ফিরবেন।

প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন । আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
১৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘আমরা মোটামুটি সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইনশা আল্লাহ, জাতিকে যে সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি; তা আমরা বাস্তবায়ন করব।’
মক ভোটের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘আজকের এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো একটি আদর্শ পোলিং সেন্টারের পরিবেশ কেমন হবে, তা বাস্তবে দেখা। ভোটার কিউ, পোলিং অফিসারদের কার্যক্রম, প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—সবই আমরা প্র্যাকটিক্যাল ডেমোনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করছি।’
তিনি জানান, প্রথমবারের ভোটারসহ অনেকেরই কখনো ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মক ভোটিংয়ে তাঁরা হাতে-কলমে ধারণা পাচ্ছেন। পাশাপাশি কমিশন ভোট গ্রহণের পুরো সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা পরিমাপ করছে। যেহেতু নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, এ জন্য সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘আমরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করি। এবার অতিরিক্ত গণভোট পরিচালনা করতে হবে। তাই আজকের রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট কি না বা বুথ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বুথ বাড়ানো মানে অতিরিক্ত জনবল, বাক্স, লজিস্টিকসহ নানা ব্যয় যুক্ত হবে। তবে কমিশন খরচ নয়, প্রয়োজনকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেবে। মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না। সময় যদি বেশি লাগে, আমরা বুথ বা কেন্দ্র বাড়াব। আজকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে।’
মক ভোটিংয়ে অনেকের দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘এটিও একটি অভিজ্ঞতা। আজকের মূল্যায়নে আমরা দেখব কোন জায়গায় ঘাটতি আছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব গ্যাপ পূরণ করা হবে।’
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা কখনো পারফেক্ট ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা তো থাকবেই। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতির অনেক উন্নতি করেছে। আমরা পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। আগের তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। আগে আমরা নিজেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। এখন পরিস্থিতি অনেক ইমপ্রুভও করেছে।’
সিইসি বলেন, ‘গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে “হ্যাঁ” বা “না”। আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা। এক-দুটো প্রশ্নে হ্যাঁ, বাকি প্রশ্নে না—এ রকম পৃথক অপশন নেই। এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘আমরা মোটামুটি সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইনশা আল্লাহ, জাতিকে যে সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি; তা আমরা বাস্তবায়ন করব।’
মক ভোটের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘আজকের এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো একটি আদর্শ পোলিং সেন্টারের পরিবেশ কেমন হবে, তা বাস্তবে দেখা। ভোটার কিউ, পোলিং অফিসারদের কার্যক্রম, প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—সবই আমরা প্র্যাকটিক্যাল ডেমোনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করছি।’
তিনি জানান, প্রথমবারের ভোটারসহ অনেকেরই কখনো ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মক ভোটিংয়ে তাঁরা হাতে-কলমে ধারণা পাচ্ছেন। পাশাপাশি কমিশন ভোট গ্রহণের পুরো সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা পরিমাপ করছে। যেহেতু নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, এ জন্য সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘আমরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করি। এবার অতিরিক্ত গণভোট পরিচালনা করতে হবে। তাই আজকের রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট কি না বা বুথ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বুথ বাড়ানো মানে অতিরিক্ত জনবল, বাক্স, লজিস্টিকসহ নানা ব্যয় যুক্ত হবে। তবে কমিশন খরচ নয়, প্রয়োজনকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেবে। মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না। সময় যদি বেশি লাগে, আমরা বুথ বা কেন্দ্র বাড়াব। আজকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে।’
মক ভোটিংয়ে অনেকের দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘এটিও একটি অভিজ্ঞতা। আজকের মূল্যায়নে আমরা দেখব কোন জায়গায় ঘাটতি আছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব গ্যাপ পূরণ করা হবে।’
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা কখনো পারফেক্ট ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা তো থাকবেই। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতির অনেক উন্নতি করেছে। আমরা পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। আগের তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। আগে আমরা নিজেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম। এখন পরিস্থিতি অনেক ইমপ্রুভও করেছে।’
সিইসি বলেন, ‘গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে “হ্যাঁ” বা “না”। আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা। এক-দুটো প্রশ্নে হ্যাঁ, বাকি প্রশ্নে না—এ রকম পৃথক অপশন নেই। এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।’

