ফিচার ডেস্ক

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
কুসুম গরম পানি পানে উপকার
সর্দি-কাশি থেকে দূরে রাখে
ঋতু পরিবর্তনের কারণে শীতের শুরুতে একাধিক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে সর্দি-কাশিসহ ছোট ছোট নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এই ধরনের অসুখ থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীর ভালো রাখতে হালকা গরম পানি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরম পানি পান করার ফলে বুকে ও মাথায় জমে থাকা কফ বের হয়ে যায়, যা উপকারে আসে।
হজমে সহায়ক
কুসুম গরম পানি পান খাবার হজম করতে সহায়ক। এটি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন দ্রুত করতে পারে। ২০১৬ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, গরম পানি অন্ত্রের গতি এবং রোগীর অপারেশনের পর গ্যাস নির্গমনে বেশ উপকার করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি সাধারণ কারণ। তবে অনেক ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি পানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং প্রতিরোধে উপকারে আসে।
পানির তাপমাত্রা
খাওয়ার পানি কতটুকু গরম পান করা উচিত, তা নিয়েও গবেষণা প্রকাশ হয়। সেখানে উল্লেখ্য, ১৩০-১৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে হবে। এর বেশি গরম পানি গলা জ্বলে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
গরম পানিতে গোসল
রাতের ভালো ঘুম
অফিস শেষে বাসায় ফিরে অনেকে গরম পানিতে গোসল থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু হালকা গরম পানিতে গোসল আপনার রাতের ঘুম আরও ভালো করবে। এ ছাড়া এটি ঘুমানোর আগে পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্টের উপসর্গ থেকে মুক্তি
গরম পানি এবং এর বাষ্প ঠান্ডা ও কাশির জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে গরম পানিতে গোসল বেশ উপকারে আসে।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়
গরম পানিতে গোসল আরাম দেবে শারীরিক ও মানসিক—দুই ক্ষেত্রে। এর ফলে আপনি বেশ ফুরফুরে বোধ করতে পারবেন। কাজে মনোযোগ বাড়বে এবং বিরক্তিভাব দূর হবে। আর অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পর অস্থিরতা বোধ করাই স্বাভাবিক। এমন সময় সেই অস্থিরতা কাটাতে পারে গরম পানিতে গোসল।
কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথায় উপকার
অফিসে একটানা চেয়ারে বসে থাকার কারণে অনেকের কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে গরম পানির গোসল আপনাকে আরাম দেবে।
সূত্র: হেলথলাইন

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
কুসুম গরম পানি পানে উপকার
সর্দি-কাশি থেকে দূরে রাখে
ঋতু পরিবর্তনের কারণে শীতের শুরুতে একাধিক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে সর্দি-কাশিসহ ছোট ছোট নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এই ধরনের অসুখ থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীর ভালো রাখতে হালকা গরম পানি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরম পানি পান করার ফলে বুকে ও মাথায় জমে থাকা কফ বের হয়ে যায়, যা উপকারে আসে।
হজমে সহায়ক
কুসুম গরম পানি পান খাবার হজম করতে সহায়ক। এটি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন দ্রুত করতে পারে। ২০১৬ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, গরম পানি অন্ত্রের গতি এবং রোগীর অপারেশনের পর গ্যাস নির্গমনে বেশ উপকার করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি সাধারণ কারণ। তবে অনেক ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি পানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং প্রতিরোধে উপকারে আসে।
পানির তাপমাত্রা
খাওয়ার পানি কতটুকু গরম পান করা উচিত, তা নিয়েও গবেষণা প্রকাশ হয়। সেখানে উল্লেখ্য, ১৩০-১৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে হবে। এর বেশি গরম পানি গলা জ্বলে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
গরম পানিতে গোসল
রাতের ভালো ঘুম
অফিস শেষে বাসায় ফিরে অনেকে গরম পানিতে গোসল থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু হালকা গরম পানিতে গোসল আপনার রাতের ঘুম আরও ভালো করবে। এ ছাড়া এটি ঘুমানোর আগে পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্টের উপসর্গ থেকে মুক্তি
গরম পানি এবং এর বাষ্প ঠান্ডা ও কাশির জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে গরম পানিতে গোসল বেশ উপকারে আসে।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়
গরম পানিতে গোসল আরাম দেবে শারীরিক ও মানসিক—দুই ক্ষেত্রে। এর ফলে আপনি বেশ ফুরফুরে বোধ করতে পারবেন। কাজে মনোযোগ বাড়বে এবং বিরক্তিভাব দূর হবে। আর অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পর অস্থিরতা বোধ করাই স্বাভাবিক। এমন সময় সেই অস্থিরতা কাটাতে পারে গরম পানিতে গোসল।
কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথায় উপকার
অফিসে একটানা চেয়ারে বসে থাকার কারণে অনেকের কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে গরম পানির গোসল আপনাকে আরাম দেবে।
সূত্র: হেলথলাইন
ফিচার ডেস্ক

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
কুসুম গরম পানি পানে উপকার
সর্দি-কাশি থেকে দূরে রাখে
ঋতু পরিবর্তনের কারণে শীতের শুরুতে একাধিক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে সর্দি-কাশিসহ ছোট ছোট নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এই ধরনের অসুখ থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীর ভালো রাখতে হালকা গরম পানি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরম পানি পান করার ফলে বুকে ও মাথায় জমে থাকা কফ বের হয়ে যায়, যা উপকারে আসে।
হজমে সহায়ক
কুসুম গরম পানি পান খাবার হজম করতে সহায়ক। এটি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন দ্রুত করতে পারে। ২০১৬ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, গরম পানি অন্ত্রের গতি এবং রোগীর অপারেশনের পর গ্যাস নির্গমনে বেশ উপকার করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি সাধারণ কারণ। তবে অনেক ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি পানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং প্রতিরোধে উপকারে আসে।
পানির তাপমাত্রা
খাওয়ার পানি কতটুকু গরম পান করা উচিত, তা নিয়েও গবেষণা প্রকাশ হয়। সেখানে উল্লেখ্য, ১৩০-১৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে হবে। এর বেশি গরম পানি গলা জ্বলে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
গরম পানিতে গোসল
রাতের ভালো ঘুম
অফিস শেষে বাসায় ফিরে অনেকে গরম পানিতে গোসল থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু হালকা গরম পানিতে গোসল আপনার রাতের ঘুম আরও ভালো করবে। এ ছাড়া এটি ঘুমানোর আগে পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্টের উপসর্গ থেকে মুক্তি
গরম পানি এবং এর বাষ্প ঠান্ডা ও কাশির জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে গরম পানিতে গোসল বেশ উপকারে আসে।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়
গরম পানিতে গোসল আরাম দেবে শারীরিক ও মানসিক—দুই ক্ষেত্রে। এর ফলে আপনি বেশ ফুরফুরে বোধ করতে পারবেন। কাজে মনোযোগ বাড়বে এবং বিরক্তিভাব দূর হবে। আর অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পর অস্থিরতা বোধ করাই স্বাভাবিক। এমন সময় সেই অস্থিরতা কাটাতে পারে গরম পানিতে গোসল।
কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথায় উপকার
অফিসে একটানা চেয়ারে বসে থাকার কারণে অনেকের কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে গরম পানির গোসল আপনাকে আরাম দেবে।
সূত্র: হেলথলাইন

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
কুসুম গরম পানি পানে উপকার
সর্দি-কাশি থেকে দূরে রাখে
ঋতু পরিবর্তনের কারণে শীতের শুরুতে একাধিক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে সর্দি-কাশিসহ ছোট ছোট নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এই ধরনের অসুখ থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীর ভালো রাখতে হালকা গরম পানি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরম পানি পান করার ফলে বুকে ও মাথায় জমে থাকা কফ বের হয়ে যায়, যা উপকারে আসে।
হজমে সহায়ক
কুসুম গরম পানি পান খাবার হজম করতে সহায়ক। এটি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন দ্রুত করতে পারে। ২০১৬ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, গরম পানি অন্ত্রের গতি এবং রোগীর অপারেশনের পর গ্যাস নির্গমনে বেশ উপকার করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি সাধারণ কারণ। তবে অনেক ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি পানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং প্রতিরোধে উপকারে আসে।
পানির তাপমাত্রা
খাওয়ার পানি কতটুকু গরম পান করা উচিত, তা নিয়েও গবেষণা প্রকাশ হয়। সেখানে উল্লেখ্য, ১৩০-১৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে হবে। এর বেশি গরম পানি গলা জ্বলে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
গরম পানিতে গোসল
রাতের ভালো ঘুম
অফিস শেষে বাসায় ফিরে অনেকে গরম পানিতে গোসল থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু হালকা গরম পানিতে গোসল আপনার রাতের ঘুম আরও ভালো করবে। এ ছাড়া এটি ঘুমানোর আগে পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্টের উপসর্গ থেকে মুক্তি
গরম পানি এবং এর বাষ্প ঠান্ডা ও কাশির জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে গরম পানিতে গোসল বেশ উপকারে আসে।
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়
গরম পানিতে গোসল আরাম দেবে শারীরিক ও মানসিক—দুই ক্ষেত্রে। এর ফলে আপনি বেশ ফুরফুরে বোধ করতে পারবেন। কাজে মনোযোগ বাড়বে এবং বিরক্তিভাব দূর হবে। আর অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পর অস্থিরতা বোধ করাই স্বাভাবিক। এমন সময় সেই অস্থিরতা কাটাতে পারে গরম পানিতে গোসল।
কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথায় উপকার
অফিসে একটানা চেয়ারে বসে থাকার কারণে অনেকের কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে গরম পানির গোসল আপনাকে আরাম দেবে।
সূত্র: হেলথলাইন

গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত...
৬ ঘণ্টা আগে
শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগেডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী

গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত, প্রদাহ বা সিরিয়াস প্যাথলজি না পেলে এসব সমস্যার মূল কারণ হিসেবে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিআরইডি) শনাক্ত করি।
১৯৯৯ সাল থেকে প্রতি নভেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ সচেতনতা সপ্তাহ। এ বছরও ২৩-২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে জিআরইডি সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৫।
এই বছরের মূল বিষয় হলো, ‘চলুন, জিআরইডি নিয়ে কথা বলি’; যা রোগীর উপসর্গ, চিকিৎসা ও ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করার গুরুত্বকে আরও জোরদার করে।
বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৫ জন জিআরইডিতে ভুগছেন। ইউরোপ ও আমেরিকায় এর প্রকোপ বেশি হলেও এশিয়ায়, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ায় রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রতিরোধ সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেক রোগী জটিলতায় পড়েন এবং দীর্ঘদিন ওষুধনির্ভর থাকতে হয়।
গলা ও বুক জ্বালাপোড়া কেন হয়
‘গ্যাস্ট্রো’ বলতে পাকস্থলী আর ‘ইসোফেগাস’ বলতে খাদ্যনালিকে বোঝায়। সাধারণত খাবার খাদ্যনালি দিয়ে নিচের দিকে পাকস্থলীতে নামে। কিন্তু কোনো কারণে এই স্বাভাবিক পথ ব্যাহত হলে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালির ওপরের দিকে উঠে আসে। এই অ্যাসিডই গলা ও বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুরসহ নানা উপসর্গ তৈরি করে।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে সতর্কতা
বুক জ্বালাপোড়া সব সময় জিআরইডি না-ও হতে পারে। তবে হৃদ্রোগের কারণেও একই উপসর্গ হতে পারে। পার্থক্য বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ জানা খুব জরুরি।
প্রতিরোধে যা করবেন
লেখক: আবাসিক সার্জন (ইএনটি), সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত, প্রদাহ বা সিরিয়াস প্যাথলজি না পেলে এসব সমস্যার মূল কারণ হিসেবে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিআরইডি) শনাক্ত করি।
১৯৯৯ সাল থেকে প্রতি নভেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ সচেতনতা সপ্তাহ। এ বছরও ২৩-২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে জিআরইডি সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৫।
এই বছরের মূল বিষয় হলো, ‘চলুন, জিআরইডি নিয়ে কথা বলি’; যা রোগীর উপসর্গ, চিকিৎসা ও ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করার গুরুত্বকে আরও জোরদার করে।
বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ১৫ জন জিআরইডিতে ভুগছেন। ইউরোপ ও আমেরিকায় এর প্রকোপ বেশি হলেও এশিয়ায়, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ায় রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রতিরোধ সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেক রোগী জটিলতায় পড়েন এবং দীর্ঘদিন ওষুধনির্ভর থাকতে হয়।
গলা ও বুক জ্বালাপোড়া কেন হয়
‘গ্যাস্ট্রো’ বলতে পাকস্থলী আর ‘ইসোফেগাস’ বলতে খাদ্যনালিকে বোঝায়। সাধারণত খাবার খাদ্যনালি দিয়ে নিচের দিকে পাকস্থলীতে নামে। কিন্তু কোনো কারণে এই স্বাভাবিক পথ ব্যাহত হলে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালির ওপরের দিকে উঠে আসে। এই অ্যাসিডই গলা ও বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুরসহ নানা উপসর্গ তৈরি করে।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে সতর্কতা
বুক জ্বালাপোড়া সব সময় জিআরইডি না-ও হতে পারে। তবে হৃদ্রোগের কারণেও একই উপসর্গ হতে পারে। পার্থক্য বোঝার জন্য কিছু লক্ষণ জানা খুব জরুরি।
প্রতিরোধে যা করবেন
লেখক: আবাসিক সার্জন (ইএনটি), সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
৯ ঘণ্টা আগে
শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগেডা. মো. মোশাররফ হোসেন

শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
শীতকালে সাধারণত ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং কারণ ছাড়াই চুলকানি শুরু হতে পারে। ঠোঁট ও পায়ের চামড়া ফেটে গিয়ে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এ সময় খুশকির সমস্যা বাড়ে। স্ক্যাবিস এবং অ্যালার্জিজনিত রোগের প্রকোপও বেড়ে যায়।
পুরোনো উলের পোশাক, বিভিন্ন ক্রিম, লোশন ব্যবহারে ত্বকে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। বিশেষত ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ ও থাইরয়েডের রোগীদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুলকানির তীব্রতা বেশি থাকে।
শীতে ত্বকে যে ধরনের সমস্যা হয়
এ ছাড়া বিভিন্ন ক্রনিক ডিজিজ; যেমন ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ, থাইরয়েডের রোগে বেশি মাত্রায় ত্বক শুষ্ক হওয়া এবং চুলকানি হওয়া।
শীতে ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়
সাধারণ কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে শীতে ত্বকের সুরক্ষা সম্ভব। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন অ্যালার্জি এবং ক্রনিক ডিজিজ; যেমন ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ, থাইরয়েডের রোগে ভুগছে; তাদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকাসহ ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর-১০, ঢাকা।

শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
শীতকালে সাধারণত ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং কারণ ছাড়াই চুলকানি শুরু হতে পারে। ঠোঁট ও পায়ের চামড়া ফেটে গিয়ে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এ সময় খুশকির সমস্যা বাড়ে। স্ক্যাবিস এবং অ্যালার্জিজনিত রোগের প্রকোপও বেড়ে যায়।
পুরোনো উলের পোশাক, বিভিন্ন ক্রিম, লোশন ব্যবহারে ত্বকে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। বিশেষত ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ ও থাইরয়েডের রোগীদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুলকানির তীব্রতা বেশি থাকে।
শীতে ত্বকে যে ধরনের সমস্যা হয়
এ ছাড়া বিভিন্ন ক্রনিক ডিজিজ; যেমন ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ, থাইরয়েডের রোগে বেশি মাত্রায় ত্বক শুষ্ক হওয়া এবং চুলকানি হওয়া।
শীতে ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়
সাধারণ কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে শীতে ত্বকের সুরক্ষা সম্ভব। বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন অ্যালার্জি এবং ক্রনিক ডিজিজ; যেমন ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি রোগ, থাইরয়েডের রোগে ভুগছে; তাদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকাসহ ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর-১০, ঢাকা।

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
৯ ঘণ্টা আগে
গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত...
৬ ঘণ্টা আগে
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক

কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড। এটি বিষণ্নতার একটি রূপ, যা মূলত শীতকালে আলোর অভাবের কারণে হয়। এ রহস্যময় ব্যাধিটি প্রায় ২৫ মিলিয়ন আমেরিকানকে প্রভাবিত করে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও এ ধরনের বিষণ্ণতা দেখা যায়।
শীতকালে মন খারাপ কেন হয়
শীতকালীন মন খারাপের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে কী করতে হবে, জানেন? তার আগে বলুন, সুখের হরমোন সম্পর্কে জানেন তো? ‘সুখের হরমোন’ বা ‘ফিল গুড কেমিক্যাল’-এর নাম হলো সেরোটোনিন। এটি মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাসায়নিক বা নিউরো ট্রান্সমিটার। এটি মূলত মস্তিষ্কে এবং পরিপাকতন্ত্রে তৈরি হয় এবং শরীরের বহুবিধ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন মন খারাপের সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম বলেন, ‘শীতকালে আলোর অভাবে মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের উৎপাদন অনেকটা কমে যায়, যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ভালো থাকার অনুভূতি তৈরি করে। ফলে বিষণ্নতা, অতিরিক্ত ঘুম, উদ্বেগ, বিরক্তি এবং সামান্য বিষয়ে আচ্ছন্নতার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।’ তবে সুখবর হলো, এপ্রিল কিংবা মে মাস নাগাদ দিন দীর্ঘ হলে সাধারণত এ সমস্যা পুরোপুরি সেরে যায়। চিকিৎসা হিসেবে যদিও লাইটথেরাপি ও ওষুধ রয়েছে, তবে জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন এনেও আপনি সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়িয়ে নিতে পারেন।
সেরোটোনিন বুস্ট করার ৩ উপায়
সানফ্রান্সিসকোর রিকভারি সিস্টেমস ক্লিনিকের পরিচালক এবং দ্য মুড কিউর ও দ্য ডায়েট কিউরের লেখক জুলিয়া রস সেরোটোনিন বাড়ানোর তিনটি সহজ উপায় উল্লেখ করেছেন।
উজ্জ্বল কৃত্রিম আলোর ব্যবহার
নিজেকে উজ্জ্বল ইনডোর আলোর সংস্পর্শে আনুন। এটি স্যাড চিকিৎসার একটি মূল অংশ। এই আলো ৩ ফুট দূর থেকে দিনে তিনবার ২০ মিনিটের জন্য ব্যবহারে সাময়িকভাবে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিয়মিত ব্যায়াম
স্যাডের চক্রে আটকে থাকলে ব্যায়াম করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু নিজেকে জোর করে শুরু করতে পারলে এটি খুবই কার্যকর। মাত্র ১৫-২০ মিনিটের দ্রুত হাঁটা বা রেডিওতে নেচে নেওয়া মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে এবং মেজাজ উন্নত করতে পারে।
বিচক্ষণ খাদ্য গ্রহণ
মিষ্টি এবং সাদা চাল বা সাদা রুটির মতো সাধারণ শর্করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ায়, ইনসুলিনের বন্যা ঘটায় এবং পরক্ষণে মেজাজ খারাপ করে। সেরোটোনিনকে দমন করে এমন ক্যাফিনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। রস পরামর্শ দেন, ‘যদি কফি খেতেই হয়, তাহলে তা খাওয়ার পরে পান করুন।’
মেজাজ ভালো রাখতে কী খাবেন
এনওয়াইইউ মেডিকেল সেন্টারের জ্যেষ্ঠ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট সামান্থা হেলার এবং জুলিয়া রস আরও কিছু পুষ্টিগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রোটিন এবং সবজি
রস দিনে তিনবার প্রোটিন খাওয়ার এবং প্রতিদিন চার কাপ উজ্জ্বল রঙের সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। সবজি হলো এমন শর্করা, যা আপনার সিস্টেমে ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে।
স্বাস্থ্যকর শর্করা বেছে নিন
হেলার কুকিজ বা চকলেট আইসক্রিমের পরিবর্তে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। সাধারণ শর্করা বাদ দিয়ে সবজি, ফল এবং বিনস জাতীয় স্বাস্থ্যকর শর্করা গ্রহণ করলে শক্তির মাত্রা বজায় থাকে।
সাদা, শ্বেতসারযুক্ত খাবার বাদ দিন
হেলার মানুষকে দুই সপ্তাহের জন্য সব ধরনের সাদা, শ্বেতসারযুক্ত খাবার; যেমন রুটি, ভাত, আলু খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতি জোর দেন। তিনি বলেন, এর ফলে আপনি নিজের শরীরে আশ্চর্যজনক পার্থক্য অনুভব করবেন।
সময় মেনে খাদ্য গ্রহণ
ফ্যাশনেবল হলেও দিনে কয়েকবার অল্প খাবার খাওয়া ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তবে দুপুরের এবং রাতের খাবারের মধ্যে যদি দীর্ঘ বিরতি থাকে, তাহলে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস নিন। জাঙ্ক ফুড খেলে দুপুরের পরই মিষ্টির জন্য অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
সূত্র: ওয়েব মেড

কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড। এটি বিষণ্নতার একটি রূপ, যা মূলত শীতকালে আলোর অভাবের কারণে হয়। এ রহস্যময় ব্যাধিটি প্রায় ২৫ মিলিয়ন আমেরিকানকে প্রভাবিত করে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও এ ধরনের বিষণ্ণতা দেখা যায়।
শীতকালে মন খারাপ কেন হয়
শীতকালীন মন খারাপের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে কী করতে হবে, জানেন? তার আগে বলুন, সুখের হরমোন সম্পর্কে জানেন তো? ‘সুখের হরমোন’ বা ‘ফিল গুড কেমিক্যাল’-এর নাম হলো সেরোটোনিন। এটি মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাসায়নিক বা নিউরো ট্রান্সমিটার। এটি মূলত মস্তিষ্কে এবং পরিপাকতন্ত্রে তৈরি হয় এবং শরীরের বহুবিধ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শীতকালীন মন খারাপের সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম বলেন, ‘শীতকালে আলোর অভাবে মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের উৎপাদন অনেকটা কমে যায়, যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ভালো থাকার অনুভূতি তৈরি করে। ফলে বিষণ্নতা, অতিরিক্ত ঘুম, উদ্বেগ, বিরক্তি এবং সামান্য বিষয়ে আচ্ছন্নতার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।’ তবে সুখবর হলো, এপ্রিল কিংবা মে মাস নাগাদ দিন দীর্ঘ হলে সাধারণত এ সমস্যা পুরোপুরি সেরে যায়। চিকিৎসা হিসেবে যদিও লাইটথেরাপি ও ওষুধ রয়েছে, তবে জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন এনেও আপনি সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়িয়ে নিতে পারেন।
সেরোটোনিন বুস্ট করার ৩ উপায়
সানফ্রান্সিসকোর রিকভারি সিস্টেমস ক্লিনিকের পরিচালক এবং দ্য মুড কিউর ও দ্য ডায়েট কিউরের লেখক জুলিয়া রস সেরোটোনিন বাড়ানোর তিনটি সহজ উপায় উল্লেখ করেছেন।
উজ্জ্বল কৃত্রিম আলোর ব্যবহার
নিজেকে উজ্জ্বল ইনডোর আলোর সংস্পর্শে আনুন। এটি স্যাড চিকিৎসার একটি মূল অংশ। এই আলো ৩ ফুট দূর থেকে দিনে তিনবার ২০ মিনিটের জন্য ব্যবহারে সাময়িকভাবে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিয়মিত ব্যায়াম
স্যাডের চক্রে আটকে থাকলে ব্যায়াম করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু নিজেকে জোর করে শুরু করতে পারলে এটি খুবই কার্যকর। মাত্র ১৫-২০ মিনিটের দ্রুত হাঁটা বা রেডিওতে নেচে নেওয়া মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে এবং মেজাজ উন্নত করতে পারে।
বিচক্ষণ খাদ্য গ্রহণ
মিষ্টি এবং সাদা চাল বা সাদা রুটির মতো সাধারণ শর্করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ায়, ইনসুলিনের বন্যা ঘটায় এবং পরক্ষণে মেজাজ খারাপ করে। সেরোটোনিনকে দমন করে এমন ক্যাফিনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। রস পরামর্শ দেন, ‘যদি কফি খেতেই হয়, তাহলে তা খাওয়ার পরে পান করুন।’
মেজাজ ভালো রাখতে কী খাবেন
এনওয়াইইউ মেডিকেল সেন্টারের জ্যেষ্ঠ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট সামান্থা হেলার এবং জুলিয়া রস আরও কিছু পুষ্টিগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রোটিন এবং সবজি
রস দিনে তিনবার প্রোটিন খাওয়ার এবং প্রতিদিন চার কাপ উজ্জ্বল রঙের সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। সবজি হলো এমন শর্করা, যা আপনার সিস্টেমে ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে।
স্বাস্থ্যকর শর্করা বেছে নিন
হেলার কুকিজ বা চকলেট আইসক্রিমের পরিবর্তে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। সাধারণ শর্করা বাদ দিয়ে সবজি, ফল এবং বিনস জাতীয় স্বাস্থ্যকর শর্করা গ্রহণ করলে শক্তির মাত্রা বজায় থাকে।
সাদা, শ্বেতসারযুক্ত খাবার বাদ দিন
হেলার মানুষকে দুই সপ্তাহের জন্য সব ধরনের সাদা, শ্বেতসারযুক্ত খাবার; যেমন রুটি, ভাত, আলু খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতি জোর দেন। তিনি বলেন, এর ফলে আপনি নিজের শরীরে আশ্চর্যজনক পার্থক্য অনুভব করবেন।
সময় মেনে খাদ্য গ্রহণ
ফ্যাশনেবল হলেও দিনে কয়েকবার অল্প খাবার খাওয়া ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তবে দুপুরের এবং রাতের খাবারের মধ্যে যদি দীর্ঘ বিরতি থাকে, তাহলে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস নিন। জাঙ্ক ফুড খেলে দুপুরের পরই মিষ্টির জন্য অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
সূত্র: ওয়েব মেড

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
৯ ঘণ্টা আগে
গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত...
৬ ঘণ্টা আগে
শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক

ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। যেমন অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই সমস্যায় ভোগেন। পুরুষের মধ্যে এর প্রবণতা বেশি। পুরুষ ও নারী নাক ডাকার অনুপাত ২.৩: ১।
নাক ডাকার প্রধান কারণ স্থূলতা হলেও এক-তৃতীয়াংশ হালকা-পাতলা মানুষও নাক ডাকেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাতাসের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে গলার শিথিল টিস্যুগুলো কেঁপে ওঠে এবং জোরে শব্দ সৃষ্টি হয়। শিশুবিশেষজ্ঞ আমিনুল ইসলাম শেখ বলেন, শরীরের অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বাড়তি ওজন নাকের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়। এতে শ্বাসপ্রশ্বাস চলাচলের সময় শব্দের সৃষ্টি হয়। তাই ওজন কমালে এই সমস্যা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া সম্ভব।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঘরোয়া প্রতিকার
নাক ডাকার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘুমের অভ্যাস এবং জীবনধারা।
১। এক পাশে কাত হয়ে ঘুমানো উচিত। চিত হয়ে ঘুমালে অনেক সময় জিহ্বা পেছনের দিকে চলে যায় এবং আংশিকভাবে শ্বাস পথ বন্ধ করে দেয়। এক পাশে কাত হয়ে ঘুমালে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে, যা নাক ডাকা কমাতে বা থামাতে সাহায্য করে।
২। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের ঘাটতি হলে গলার পেশি শিথিল হয়ে যায়, যা শ্বাস পথকে সংকুচিত করে এবং নাক ডাকার ঝুঁকি বাড়ায়। আমিনুল ইসলাম শেখ বলেন, দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে নাক ডাকা বেড়ে যেতে পারে। তা ছাড়া হঠাৎ যেকোনো সময় শুরুও হতে পারে।
৩। বিছানার মাথার দিকটি কয়েক ইঞ্চি উঁচু করে ঘুমালে শ্বাস পথ খোলা রাখতে সাহায্য করে। এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি পিলো বা বেড রাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪। নাকের ওপর স্টিক-অন নেজাল স্ট্রিপ বা নাসারন্ধ্রের ওপর এক্সটারনাল নেজাল ডাইলেটর ব্যবহার করলে নাসারন্ধ্রের জায়গা বাড়ে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে আরও কার্যকর করে তোলে এবং নাক ডাকা কমায়। ইন্টারনাল নেজাল ডাইলেটরও ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫। ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল পরিহার করতে হবে। ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে থেকে অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল গলার পেশিগুলো শিথিল করে দেয়, যা নাক ডাকার সৃষ্টি করে।
৬। ঘুমের ওষুধ বা উপশমকারী এড়িয়ে চলতে হবে। যদি আপনি ঘুমের ওষুধ বা সেডেটিভ গ্রহণ করেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অ্যালকোহলের মতো এই ওষুধগুলোও গলার পেশিকে শিথিল করে নাক ডাকার সমস্যা বাড়াতে পারে।
৭। ধূমপান অভ্যাস নাক ডাকার সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান ত্যাগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৮। অতিরিক্ত ওজন থাকলে গলার চারপাশে চর্বি জমতে পারে, যা শ্বাস পথকে সংকুচিত করে। সুষম খাদ্য গ্রহণ, ক্যালরি বা কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে এবং প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে তা নাক ডাকা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
এগুলো ছাড়াও ডা. আমিনুল ইসলাম শেখ মেডিটেশনের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মেডিটেশন বা ধ্যান শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার অনেক বড় সমাধান। মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনার অজানা অনেক সমস্যার সমাধানও হতে পারে। এর মাধ্যমে আপনি নাক ডাকা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।
চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান
যদি জীবনযাত্রার পরিবর্তনে কাজ না হয়, তবে নাক ডাকার অন্তর্নিহিত চিকিৎসা অবস্থার সমাধানের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
১। দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জির অ্যালার্জি নাকে বাতাসের প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে; যা মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য করে এবং নাক ডাকা বাড়িয়ে তোলে। অ্যান্টিহিস্টামিন, নেজাল স্প্রে বা কর্টিকোস্টেরয়েডের মতো অ্যালার্জির ওষুধ ব্যবহারের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
২। নাকের কাঠামোগত ত্রুটি সংশোধন: জন্মগত বা আঘাতের কারণে সৃষ্ট ডেভিয়েটেড সেপ্টাম (নাকের ভেতরের পার্টিশনের মিসঅ্যালাইনমেন্ট) বাতাসের প্রবাহকে বাধা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেপ্টোপ্লাস্টি নামক অস্ত্রোপচার প্রয়োজনীয় হতে পারে।
৩। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য সিপিএপি মেশিন: অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য সিপিএপি মেশিন আদর্শ চিকিৎসা। এটি ঘুমের সময় নাক বা মুখের ওপর চাপযুক্ত বাতাসের মাস্ক ব্যবহার করে শ্বাস পথ খোলা রাখে।
৪। ওরাল অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহার: দন্ত চিকিৎসক কর্তৃক বিশেষভাবে তৈরি ওরাল অ্যাপ্লায়েন্স ঘুমের সময় ওপরের শ্বাস পথের আকার বাড়িয়ে নাক ডাকা কমাতে সাহায্য করে। যাঁরা কনজারভেটিভ পদ্ধতিতে উপশম পাননি, তাঁদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয়।
৫। প্যালাটাল ইমপ্ল্যান্ট: এই অস্ত্রোপচারে নরম তালুতে ছোট ইমপ্লান্ট প্রবেশ করানো হয়, যা টিস্যুর কম্পন কমিয়ে নাক ডাকা হ্রাস করে। এটি হালকা থেকে মাঝারি স্লিপ অ্যাপনিয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত।
৬। ইউভুলোপ্যালাটোফ্যারিঙ্গোপ্লাস্টি: এটি একটি অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়া, যেখানে গলা থেকে অতিরিক্ত টিস্যু অপসারণ করে শ্বাস পথ প্রশস্ত করা হয়, যাতে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে।
৭। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন: এই ন্যূনতম আক্রমণাত্মক চিকিৎসায় কম তীব্রতার রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে নরম তালুর টিস্যুকে সংকুচিত করা হয়। একে সোমনোপ্লাস্টিও বলা হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ কখন জরুরি
নাক ডাকা সাধারণ হলেও এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে; যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদি আপনার নাক ডাকা খুব জোরালো হয়, শ্বাস-প্রশ্বাসে সাময়িক বিরতি আসে, অথবা আপনি দিনের বেলায় প্রচণ্ড ক্লান্তি বা ঘুম অনুভব করেন, তবে দ্রুত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সঠিক রোগনির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসা আপনার ঘুম ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে পারে।
সূত্র: হেলথ লাইন, ডেইলি মেইল

ঘুমিয়ে পড়া কি আপনাকে লোকের সামনে হাসির পাত্র বানিয়ে তুলছে? এ জন্য কি কারও সঙ্গে ঘুমাতে সংকোচ বোধ করছেন? সোজাভাবে জিজ্ঞাসা করি, ঘুমালে কি আপনার নাক ডাকে? নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা। কিন্তু এটি কেবল আপনার বা আপনার সঙ্গীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। যেমন অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই সমস্যায় ভোগেন। পুরুষের মধ্যে এর প্রবণতা বেশি। পুরুষ ও নারী নাক ডাকার অনুপাত ২.৩: ১।
নাক ডাকার প্রধান কারণ স্থূলতা হলেও এক-তৃতীয়াংশ হালকা-পাতলা মানুষও নাক ডাকেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাতাসের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে গলার শিথিল টিস্যুগুলো কেঁপে ওঠে এবং জোরে শব্দ সৃষ্টি হয়। শিশুবিশেষজ্ঞ আমিনুল ইসলাম শেখ বলেন, শরীরের অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বাড়তি ওজন নাকের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়। এতে শ্বাসপ্রশ্বাস চলাচলের সময় শব্দের সৃষ্টি হয়। তাই ওজন কমালে এই সমস্যা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া সম্ভব।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঘরোয়া প্রতিকার
নাক ডাকার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘুমের অভ্যাস এবং জীবনধারা।
১। এক পাশে কাত হয়ে ঘুমানো উচিত। চিত হয়ে ঘুমালে অনেক সময় জিহ্বা পেছনের দিকে চলে যায় এবং আংশিকভাবে শ্বাস পথ বন্ধ করে দেয়। এক পাশে কাত হয়ে ঘুমালে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে, যা নাক ডাকা কমাতে বা থামাতে সাহায্য করে।
২। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের ঘাটতি হলে গলার পেশি শিথিল হয়ে যায়, যা শ্বাস পথকে সংকুচিত করে এবং নাক ডাকার ঝুঁকি বাড়ায়। আমিনুল ইসলাম শেখ বলেন, দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে নাক ডাকা বেড়ে যেতে পারে। তা ছাড়া হঠাৎ যেকোনো সময় শুরুও হতে পারে।
৩। বিছানার মাথার দিকটি কয়েক ইঞ্চি উঁচু করে ঘুমালে শ্বাস পথ খোলা রাখতে সাহায্য করে। এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি পিলো বা বেড রাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪। নাকের ওপর স্টিক-অন নেজাল স্ট্রিপ বা নাসারন্ধ্রের ওপর এক্সটারনাল নেজাল ডাইলেটর ব্যবহার করলে নাসারন্ধ্রের জায়গা বাড়ে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে আরও কার্যকর করে তোলে এবং নাক ডাকা কমায়। ইন্টারনাল নেজাল ডাইলেটরও ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫। ঘুমানোর আগে অ্যালকোহল পরিহার করতে হবে। ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে থেকে অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল গলার পেশিগুলো শিথিল করে দেয়, যা নাক ডাকার সৃষ্টি করে।
৬। ঘুমের ওষুধ বা উপশমকারী এড়িয়ে চলতে হবে। যদি আপনি ঘুমের ওষুধ বা সেডেটিভ গ্রহণ করেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অ্যালকোহলের মতো এই ওষুধগুলোও গলার পেশিকে শিথিল করে নাক ডাকার সমস্যা বাড়াতে পারে।
৭। ধূমপান অভ্যাস নাক ডাকার সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান ত্যাগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৮। অতিরিক্ত ওজন থাকলে গলার চারপাশে চর্বি জমতে পারে, যা শ্বাস পথকে সংকুচিত করে। সুষম খাদ্য গ্রহণ, ক্যালরি বা কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে এবং প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে তা নাক ডাকা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
এগুলো ছাড়াও ডা. আমিনুল ইসলাম শেখ মেডিটেশনের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, মেডিটেশন বা ধ্যান শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার অনেক বড় সমাধান। মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনার অজানা অনেক সমস্যার সমাধানও হতে পারে। এর মাধ্যমে আপনি নাক ডাকা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।
চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান
যদি জীবনযাত্রার পরিবর্তনে কাজ না হয়, তবে নাক ডাকার অন্তর্নিহিত চিকিৎসা অবস্থার সমাধানের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
১। দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জির অ্যালার্জি নাকে বাতাসের প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে; যা মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য করে এবং নাক ডাকা বাড়িয়ে তোলে। অ্যান্টিহিস্টামিন, নেজাল স্প্রে বা কর্টিকোস্টেরয়েডের মতো অ্যালার্জির ওষুধ ব্যবহারের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
২। নাকের কাঠামোগত ত্রুটি সংশোধন: জন্মগত বা আঘাতের কারণে সৃষ্ট ডেভিয়েটেড সেপ্টাম (নাকের ভেতরের পার্টিশনের মিসঅ্যালাইনমেন্ট) বাতাসের প্রবাহকে বাধা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেপ্টোপ্লাস্টি নামক অস্ত্রোপচার প্রয়োজনীয় হতে পারে।
৩। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য সিপিএপি মেশিন: অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য সিপিএপি মেশিন আদর্শ চিকিৎসা। এটি ঘুমের সময় নাক বা মুখের ওপর চাপযুক্ত বাতাসের মাস্ক ব্যবহার করে শ্বাস পথ খোলা রাখে।
৪। ওরাল অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহার: দন্ত চিকিৎসক কর্তৃক বিশেষভাবে তৈরি ওরাল অ্যাপ্লায়েন্স ঘুমের সময় ওপরের শ্বাস পথের আকার বাড়িয়ে নাক ডাকা কমাতে সাহায্য করে। যাঁরা কনজারভেটিভ পদ্ধতিতে উপশম পাননি, তাঁদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয়।
৫। প্যালাটাল ইমপ্ল্যান্ট: এই অস্ত্রোপচারে নরম তালুতে ছোট ইমপ্লান্ট প্রবেশ করানো হয়, যা টিস্যুর কম্পন কমিয়ে নাক ডাকা হ্রাস করে। এটি হালকা থেকে মাঝারি স্লিপ অ্যাপনিয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত।
৬। ইউভুলোপ্যালাটোফ্যারিঙ্গোপ্লাস্টি: এটি একটি অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়া, যেখানে গলা থেকে অতিরিক্ত টিস্যু অপসারণ করে শ্বাস পথ প্রশস্ত করা হয়, যাতে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে।
৭। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন: এই ন্যূনতম আক্রমণাত্মক চিকিৎসায় কম তীব্রতার রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে নরম তালুর টিস্যুকে সংকুচিত করা হয়। একে সোমনোপ্লাস্টিও বলা হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ কখন জরুরি
নাক ডাকা সাধারণ হলেও এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে; যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদি আপনার নাক ডাকা খুব জোরালো হয়, শ্বাস-প্রশ্বাসে সাময়িক বিরতি আসে, অথবা আপনি দিনের বেলায় প্রচণ্ড ক্লান্তি বা ঘুম অনুভব করেন, তবে দ্রুত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সঠিক রোগনির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসা আপনার ঘুম ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে পারে।
সূত্র: হেলথ লাইন, ডেইলি মেইল

শীতের হিমেল হাওয়া বইতে চলেছে। এমন দিনে ঘরে ঘরে বাড়ে গরম পানির চাহিদা। শীতের ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে অনেকে পান করেন কুসুম গরম পানি, আবার কারও গোসলের পানি গরম ছাড়া চলে না। আর এটি শুধু যে আপনাকে ঠান্ডা থেকে আরাম দেয় এমনটা নয়, এর প্রভাব রয়েছে স্বাস্থ্যেও।
৯ ঘণ্টা আগে
গলা বা বুক জ্বালাপোড়া, টক কিংবা তিতা ঢেকুর, খাবার ওপরে উঠে আসা, গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি, খাবার গিলতে কষ্ট, এমনকি স্বর ভাঙা—এসব উপসর্গে হরহামেশা মানুষ ভোগে। এগুলো একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কাজের সক্ষমতা ব্যাহত করে। ইএনটি চিকিৎসায় আমরা অনেক সময় গলা পরীক্ষা করে কোনো ক্ষত...
৬ ঘণ্টা আগে
শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। এই মৌসুমে মানবদেহের ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল, ঘুম থেকে উঠেই একরাশ মন খারাপ জেঁকে বসল। কিংবা প্রতিদিনের মতো এক বিকেল বেলা। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল। হয় না? এমন তো প্রায়ই হয়। শীতকাল মানেই বড় রাত আর দিন ছোট। দীর্ঘ শীতের রাত যখন আপনার মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে বলে সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার বা স্যাড।
৮ ঘণ্টা আগে