আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদক নূর ওদেহ রামল্লাহ থেকে জানান, জেনিনে থাকা সাংবাদিকরা বলেছেন—দুই ফিলিস্তিনি নিজেদের জামা তুলে দেখাচ্ছিলেন যে, তাঁদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। সামরিক বাহিনী তখন তাঁদের নির্দেশ দেয় যে তাঁরা যে ভবনে লুকিয়ে ছিলেন, সেখানে ফিরে যেতে। ওদেহ বলেন, ‘এরপরই তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে হত্যা।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহত দুই জনের পরিচয় জানিয়েছে। তাঁরা হলেন ২৬ বছর বয়সী আল-মুনতাসির বিল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছরের ইউসুফ আসাসা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, জেনিন এলাকায় ‘একটি সশস্ত্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত’ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। সেনারা ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চালিয়েছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, দু’জন ভবন থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের দিকে গুলি চালানো হয়। তারা আরও বলেছে, ‘ঘটনাটি মাঠ পর্যায়ের কমান্ডাররা পর্যালোচনা করছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
তবে ওদেহ মনে করিয়ে দেন, অতীতে ইসরায়েলের এ ধরনের তদন্ত সাধারণত কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বা দণ্ড দিয়ে শেষ হয়নি।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস বিচারবহির্ভূত হত্যা’ এবং ‘পরিকল্পিত ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—‘ইসরায়েলের হত্যাযন্ত্র’ থামাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন নতুন অপরাধ ঠেকানো যায়, এবং ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমেও।
ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ নামের রাজনৈতিক দলের প্রধান মুস্তাফা বারঘৌতি জেনিনের ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ বলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘জেনিনে দুই ফিলিস্তিনিকে আত্মসমর্পণের পর, ক্যামেরার সামনে গ্রেপ্তারের পরও ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে। ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আর কত চুপ থাকা যায়?
ইসরায়েলের ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির উল্টো এ হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ‘যা করা উচিত ছিল, ঠিক সেটাই করেছে। সন্ত্রাসীদের মরতেই হবে।’
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন ইসরায়েল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে হামলা চালাতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করছে। দখলকৃত অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে যে কঠোর দমননীতি চলছে, তা আরও তীব্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবারও ইসরায়েলি সেনারা উত্তর-পূর্ব তুবাস গভর্নরেটের বড় অংশ অবরোধ করে রাখে। এর আগের দিন ওই এলাকায় বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আটক হয়েছেন আরও ১০০ জন।
ইসরায়েল বলছে, তাদের অভিযান সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের জন্য। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সেনারা নির্বিচারে বেসামরিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সাংবাদিক ও অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দিয়েছে, অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
গাজায় যুদ্ধের আড়ালে পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মারাত্মক বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এবং শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।
পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অঞ্চলটির কয়েকটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩২ হাজার মানুষকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাঁদের ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।
গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, জেনিন, তুলকারেম আর নুর শামস ক্যাম্প থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
একজন এইচআরডব্লিউ কর্মকর্তার ভাষায়, ‘বিশ্বের দৃষ্টি গাজার দিকে আটকে থাকায় ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে যে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল চালাচ্ছে, তা তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা জরুরি।’

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদক নূর ওদেহ রামল্লাহ থেকে জানান, জেনিনে থাকা সাংবাদিকরা বলেছেন—দুই ফিলিস্তিনি নিজেদের জামা তুলে দেখাচ্ছিলেন যে, তাঁদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। সামরিক বাহিনী তখন তাঁদের নির্দেশ দেয় যে তাঁরা যে ভবনে লুকিয়ে ছিলেন, সেখানে ফিরে যেতে। ওদেহ বলেন, ‘এরপরই তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে হত্যা।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহত দুই জনের পরিচয় জানিয়েছে। তাঁরা হলেন ২৬ বছর বয়সী আল-মুনতাসির বিল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছরের ইউসুফ আসাসা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, জেনিন এলাকায় ‘একটি সশস্ত্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত’ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। সেনারা ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চালিয়েছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, দু’জন ভবন থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের দিকে গুলি চালানো হয়। তারা আরও বলেছে, ‘ঘটনাটি মাঠ পর্যায়ের কমান্ডাররা পর্যালোচনা করছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
তবে ওদেহ মনে করিয়ে দেন, অতীতে ইসরায়েলের এ ধরনের তদন্ত সাধারণত কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বা দণ্ড দিয়ে শেষ হয়নি।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস বিচারবহির্ভূত হত্যা’ এবং ‘পরিকল্পিত ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—‘ইসরায়েলের হত্যাযন্ত্র’ থামাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন নতুন অপরাধ ঠেকানো যায়, এবং ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমেও।
ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ নামের রাজনৈতিক দলের প্রধান মুস্তাফা বারঘৌতি জেনিনের ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ বলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘জেনিনে দুই ফিলিস্তিনিকে আত্মসমর্পণের পর, ক্যামেরার সামনে গ্রেপ্তারের পরও ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে। ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আর কত চুপ থাকা যায়?
ইসরায়েলের ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির উল্টো এ হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ‘যা করা উচিত ছিল, ঠিক সেটাই করেছে। সন্ত্রাসীদের মরতেই হবে।’
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন ইসরায়েল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে হামলা চালাতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করছে। দখলকৃত অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে যে কঠোর দমননীতি চলছে, তা আরও তীব্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবারও ইসরায়েলি সেনারা উত্তর-পূর্ব তুবাস গভর্নরেটের বড় অংশ অবরোধ করে রাখে। এর আগের দিন ওই এলাকায় বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আটক হয়েছেন আরও ১০০ জন।
ইসরায়েল বলছে, তাদের অভিযান সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের জন্য। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সেনারা নির্বিচারে বেসামরিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সাংবাদিক ও অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দিয়েছে, অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
গাজায় যুদ্ধের আড়ালে পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মারাত্মক বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এবং শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।
পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অঞ্চলটির কয়েকটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩২ হাজার মানুষকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাঁদের ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।
গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, জেনিন, তুলকারেম আর নুর শামস ক্যাম্প থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
একজন এইচআরডব্লিউ কর্মকর্তার ভাষায়, ‘বিশ্বের দৃষ্টি গাজার দিকে আটকে থাকায় ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে যে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল চালাচ্ছে, তা তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা জরুরি।’
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদক নূর ওদেহ রামল্লাহ থেকে জানান, জেনিনে থাকা সাংবাদিকরা বলেছেন—দুই ফিলিস্তিনি নিজেদের জামা তুলে দেখাচ্ছিলেন যে, তাঁদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। সামরিক বাহিনী তখন তাঁদের নির্দেশ দেয় যে তাঁরা যে ভবনে লুকিয়ে ছিলেন, সেখানে ফিরে যেতে। ওদেহ বলেন, ‘এরপরই তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে হত্যা।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহত দুই জনের পরিচয় জানিয়েছে। তাঁরা হলেন ২৬ বছর বয়সী আল-মুনতাসির বিল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছরের ইউসুফ আসাসা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, জেনিন এলাকায় ‘একটি সশস্ত্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত’ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। সেনারা ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চালিয়েছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, দু’জন ভবন থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের দিকে গুলি চালানো হয়। তারা আরও বলেছে, ‘ঘটনাটি মাঠ পর্যায়ের কমান্ডাররা পর্যালোচনা করছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
তবে ওদেহ মনে করিয়ে দেন, অতীতে ইসরায়েলের এ ধরনের তদন্ত সাধারণত কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বা দণ্ড দিয়ে শেষ হয়নি।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস বিচারবহির্ভূত হত্যা’ এবং ‘পরিকল্পিত ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—‘ইসরায়েলের হত্যাযন্ত্র’ থামাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন নতুন অপরাধ ঠেকানো যায়, এবং ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমেও।
ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ নামের রাজনৈতিক দলের প্রধান মুস্তাফা বারঘৌতি জেনিনের ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ বলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘জেনিনে দুই ফিলিস্তিনিকে আত্মসমর্পণের পর, ক্যামেরার সামনে গ্রেপ্তারের পরও ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে। ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আর কত চুপ থাকা যায়?
ইসরায়েলের ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির উল্টো এ হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ‘যা করা উচিত ছিল, ঠিক সেটাই করেছে। সন্ত্রাসীদের মরতেই হবে।’
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন ইসরায়েল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে হামলা চালাতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করছে। দখলকৃত অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে যে কঠোর দমননীতি চলছে, তা আরও তীব্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবারও ইসরায়েলি সেনারা উত্তর-পূর্ব তুবাস গভর্নরেটের বড় অংশ অবরোধ করে রাখে। এর আগের দিন ওই এলাকায় বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আটক হয়েছেন আরও ১০০ জন।
ইসরায়েল বলছে, তাদের অভিযান সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের জন্য। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সেনারা নির্বিচারে বেসামরিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সাংবাদিক ও অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দিয়েছে, অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
গাজায় যুদ্ধের আড়ালে পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মারাত্মক বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এবং শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।
পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অঞ্চলটির কয়েকটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩২ হাজার মানুষকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাঁদের ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।
গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, জেনিন, তুলকারেম আর নুর শামস ক্যাম্প থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
একজন এইচআরডব্লিউ কর্মকর্তার ভাষায়, ‘বিশ্বের দৃষ্টি গাজার দিকে আটকে থাকায় ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে যে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল চালাচ্ছে, তা তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা জরুরি।’

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদক নূর ওদেহ রামল্লাহ থেকে জানান, জেনিনে থাকা সাংবাদিকরা বলেছেন—দুই ফিলিস্তিনি নিজেদের জামা তুলে দেখাচ্ছিলেন যে, তাঁদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। সামরিক বাহিনী তখন তাঁদের নির্দেশ দেয় যে তাঁরা যে ভবনে লুকিয়ে ছিলেন, সেখানে ফিরে যেতে। ওদেহ বলেন, ‘এরপরই তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে হত্যা।’
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহত দুই জনের পরিচয় জানিয়েছে। তাঁরা হলেন ২৬ বছর বয়সী আল-মুনতাসির বিল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছরের ইউসুফ আসাসা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, জেনিন এলাকায় ‘একটি সশস্ত্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত’ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। সেনারা ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া চালিয়েছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, দু’জন ভবন থেকে বের হওয়ার পর তাঁদের দিকে গুলি চালানো হয়। তারা আরও বলেছে, ‘ঘটনাটি মাঠ পর্যায়ের কমান্ডাররা পর্যালোচনা করছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
তবে ওদেহ মনে করিয়ে দেন, অতীতে ইসরায়েলের এ ধরনের তদন্ত সাধারণত কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা বা দণ্ড দিয়ে শেষ হয়নি।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস বিচারবহির্ভূত হত্যা’ এবং ‘পরিকল্পিত ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—‘ইসরায়েলের হত্যাযন্ত্র’ থামাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন নতুন অপরাধ ঠেকানো যায়, এবং ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমেও।
ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ নামের রাজনৈতিক দলের প্রধান মুস্তাফা বারঘৌতি জেনিনের ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ বলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘জেনিনে দুই ফিলিস্তিনিকে আত্মসমর্পণের পর, ক্যামেরার সামনে গ্রেপ্তারের পরও ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে। ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আর কত চুপ থাকা যায়?
ইসরায়েলের ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির উল্টো এ হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ‘যা করা উচিত ছিল, ঠিক সেটাই করেছে। সন্ত্রাসীদের মরতেই হবে।’
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন ইসরায়েল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে হামলা চালাতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করছে। দখলকৃত অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে যে কঠোর দমননীতি চলছে, তা আরও তীব্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবারও ইসরায়েলি সেনারা উত্তর-পূর্ব তুবাস গভর্নরেটের বড় অংশ অবরোধ করে রাখে। এর আগের দিন ওই এলাকায় বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আটক হয়েছেন আরও ১০০ জন।
ইসরায়েল বলছে, তাদের অভিযান সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের জন্য। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সেনারা নির্বিচারে বেসামরিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সাংবাদিক ও অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দিয়েছে, অবকাঠামো ধ্বংস করেছে।
গাজায় যুদ্ধের আড়ালে পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মারাত্মক বেড়ে গেছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এবং শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।
পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অঞ্চলটির কয়েকটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩২ হাজার মানুষকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং তাঁদের ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল।
গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, জেনিন, তুলকারেম আর নুর শামস ক্যাম্প থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
একজন এইচআরডব্লিউ কর্মকর্তার ভাষায়, ‘বিশ্বের দৃষ্টি গাজার দিকে আটকে থাকায় ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে যে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল চালাচ্ছে, তা তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা জরুরি।’

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে।
১৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শক্তিশালী ঘাঁটি এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্র।
জম্মুর জিউয়েল এলাকার বাসিন্দা সমাজকর্মী কুলদীপ শর্মা সাংবাদিক আরফাজ আহমদ দাইং-এর হাতে জমির নথি তুলে দেওয়ার সময় কেঁদে ফেলেন। তিনি জম্মুতে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বজায় রাখার শপথ নেন।
আরফাজের উদ্দেশে কুলদীপ বলেন, ‘যদি আমাকে ভিক্ষাও করতে হয়, তবুও আমি তোমার জন্য একটি বাড়ি তৈরি করব। হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরির এই ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। আমাদের এই ভ্রাতৃত্ব চিরকাল থাকবে। তুমি একজন ভালো মানুষ। তোমার সন্তানেরা সুখে থাকুক।’
সাংবাদিক আরফাজ আহমদ দাইং-এর বাড়িটি প্রশাসন ভেঙে দেওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে মাদক চোরাচালান চক্রের যোগসূত্র নিয়ে প্রতিবেদন করেছিলেন। আরফাজের তাঁর প্রতিবেদনে উপ-পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার সঙ্গে মাদক পাচারকারীদের সম্পর্কের সূত্রে আবিষ্কার করেছিলে। এই প্রতিবেদন চলতি মাসের শুরুতে একটি বড় আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁসের পর সামনে আসে।
যদিও জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রশাসনের দাবি, আরফাজের বাড়িটি সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও দাবি করেছেন, আরফাজের মাদক সংক্রান্ত প্রতিবেদনের সত্যতা নেই।
সাংবাদিকের ভেঙে ফেলা বাড়ির ধ্বংসাবশেষের কাছে তাঁবুর অস্থায়ী বাসস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে কুলদীপ শর্মা সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘দেখুন, তার বাচ্চারা খোলা আকাশের নিচে বসে আছে। সরকারের লজ্জা হওয়া উচিত। এই দেশের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও মানুষকে গৃহহীন করা হচ্ছে।’

সমাজকর্মী কুলদীপ শর্মার মেয়ে তন্বী শর্মা সাংবাদিকদের জানান, বাবার এই সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত। তিনি বলেন, ‘আমি খুব দুঃখিত। রাতারাতি কাউকে কীভাবে গৃহহীন করা যায়? তিনি (আরফাজ) আমার ভাইয়ের মতো। শুধু আমি নই, আমার পরিবার এবং এলাকার সবাই তাঁর পাশে আছে।’ তন্বী শর্মা আরও বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম বিভেদ তৈরি করার রাজনৈতিক প্রচার সত্ত্বেও জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত।’
এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরফাজের বাবা গোলাম কাদিরও। কুলদীপ শর্মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, ২৭ নভেম্বর তাঁদের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ তাঁদের পরিবারকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চিন্তিত নই। সাধারণ মানুষ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এটাই আমার কাছে মূল্যবান। আর কী চাইতে পারি! এই কাজগুলোতেই বোঝা যায়, জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এখনো আছে।’
গোলাম কাদির অভিযোগ করেন, জম্মু ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (জেডিএ) বেছে বেছে তাঁদের একতলা বাড়িটি টার্গেট করেছে। এই বাড়ি প্রায় ৪০ বছর আগে কয়েক ‘মরলা’ জমিতে বানানো হয়েছিল। এটা ছাড়া তাঁদের আর কোনো সম্পত্তি নেই। যদিও জেডিএ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কাদির কান্নাভেজা চোখে বলেন, ‘আমার ছেলে যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তাহলে সে আমাদের জন্য একটা ভালো জায়গা তৈরি করতে পারত। কিন্তু আমি সব সময় তাকে পরামর্শ দিয়েছি, বৃহত্তর জনস্বার্থে যদি জীবনও দিতে হয়, তবুও যেন সে দ্বিধা না করে।’
সাংবাদিক রেশমি শর্মা, যিনি প্রথম এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনাটি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদনে করেন, তিনি জানান, কুলদীপ শর্মা আরফাজের ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্ম ‘নিউজ সেতার ইন্ডিয়া’-এর একজন নিয়মিত দর্শক ও ফলোয়ার। তিনি আরফাজের বাড়ি ভাঙার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়েই জমি লিখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শক্তিশালী ঘাঁটি এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্র।
জম্মুর জিউয়েল এলাকার বাসিন্দা সমাজকর্মী কুলদীপ শর্মা সাংবাদিক আরফাজ আহমদ দাইং-এর হাতে জমির নথি তুলে দেওয়ার সময় কেঁদে ফেলেন। তিনি জম্মুতে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বজায় রাখার শপথ নেন।
আরফাজের উদ্দেশে কুলদীপ বলেন, ‘যদি আমাকে ভিক্ষাও করতে হয়, তবুও আমি তোমার জন্য একটি বাড়ি তৈরি করব। হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরির এই ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। আমাদের এই ভ্রাতৃত্ব চিরকাল থাকবে। তুমি একজন ভালো মানুষ। তোমার সন্তানেরা সুখে থাকুক।’
সাংবাদিক আরফাজ আহমদ দাইং-এর বাড়িটি প্রশাসন ভেঙে দেওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে মাদক চোরাচালান চক্রের যোগসূত্র নিয়ে প্রতিবেদন করেছিলেন। আরফাজের তাঁর প্রতিবেদনে উপ-পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার সঙ্গে মাদক পাচারকারীদের সম্পর্কের সূত্রে আবিষ্কার করেছিলে। এই প্রতিবেদন চলতি মাসের শুরুতে একটি বড় আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁসের পর সামনে আসে।
যদিও জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রশাসনের দাবি, আরফাজের বাড়িটি সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও দাবি করেছেন, আরফাজের মাদক সংক্রান্ত প্রতিবেদনের সত্যতা নেই।
সাংবাদিকের ভেঙে ফেলা বাড়ির ধ্বংসাবশেষের কাছে তাঁবুর অস্থায়ী বাসস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে কুলদীপ শর্মা সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘দেখুন, তার বাচ্চারা খোলা আকাশের নিচে বসে আছে। সরকারের লজ্জা হওয়া উচিত। এই দেশের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও মানুষকে গৃহহীন করা হচ্ছে।’

সমাজকর্মী কুলদীপ শর্মার মেয়ে তন্বী শর্মা সাংবাদিকদের জানান, বাবার এই সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত। তিনি বলেন, ‘আমি খুব দুঃখিত। রাতারাতি কাউকে কীভাবে গৃহহীন করা যায়? তিনি (আরফাজ) আমার ভাইয়ের মতো। শুধু আমি নই, আমার পরিবার এবং এলাকার সবাই তাঁর পাশে আছে।’ তন্বী শর্মা আরও বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম বিভেদ তৈরি করার রাজনৈতিক প্রচার সত্ত্বেও জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত।’
এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরফাজের বাবা গোলাম কাদিরও। কুলদীপ শর্মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, ২৭ নভেম্বর তাঁদের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ তাঁদের পরিবারকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চিন্তিত নই। সাধারণ মানুষ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এটাই আমার কাছে মূল্যবান। আর কী চাইতে পারি! এই কাজগুলোতেই বোঝা যায়, জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এখনো আছে।’
গোলাম কাদির অভিযোগ করেন, জম্মু ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (জেডিএ) বেছে বেছে তাঁদের একতলা বাড়িটি টার্গেট করেছে। এই বাড়ি প্রায় ৪০ বছর আগে কয়েক ‘মরলা’ জমিতে বানানো হয়েছিল। এটা ছাড়া তাঁদের আর কোনো সম্পত্তি নেই। যদিও জেডিএ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কাদির কান্নাভেজা চোখে বলেন, ‘আমার ছেলে যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তাহলে সে আমাদের জন্য একটা ভালো জায়গা তৈরি করতে পারত। কিন্তু আমি সব সময় তাকে পরামর্শ দিয়েছি, বৃহত্তর জনস্বার্থে যদি জীবনও দিতে হয়, তবুও যেন সে দ্বিধা না করে।’
সাংবাদিক রেশমি শর্মা, যিনি প্রথম এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনাটি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদনে করেন, তিনি জানান, কুলদীপ শর্মা আরফাজের ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্ম ‘নিউজ সেতার ইন্ডিয়া’-এর একজন নিয়মিত দর্শক ও ফলোয়ার। তিনি আরফাজের বাড়ি ভাঙার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়েই জমি লিখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
১ দিন আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে।
১৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
এয়ারবাসের ‘এ ৩২০’ মডেলের প্রায় ৬ হাজার বিমানে এই সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক বহরের অর্ধেক। তবে দ্রুত সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে বেশির ভাগ বিমানই পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী করে তোলা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এয়ারবাস।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, কিছু ফ্লাইট বিঘ্ন ও বাতিল হতে পারে। তবে বিমানবন্দরে সামগ্রিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত বলেই মনে হচ্ছে।
এয়ারবাস জানায়, গত অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে জেটব্লু এয়ারওয়েজের একটি বিমান হঠাৎ নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তের পর তারা এ সমস্যাটি শনাক্ত করে। এ ঘটনায় ওই ফ্লাইটে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। পরে বিমানটি ফ্লোরিডায় জরুরি অবতরণ করে।
কোম্পানিটির সর্বাধিক বিক্রিত মডেল এ৩২০ ছাড়াও এ৩১৮, এ৩১৯ এবং এ৩২১ মডেলেও একই ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় ৫ হাজার ১০০ এয়ারবাস বিমানে অপেক্ষাকৃত সহজ একটি সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব। এই আপডেটটি হতে সাধারণত তিন ঘণ্টার মতো সময় নেয়।
তবে অবশিষ্ট ৯০০ বিমান অপেক্ষাকৃত পুরোনো সংস্করণের হওয়ায় সেগুলো পুনরায় আকাশে ওড়াতে অনবোর্ড কম্পিউটার বদলাতে হবে। এ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব বিমান যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। এ কাজ সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করবে প্রতিস্থাপনযোগ্য কম্পিউটার কত দ্রুত পাওয়া যায় তার ওপর।
এ পরিস্থিতিতে তাদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটবে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে এয়ারবাস।
বিমান চলাচল বিশ্লেষক স্যালি গেথিনকে উদ্ধৃত করে বিবিসি নিউজ জানায়, পরিস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক। যাত্রীদের ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে সফটওয়্যার আপডেটের ক্ষেত্রে বিভিন্ন এয়ারলাইনের পৃথক পদ্ধতির ওপর।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত বিমানবন্দরে বিঘ্ন তুলনামূলকভাবে সীমিত। কিছুটা বিঘ্ন দেখা যাওয়ার কথা জানিয়েছে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর। অন্যদিকে হিথ্রো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা কোনো ফ্লাইট বাতিলের অভিজ্ঞতা পায়নি। ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা দেখেনি।
এয়ারলাইন্সভেদেও বিঘ্নের মাত্রাতে পার্থক্য দেখা গেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এ সমস্যায় তেমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানা গেছে। অন্যদিকে উইজ এয়ার ও এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, তারা ইতিমধ্যে আপডেট কার্যক্রম শুরু করেছে।
ভ্রমণ সাংবাদিক সাইমন ক্যালডার বলেন, অন্য যেকোনো এয়ারলাইনের চেয়ে এয়ার ফ্রান্স বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আজ শনিবার সকালে তাদের প্যারিস হাব থেকে আসা-যাওয়ার নির্ধারিত ৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে ইজিজেট জানায়, তারা কিছুটা বিঘ্নের আশঙ্কা করছে। তবে সফটওয়্যার আপডেট শুরু করেছে এবং অনেক বিমানেই ইতিমধ্যে আপডেট সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এয়ারলাইনটি।
যুক্তরাষ্ট্রে বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত ভ্রমণ মৌসুম থ্যাংকসগিভিং–এর সময়টাতে এই সফটওয়্যার সমস্যাটি সামনে আসে।
আমেরিকান এয়ারলাইন্স জানায়, তাদের ৩৪০টি বিমান এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। কিছু কার্যক্রমে বিলম্ব হতে পারে জানিয়েছে তারা। এয়ারলাইনটি আরও জানায়, আপডেটগুলোর বড় অংশই শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে ডেল্টা এয়ারলাইন্স জানায়, তাদের কার্যক্রমে সমস্যাটির প্রভাব সীমিত থাকবে বলে আশা করছে তারা।
অস্ট্রেলিয়ায় স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন জেটস্টার নিশ্চিত করেছে, তাদের বহরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এ সমস্যার আওতায় পড়েছে। এ সমস্যায় তারা ৯০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। অধিকাংশ বিমানে সফটওয়্যার আপডেট সম্পন্ন হলেও পুরো সপ্তাহান্তজুড়ে ভ্রমণে বিঘ্ন চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পলিসি ডিরেক্টর টিম জনসন জানান, এয়ারবাসের নোটিশের কারণে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আগামী কয়েক দিনে কিছু বিঘ্ন, বিলম্ব বা বাতিলের ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা থাকার কারণে বিমান পরিবহন এখনো সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থাগুলোর একটি।’
ব্যাপক হারে ফ্লাইট স্থগিতের ঘটনাকে খুবই বিরল একটি পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেন টিম জনসন।
পরিবহনমন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডার বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের এয়ারলাইন্সগুলোর ওপর প্রভাব সীমিত বলেই মনে হচ্ছে। সমস্যাটি দ্রুত শনাক্ত হয়েছে এবং দ্রুতই সমাধান করা হচ্ছে। এটি আশাব্যঞ্জক। বিষয়টি বৈশ্বিক পর্যায়ের উচ্চ নিরাপত্তা মানকে তুলে ধরে।’
এ৩২০ বিমানে যে সমস্যাটি শনাক্ত হয়েছে, তা বিমানের উচ্চতা নির্ণয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি কম্পিউটিং সফটওয়্যারকে ঘিরে। অনেক উচ্চতায় সূর্য থেকে নির্গত তীব্র বিকিরণ মাঝে মাঝে সফটওয়্যারের তথ্য বিকৃত করে দিতে পারে বলে শনাক্ত করেছে এয়ারবাস।
এ কারণেই গত অক্টোবরের ঘটনাটি ঘটে, যখন একটি বিমান হঠাৎ নিচে নেমে যায়। যদিও নির্মাতাপক্ষ দাবি করেছে, এটাই এ ধরনের একমাত্র ঘটনা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি (ইএএসএ) এক জরুরি নির্দেশনায় বলেছে, যাত্রী পরিবহনের আগে প্রতিটি বিমানে সমস্যাটি সমাধান করতে হবে। বিমানগুলোকে যাত্রীবিহীন অবস্থায়, যাকে ‘ফেরি ফ্লাইট’ বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
এ৩২০ মডেলের বিমানগুলো ‘ফ্লাই-বাই-ওয়্যার’ প্রযুক্তির। অর্থাৎ ককপিটের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও বিমানের যে অংশগুলো উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের মধ্যে কোনো সরাসরি যান্ত্রিক সংযোগ নেই। পাইলটের নির্দেশনা কম্পিউটার প্রক্রিয়াজাত করে এগুলো কাজ সম্পন্ন করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
এয়ারবাসের ‘এ ৩২০’ মডেলের প্রায় ৬ হাজার বিমানে এই সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক বহরের অর্ধেক। তবে দ্রুত সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে বেশির ভাগ বিমানই পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী করে তোলা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এয়ারবাস।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, কিছু ফ্লাইট বিঘ্ন ও বাতিল হতে পারে। তবে বিমানবন্দরে সামগ্রিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত বলেই মনে হচ্ছে।
এয়ারবাস জানায়, গত অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে জেটব্লু এয়ারওয়েজের একটি বিমান হঠাৎ নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তের পর তারা এ সমস্যাটি শনাক্ত করে। এ ঘটনায় ওই ফ্লাইটে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। পরে বিমানটি ফ্লোরিডায় জরুরি অবতরণ করে।
কোম্পানিটির সর্বাধিক বিক্রিত মডেল এ৩২০ ছাড়াও এ৩১৮, এ৩১৯ এবং এ৩২১ মডেলেও একই ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় ৫ হাজার ১০০ এয়ারবাস বিমানে অপেক্ষাকৃত সহজ একটি সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব। এই আপডেটটি হতে সাধারণত তিন ঘণ্টার মতো সময় নেয়।
তবে অবশিষ্ট ৯০০ বিমান অপেক্ষাকৃত পুরোনো সংস্করণের হওয়ায় সেগুলো পুনরায় আকাশে ওড়াতে অনবোর্ড কম্পিউটার বদলাতে হবে। এ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব বিমান যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। এ কাজ সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করবে প্রতিস্থাপনযোগ্য কম্পিউটার কত দ্রুত পাওয়া যায় তার ওপর।
এ পরিস্থিতিতে তাদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটবে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে এয়ারবাস।
বিমান চলাচল বিশ্লেষক স্যালি গেথিনকে উদ্ধৃত করে বিবিসি নিউজ জানায়, পরিস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক। যাত্রীদের ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে সফটওয়্যার আপডেটের ক্ষেত্রে বিভিন্ন এয়ারলাইনের পৃথক পদ্ধতির ওপর।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত বিমানবন্দরে বিঘ্ন তুলনামূলকভাবে সীমিত। কিছুটা বিঘ্ন দেখা যাওয়ার কথা জানিয়েছে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর। অন্যদিকে হিথ্রো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা কোনো ফ্লাইট বাতিলের অভিজ্ঞতা পায়নি। ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা দেখেনি।
এয়ারলাইন্সভেদেও বিঘ্নের মাত্রাতে পার্থক্য দেখা গেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এ সমস্যায় তেমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানা গেছে। অন্যদিকে উইজ এয়ার ও এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, তারা ইতিমধ্যে আপডেট কার্যক্রম শুরু করেছে।
ভ্রমণ সাংবাদিক সাইমন ক্যালডার বলেন, অন্য যেকোনো এয়ারলাইনের চেয়ে এয়ার ফ্রান্স বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আজ শনিবার সকালে তাদের প্যারিস হাব থেকে আসা-যাওয়ার নির্ধারিত ৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে ইজিজেট জানায়, তারা কিছুটা বিঘ্নের আশঙ্কা করছে। তবে সফটওয়্যার আপডেট শুরু করেছে এবং অনেক বিমানেই ইতিমধ্যে আপডেট সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এয়ারলাইনটি।
যুক্তরাষ্ট্রে বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত ভ্রমণ মৌসুম থ্যাংকসগিভিং–এর সময়টাতে এই সফটওয়্যার সমস্যাটি সামনে আসে।
আমেরিকান এয়ারলাইন্স জানায়, তাদের ৩৪০টি বিমান এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। কিছু কার্যক্রমে বিলম্ব হতে পারে জানিয়েছে তারা। এয়ারলাইনটি আরও জানায়, আপডেটগুলোর বড় অংশই শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে ডেল্টা এয়ারলাইন্স জানায়, তাদের কার্যক্রমে সমস্যাটির প্রভাব সীমিত থাকবে বলে আশা করছে তারা।
অস্ট্রেলিয়ায় স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন জেটস্টার নিশ্চিত করেছে, তাদের বহরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এ সমস্যার আওতায় পড়েছে। এ সমস্যায় তারা ৯০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। অধিকাংশ বিমানে সফটওয়্যার আপডেট সম্পন্ন হলেও পুরো সপ্তাহান্তজুড়ে ভ্রমণে বিঘ্ন চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির পলিসি ডিরেক্টর টিম জনসন জানান, এয়ারবাসের নোটিশের কারণে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আগামী কয়েক দিনে কিছু বিঘ্ন, বিলম্ব বা বাতিলের ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা থাকার কারণে বিমান পরিবহন এখনো সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থাগুলোর একটি।’
ব্যাপক হারে ফ্লাইট স্থগিতের ঘটনাকে খুবই বিরল একটি পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেন টিম জনসন।
পরিবহনমন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডার বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের এয়ারলাইন্সগুলোর ওপর প্রভাব সীমিত বলেই মনে হচ্ছে। সমস্যাটি দ্রুত শনাক্ত হয়েছে এবং দ্রুতই সমাধান করা হচ্ছে। এটি আশাব্যঞ্জক। বিষয়টি বৈশ্বিক পর্যায়ের উচ্চ নিরাপত্তা মানকে তুলে ধরে।’
এ৩২০ বিমানে যে সমস্যাটি শনাক্ত হয়েছে, তা বিমানের উচ্চতা নির্ণয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি কম্পিউটিং সফটওয়্যারকে ঘিরে। অনেক উচ্চতায় সূর্য থেকে নির্গত তীব্র বিকিরণ মাঝে মাঝে সফটওয়্যারের তথ্য বিকৃত করে দিতে পারে বলে শনাক্ত করেছে এয়ারবাস।
এ কারণেই গত অক্টোবরের ঘটনাটি ঘটে, যখন একটি বিমান হঠাৎ নিচে নেমে যায়। যদিও নির্মাতাপক্ষ দাবি করেছে, এটাই এ ধরনের একমাত্র ঘটনা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি (ইএএসএ) এক জরুরি নির্দেশনায় বলেছে, যাত্রী পরিবহনের আগে প্রতিটি বিমানে সমস্যাটি সমাধান করতে হবে। বিমানগুলোকে যাত্রীবিহীন অবস্থায়, যাকে ‘ফেরি ফ্লাইট’ বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
এ৩২০ মডেলের বিমানগুলো ‘ফ্লাই-বাই-ওয়্যার’ প্রযুক্তির। অর্থাৎ ককপিটের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও বিমানের যে অংশগুলো উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের মধ্যে কোনো সরাসরি যান্ত্রিক সংযোগ নেই। পাইলটের নির্দেশনা কম্পিউটার প্রক্রিয়াজাত করে এগুলো কাজ সম্পন্ন করে।

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
১ দিন আগে
ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে।
১৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা। তাঁর দিকেই এখন ভারতের আর্থিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের (ইডি) নজর।
ইডি-এর সাম্প্রতিক তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। একটি অবৈধ অনলাইন জুয়ার চক্রের কালো টাকা এক রাইড শেয়ার বাইক চালকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ওই বিয়েতে খরচ করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ১৮ বছর বয়সী ওই বাইক চালকের অ্যাকাউন্টে অবিশ্বাস্য অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। ইডি-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে এই অ্যাকাউন্টে ৩৩১ দশমিক ৩৬ কোটি রুপির বেশি জমা করা হয়েছিল। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই বিপুল অর্থের মধ্যে থেকে ১ কোটি রুপির বেশি অর্থ খরচ করা হয়েছে ওই বিলাসবহুল বিয়ের পেছনে। অথচ ওই বাইক চালকের সঙ্গে বর বা কনে—কোনো পক্ষেরই কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই।
ইডি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টটি ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ এটিতে বিভিন্ন অজ্ঞাত উৎস থেকে টাকা ডিপোজিট বা জমা করা হতো এবং সঙ্গে সঙ্গেই আবার অন্যান্য সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এই লেনদেনের একটি সূত্র অবৈধ জুয়ার চক্র ‘1 xBet’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইডি এখন এই বিপুল পরিমাণ লেনদেনের উৎস ও গন্তব্যগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, তৃতীয় পক্ষের এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে অর্থের আসল উৎস গোপন করার এবং সরকারি নজরদারি এড়ানোর উদ্দেশ্যে। এক বাইক চালকের অ্যাকাউন্টে কয়েক শ কোটি রুপির লেনদেন দেখে কর্মকর্তারাও স্তম্ভিত।
ইডির একজন জ্যেষ্ঠ সতর্ক করে বলেছেন, আর্থিক অপরাধে এই ধরনের ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’-এর ব্যবহার ভারতে ক্রমেই বাড়ছে। বহু মানুষ এটিকে নিরীহ ভেবে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস অন্যদের হাতে তুলে দিচ্ছে। কিন্তু যখন এই অ্যাকাউন্টগুলো অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, তখন সেই সাধারণ মানুষটিকেও আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হয়।
ভারতে এই ধরনের বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠান বা অন্যান্য আয়োজন এখন ঘন ঘনই দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা দেখিয়ে দিল, কীভাবে মিউল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে উচ্চবিত্তের উদ্যাপন এবং অন্যান্য ব্যয়বহুল ইভেন্টে অর্থায়ন করা হচ্ছে। এতে বিপদে পড়ছে সাধারণ মানুষই।

ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা। তাঁর দিকেই এখন ভারতের আর্থিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের (ইডি) নজর।
ইডি-এর সাম্প্রতিক তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। একটি অবৈধ অনলাইন জুয়ার চক্রের কালো টাকা এক রাইড শেয়ার বাইক চালকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ওই বিয়েতে খরচ করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ১৮ বছর বয়সী ওই বাইক চালকের অ্যাকাউন্টে অবিশ্বাস্য অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। ইডি-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে এই অ্যাকাউন্টে ৩৩১ দশমিক ৩৬ কোটি রুপির বেশি জমা করা হয়েছিল। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই বিপুল অর্থের মধ্যে থেকে ১ কোটি রুপির বেশি অর্থ খরচ করা হয়েছে ওই বিলাসবহুল বিয়ের পেছনে। অথচ ওই বাইক চালকের সঙ্গে বর বা কনে—কোনো পক্ষেরই কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই।
ইডি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টটি ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ এটিতে বিভিন্ন অজ্ঞাত উৎস থেকে টাকা ডিপোজিট বা জমা করা হতো এবং সঙ্গে সঙ্গেই আবার অন্যান্য সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এই লেনদেনের একটি সূত্র অবৈধ জুয়ার চক্র ‘1 xBet’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইডি এখন এই বিপুল পরিমাণ লেনদেনের উৎস ও গন্তব্যগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, তৃতীয় পক্ষের এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে অর্থের আসল উৎস গোপন করার এবং সরকারি নজরদারি এড়ানোর উদ্দেশ্যে। এক বাইক চালকের অ্যাকাউন্টে কয়েক শ কোটি রুপির লেনদেন দেখে কর্মকর্তারাও স্তম্ভিত।
ইডির একজন জ্যেষ্ঠ সতর্ক করে বলেছেন, আর্থিক অপরাধে এই ধরনের ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’-এর ব্যবহার ভারতে ক্রমেই বাড়ছে। বহু মানুষ এটিকে নিরীহ ভেবে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস অন্যদের হাতে তুলে দিচ্ছে। কিন্তু যখন এই অ্যাকাউন্টগুলো অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, তখন সেই সাধারণ মানুষটিকেও আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হয়।
ভারতে এই ধরনের বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠান বা অন্যান্য আয়োজন এখন ঘন ঘনই দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা দেখিয়ে দিল, কীভাবে মিউল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে উচ্চবিত্তের উদ্যাপন এবং অন্যান্য ব্যয়বহুল ইভেন্টে অর্থায়ন করা হচ্ছে। এতে বিপদে পড়ছে সাধারণ মানুষই।

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
১ দিন আগে
ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে।
১৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দেশটির চার্চ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ৮৮ বছর বয়সী সিস্টার বের্নাডেট, ৮৬ বছর বয়সী রেজিনা ও ৮২ বছর বয়সী রিটা—তিনজনই একসময় গোল্ডেনস্টাইন ক্যাসেলের পাশের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। কয়েক মাস আগেই তাঁরা সীমাবদ্ধতা ভেঙে নিজেদের ক্যাথলিক কেয়ার হোম থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করেই পুরোনো কনভেন্টে ফিরে যান। একসময় তাঁরা সেখানেই বসবাস করতেন।
এই ঘটনার পর বিশ্ব গণমাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা ব্যাপক সমর্থনও পান। তাঁদের সাবেক শিক্ষার্থীরা খাবার-দাবার, পোশাক, চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পর্যন্ত বিভিন্ন সহায়তা করেন। এমনকি কনভেন্টের তৃতীয় তলায় ওঠার জন্য একটি চেয়ারলিফটও বসিয়ে দেন।
তবে নানদের ধর্মীয় পর্যবেক্ষক রাইখার্সবার্গ অ্যাবির প্রোভোস্ট মার্কুস গ্রাসল শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, এই তিন প্রবীণ নারী ওই পুরোনো পাথুরে ভবনে নিরাপদে বাস করতে পারবেন না। তাঁর অভিযোগ—তাঁরা নাকি আনুগত্যের শপথ ভেঙেছেন; যদিও সন্ন্যাসিনীরা তা অস্বীকার করেছেন।
অবশেষে শুক্রবার চার্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাসলের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই আপাতত সন্ন্যাসিনীরা কনভেন্টে থাকতে পারবেন। তবে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কার্যক্রম চালাতে পারবেন না। বাইরের কোনো অতিথিও কনভেন্টে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং চলমান আইনি বিরোধও সমাধান করতে হবে। সন্ন্যাসিনীদের স্বাস্থ্য অবনতি হলে তাঁদের এলসবেথেন নার্সিং হোমে নিবন্ধিত করে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হবে।
তবে রাতেই সন্ন্যাসিনীরা বিবৃতি দিয়ে জানান, কোনো আলোচনাই নাকি তাঁদের সঙ্গে করা হয়নি। চার্চের প্রস্তাবকে তাঁরা একতরফা ও আইনগত ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে, ‘যত দিন নতুন নির্দেশ না আসে’ ধরনের বাক্যাংশকে তাঁরা ‘আইনগতভাবে মূল্যহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের অভিযোগ—চার্চের প্রস্তাবটি একপ্রকার বিধিনিষেধমূলক চুক্তি, যা তাঁদের আইনি সহায়তা নেওয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে চায়।
তাঁরা মত দিয়েছেন—চার্চ কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই সমাধান চায়, তবে সন্ন্যাসিনীদের দাবি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য যথাযথ আলোচনায় বসতে হবে।

অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দেশটির চার্চ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ৮৮ বছর বয়সী সিস্টার বের্নাডেট, ৮৬ বছর বয়সী রেজিনা ও ৮২ বছর বয়সী রিটা—তিনজনই একসময় গোল্ডেনস্টাইন ক্যাসেলের পাশের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। কয়েক মাস আগেই তাঁরা সীমাবদ্ধতা ভেঙে নিজেদের ক্যাথলিক কেয়ার হোম থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করেই পুরোনো কনভেন্টে ফিরে যান। একসময় তাঁরা সেখানেই বসবাস করতেন।
এই ঘটনার পর বিশ্ব গণমাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা ব্যাপক সমর্থনও পান। তাঁদের সাবেক শিক্ষার্থীরা খাবার-দাবার, পোশাক, চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পর্যন্ত বিভিন্ন সহায়তা করেন। এমনকি কনভেন্টের তৃতীয় তলায় ওঠার জন্য একটি চেয়ারলিফটও বসিয়ে দেন।
তবে নানদের ধর্মীয় পর্যবেক্ষক রাইখার্সবার্গ অ্যাবির প্রোভোস্ট মার্কুস গ্রাসল শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, এই তিন প্রবীণ নারী ওই পুরোনো পাথুরে ভবনে নিরাপদে বাস করতে পারবেন না। তাঁর অভিযোগ—তাঁরা নাকি আনুগত্যের শপথ ভেঙেছেন; যদিও সন্ন্যাসিনীরা তা অস্বীকার করেছেন।
অবশেষে শুক্রবার চার্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাসলের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই আপাতত সন্ন্যাসিনীরা কনভেন্টে থাকতে পারবেন। তবে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কার্যক্রম চালাতে পারবেন না। বাইরের কোনো অতিথিও কনভেন্টে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং চলমান আইনি বিরোধও সমাধান করতে হবে। সন্ন্যাসিনীদের স্বাস্থ্য অবনতি হলে তাঁদের এলসবেথেন নার্সিং হোমে নিবন্ধিত করে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হবে।
তবে রাতেই সন্ন্যাসিনীরা বিবৃতি দিয়ে জানান, কোনো আলোচনাই নাকি তাঁদের সঙ্গে করা হয়নি। চার্চের প্রস্তাবকে তাঁরা একতরফা ও আইনগত ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে, ‘যত দিন নতুন নির্দেশ না আসে’ ধরনের বাক্যাংশকে তাঁরা ‘আইনগতভাবে মূল্যহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের অভিযোগ—চার্চের প্রস্তাবটি একপ্রকার বিধিনিষেধমূলক চুক্তি, যা তাঁদের আইনি সহায়তা নেওয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে চায়।
তাঁরা মত দিয়েছেন—চার্চ কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই সমাধান চায়, তবে সন্ন্যাসিনীদের দাবি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য যথাযথ আলোচনায় বসতে হবে।

ইসরায়েলি সেনারা জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে দুই ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র আর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা বলছে, আত্মসমর্পণের চেষ্টা করছিল ওই দুই ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।
১ দিন আগে
ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক সমাজকর্মী। কুলদীপ শর্মা নামে ওই সমাজকর্মী সম্প্রতি এক সাংবাদিককে তাঁর নিজের জমি দান করেছেন। ওই সাংবাদিকের বাড়ি সরকারি নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জম্মুতে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই এলাকা ভারতীয় জনতা
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বিমানের উড্ডয়ন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিমানের অনবোর্ড ফ্লাইট কন্ট্রোল কম্পিউটারে সৌর বিকিরণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে, বাদও দিতে হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক তরুণ রাজনৈতিক নেতার বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে এক বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। গত বছর উদয়পুরের তাজ আরাবল্লি রিসোর্টে হওয়া ওই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুজরাটের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আদিত্য জুলা।
৫ ঘণ্টা আগে