প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন । আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
১৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুরুতেই দেশটি আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করবে বলে আশা করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। আর মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া চিঠি ভারত পরীক্ষা করছে বলে গত বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি (চিঠি) পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। আমরা শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা অব্যাহতভাবে সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভারতের এমন বক্তব্যের অর্থ হলো, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা আছে। তারা হয়তো বিষয়টিকে কার্ড হিসেবে ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার নিশ্চয়তা পেলে হয়তো আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অন্যদের ফেরত দিতে পারে দেশটি। সমঝোতা ইতিবাচক না হলে ভারত বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখবে।
সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের একটি বৈঠক হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি বলছে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে শেখ হাসিনা ও দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরাতে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়ে ভারত তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেরত চাওয়া হয়। ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বৈঠকের বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা আছে সরকারের। সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনের পাশাপাশি সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা অন্য দুটি বিষয় হলো সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার। অর্পিত এসব দায়িত্ব সুচারুভাবে শেষ করতে চায় সরকার। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার বেলা ১১টায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। ভারত ইতিমধ্যে জানিয়েছে, জুলাই হত্যা মামলায় হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর তাঁকে প্রত্যর্পণের জন্য আমাদের অনুরোধ তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে।’
প্রেস সচিব আরও লেখেন, ‘আমরা জানি, হাসিনার প্রতি সহানুভূতিশীলরা শক্তিশালী। তারপরও আমি ক্রমশ আরও বেশি নিশ্চিত হচ্ছি যে, ঢাকার কসাই হিসেবে পরিচিত আসাদুজ্জামান খান কামাল খুব শিগগির বাংলাদেশে প্রত্যর্পিত হবেন এবং বিচারের মুখোমুখি হবেন।’ ‘এটা শুরু হবে কামালকে দিয়ে, তারপর...’ পোস্টের শেষ লাইনে লেখেন প্রেস সচিব।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনাসহ ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরত পাঠানো শুরু করলে নিশ্চয়ই শুরুতেই শেখ হাসিনাকে পাঠাবে না ভারত। তারা হয়তো আসাদুজ্জামান কামালের মতো কাউকে দিয়ে ফেরত পাঠানো শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে প্রেস সচিব হয়তো চাপ তৈরি করতেই এ বক্তব্য দিয়েছেন।
সরকারের একাধিক সূত্রে শেখ হাসিনা ছাড়াও মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ভারতে অবস্থান নিশ্চিত হলে তাঁকে ফেরাতেও সরকার চিঠি দেবে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়েছে, তিনি যদি ভারতে অবস্থান করেন, তাহলে তো অবশ্যই ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। তাঁর ফেরত চাওয়াটাই যৌক্তিক। এ ক্ষেত্রে যদি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রায় হয়, তাঁকেও ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে।
জানা গেছে, ভারতের আইনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার কোনো বিধান নেই। মানবিক নীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে আশ্রয় দিয়ে থাকে দেশটি। মানবিক কারণে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ১৯৫৯ সাল থেকে তিনি ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্দী বিনিময় চুক্তি থাকলেও চীনের সঙ্গে সেটি নেই।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অভিযুক্ত অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত থেকে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুরুতেই দেশটি আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণ করবে বলে আশা করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। আর মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া চিঠি ভারত পরীক্ষা করছে বলে গত বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি (চিঠি) পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। আমরা শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা অব্যাহতভাবে সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভারতের এমন বক্তব্যের অর্থ হলো, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা আছে। তারা হয়তো বিষয়টিকে কার্ড হিসেবে ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার নিশ্চয়তা পেলে হয়তো আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অন্যদের ফেরত দিতে পারে দেশটি। সমঝোতা ইতিবাচক না হলে ভারত বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখবে।
সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের একটি বৈঠক হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি বলছে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে শেখ হাসিনা ও দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরাতে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়ে ভারত তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেরত চাওয়া হয়। ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বৈঠকের বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা আছে সরকারের। সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনের পাশাপাশি সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা অন্য দুটি বিষয় হলো সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার। অর্পিত এসব দায়িত্ব সুচারুভাবে শেষ করতে চায় সরকার। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার বেলা ১১টায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। ভারত ইতিমধ্যে জানিয়েছে, জুলাই হত্যা মামলায় হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর তাঁকে প্রত্যর্পণের জন্য আমাদের অনুরোধ তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে।’
প্রেস সচিব আরও লেখেন, ‘আমরা জানি, হাসিনার প্রতি সহানুভূতিশীলরা শক্তিশালী। তারপরও আমি ক্রমশ আরও বেশি নিশ্চিত হচ্ছি যে, ঢাকার কসাই হিসেবে পরিচিত আসাদুজ্জামান খান কামাল খুব শিগগির বাংলাদেশে প্রত্যর্পিত হবেন এবং বিচারের মুখোমুখি হবেন।’ ‘এটা শুরু হবে কামালকে দিয়ে, তারপর...’ পোস্টের শেষ লাইনে লেখেন প্রেস সচিব।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনাসহ ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরত পাঠানো শুরু করলে নিশ্চয়ই শুরুতেই শেখ হাসিনাকে পাঠাবে না ভারত। তারা হয়তো আসাদুজ্জামান কামালের মতো কাউকে দিয়ে ফেরত পাঠানো শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে প্রেস সচিব হয়তো চাপ তৈরি করতেই এ বক্তব্য দিয়েছেন।
সরকারের একাধিক সূত্রে শেখ হাসিনা ছাড়াও মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ভারতে অবস্থান নিশ্চিত হলে তাঁকে ফেরাতেও সরকার চিঠি দেবে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়েছে, তিনি যদি ভারতে অবস্থান করেন, তাহলে তো অবশ্যই ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। তাঁর ফেরত চাওয়াটাই যৌক্তিক। এ ক্ষেত্রে যদি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রায় হয়, তাঁকেও ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে।
জানা গেছে, ভারতের আইনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার কোনো বিধান নেই। মানবিক নীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে আশ্রয় দিয়ে থাকে দেশটি। মানবিক কারণে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ১৯৫৯ সাল থেকে তিনি ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্দী বিনিময় চুক্তি থাকলেও চীনের সঙ্গে সেটি নেই।

প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৬২—যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন । আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
উপদেষ্টা পরিষদের একটি বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সভা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন করেন সিইসি। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখের কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে