আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল, যা বায়ুর মানের দিক থেকে দুর্যোগপূর্ণ।
সকালে ঢাকার বায়ুর মান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২২৫, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির বায়ুর মান ছিল ৪০৫, যা ৩০০-এর বেশি হওয়ায় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘বিপজ্জনক’ ক্যাটাগরিতে পড়ে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি তাদের লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচকের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বিশ্বের শহরগুলোর বায়ুদূষণের অবস্থা তুলে ধরছে, যা নাগরিকদের সচেতন ও সতর্ক করে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এই স্থানগুলো হলো—ইস্টার্ন হাউজিং (২৫৭); দক্ষিণ পল্লবী (২৫২); বেজ এজ ওয়াটার (২৪৮); বেচারাম দেউড়ি (২৩৯); কল্যাণপুর (২২৫); গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (২১৬) এবং গোড়ান (২১১)।
সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী, বায়ুদূষণে শীর্ষ ১০টি শহরের মধ্যে রয়েছে—দিল্লি, ভারত: ৪১৮ একিউআই (বিপজ্জনক); ঢাকা, বাংলাদেশ: ২২০ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); কলকাতা, ভারত: ২১৭ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); লাহোর, পাকিস্তান: ২০৩ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); করাচি, পাকিস্তান: ২০০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); মুম্বাই, ভারত: ২০০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); তেহরান, ইরান: ১৮৬ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); তাসখন্দ, উজবেকিস্তান: ১৮৬ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); কাবুল, আফগানিস্তান: ১৮০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর) এবং চেংদু, চীন: ১৭৮ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর)।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলো এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল, যা বায়ুর মানের দিক থেকে দুর্যোগপূর্ণ।
সকালে ঢাকার বায়ুর মান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২২৫, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির বায়ুর মান ছিল ৪০৫, যা ৩০০-এর বেশি হওয়ায় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘বিপজ্জনক’ ক্যাটাগরিতে পড়ে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি তাদের লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচকের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বিশ্বের শহরগুলোর বায়ুদূষণের অবস্থা তুলে ধরছে, যা নাগরিকদের সচেতন ও সতর্ক করে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এই স্থানগুলো হলো—ইস্টার্ন হাউজিং (২৫৭); দক্ষিণ পল্লবী (২৫২); বেজ এজ ওয়াটার (২৪৮); বেচারাম দেউড়ি (২৩৯); কল্যাণপুর (২২৫); গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (২১৬) এবং গোড়ান (২১১)।
সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী, বায়ুদূষণে শীর্ষ ১০টি শহরের মধ্যে রয়েছে—দিল্লি, ভারত: ৪১৮ একিউআই (বিপজ্জনক); ঢাকা, বাংলাদেশ: ২২০ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); কলকাতা, ভারত: ২১৭ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); লাহোর, পাকিস্তান: ২০৩ একিউআই (খুব অস্বাস্থ্যকর); করাচি, পাকিস্তান: ২০০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); মুম্বাই, ভারত: ২০০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); তেহরান, ইরান: ১৮৬ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); তাসখন্দ, উজবেকিস্তান: ১৮৬ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর); কাবুল, আফগানিস্তান: ১৮০ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর) এবং চেংদু, চীন: ১৭৮ একিউআই (অস্বাস্থ্যকর)।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলো এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৮ ঘণ্টা আগে
আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল
১ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল মিসরের রাজধানী কায়রো, যা বায়ুর মানের দিক থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’।
আইকিউএয়ার কর্তৃক প্রকাশিত লাইভ সিটি র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যানুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক দূষিত শহরগুলোর মধ্যে বাংলাদেশসহ তিন প্রতিবেশী দেশের রাজধানীর অবস্থা উদ্বেগজনক। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে রয়েছে মিসরের কায়রো, যেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ২৮৬, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, স্কোর ২৬৪ এবং ক্যাটাগরি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’। তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতের দিল্লির একিউআই স্কোর ২৫৫।
এ ছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলো যথাক্রমে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ (২৫২), পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা (২৪৩), পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর (১৯৯), চীনের চেংদু (১৮১), ভিয়েতনামের হেনয় (১৮০), পাকিস্তানের করাচি (১৭৫) এবং ইরানের রাজধানী তেহরান (১৭৩) ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি স্টেশন এলাকায় বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ দেখা গেছে। এই স্থানগুলো হলো—ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেজ এজ ওয়াটার; বেচারাম দেউড়ি, কল্যাণপুর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং গোড়ান। এসব রেকর্ড এলাকায় বায়ুমান ৯৫ থেকে ৩৪৯।
সে হিসাবে সকাল ৯টার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২৯৩, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়:
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল মিসরের রাজধানী কায়রো, যা বায়ুর মানের দিক থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’।
আইকিউএয়ার কর্তৃক প্রকাশিত লাইভ সিটি র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যানুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক দূষিত শহরগুলোর মধ্যে বাংলাদেশসহ তিন প্রতিবেশী দেশের রাজধানীর অবস্থা উদ্বেগজনক। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে রয়েছে মিসরের কায়রো, যেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ২৮৬, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, স্কোর ২৬৪ এবং ক্যাটাগরি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’। তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতের দিল্লির একিউআই স্কোর ২৫৫।
এ ছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলো যথাক্রমে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ (২৫২), পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা (২৪৩), পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর (১৯৯), চীনের চেংদু (১৮১), ভিয়েতনামের হেনয় (১৮০), পাকিস্তানের করাচি (১৭৫) এবং ইরানের রাজধানী তেহরান (১৭৩) ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি স্টেশন এলাকায় বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ দেখা গেছে। এই স্থানগুলো হলো—ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেজ এজ ওয়াটার; বেচারাম দেউড়ি, কল্যাণপুর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং গোড়ান। এসব রেকর্ড এলাকায় বায়ুমান ৯৫ থেকে ৩৪৯।
সে হিসাবে সকাল ৯টার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২৯৩, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়:
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৫ দিন আগে
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৮ ঘণ্টা আগে
আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল
১ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শনিবার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রতি ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ছয় ঘণ্টা, অর্থাৎ বেলা ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শনিবার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রতি ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ছয় ঘণ্টা, অর্থাৎ বেলা ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৫ দিন আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল
১ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি প্রধান রেইনফরেস্ট অঞ্চল—দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকা এখন আর জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে না; বরং সংকটকে আরও তীব্র করছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মানুষই এই অবস্থার জন্য দায়ী। খাদ্য উৎপাদনের জন্য বেশি বেশি জমির ব্যবহার, খনিজ উত্তোলন, অবকাঠামো নির্মাণ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ছে। সব মিলিয়ে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা দ্রুত কমে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে আফ্রিকার বনভূমিগুলো প্রতিবছর প্রায় ১০৬ বিলিয়ন কেজি জৈবভর (বায়োমাস) হারিয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো হলো—ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর আর্দ্র-ক্রান্তীয় বন, মাদাগাস্কার এবং পশ্চিম আফ্রিকার কিছু অঞ্চল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২১ নভেম্বর সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্যের লেস্টার, শেফিল্ড ও এডিনবরার বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্থ অবজারভেশনের গবেষকেরা। উপগ্রহচিত্র ও মেশিন লার্নিংয়ের সাহায্যে তাঁরা গাছপালা ও কাঠজাত উদ্ভিদে সঞ্চিত কার্বনের ১০ বছরের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেন।
তাঁরা দেখেছেন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আফ্রিকার বনগুলো কার্বন শোষণ করছিল। ২০১০-এর পর ব্যাপক বন ধ্বংসের ফলে মহাদেশটি এখন কার্বন নির্গমন করছে। গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, বন উজাড় রোধে অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্বন বাফারগুলোর একটি হারিয়ে যেতে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্রাজিল ‘ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফ্যাসিলিটি’ (টিএফএফএফ) নামের একটি উদ্যোগ চালু করেছে, যার লক্ষ্য—সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে অর্থ দিয়ে বন অক্ষত রাখতে উৎসাহিত করা। এ জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিলও গঠন করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে কয়েকটি দেশ।
গবেষণার লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্টাল ফিউচারসের পরিচালক হাইকো বালৎসার বলেন, এই ফলাফল দেখায় যে—টিএফএফএফকে দ্রুত বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া দরকার। তাঁর ভাষায়, নীতিনির্ধারকদের উচিত বিশ্বের ক্রান্তীয় বন রক্ষায় আরও কঠোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
হাইকো মনে করিয়ে দেন, চার বছর আগে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ২৬-এ বিশ্বনেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বন ধ্বংস বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের এমন অঙ্গীকারেও খুব একটা কাজ হয়নি।
প্রসঙ্গত, টিএফএফএফের লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাদের বন অক্ষত রাখার জন্য অর্থ দেওয়া—যাতে খনিজ উত্তোলন, ধাতু সংগ্রহ কিংবা কৃষিজমি বাড়ানোর চাপ কমানো যায়। কিন্তু সবগুলো দেশ এতে অংশ না নিলে এই উদ্যোগ কার্যকর হবে না বলে জানান গবেষকেরা।

আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি প্রধান রেইনফরেস্ট অঞ্চল—দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকা এখন আর জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে না; বরং সংকটকে আরও তীব্র করছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মানুষই এই অবস্থার জন্য দায়ী। খাদ্য উৎপাদনের জন্য বেশি বেশি জমির ব্যবহার, খনিজ উত্তোলন, অবকাঠামো নির্মাণ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ছে। সব মিলিয়ে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা দ্রুত কমে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে আফ্রিকার বনভূমিগুলো প্রতিবছর প্রায় ১০৬ বিলিয়ন কেজি জৈবভর (বায়োমাস) হারিয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো হলো—ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর আর্দ্র-ক্রান্তীয় বন, মাদাগাস্কার এবং পশ্চিম আফ্রিকার কিছু অঞ্চল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২১ নভেম্বর সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্যের লেস্টার, শেফিল্ড ও এডিনবরার বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্থ অবজারভেশনের গবেষকেরা। উপগ্রহচিত্র ও মেশিন লার্নিংয়ের সাহায্যে তাঁরা গাছপালা ও কাঠজাত উদ্ভিদে সঞ্চিত কার্বনের ১০ বছরের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেন।
তাঁরা দেখেছেন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আফ্রিকার বনগুলো কার্বন শোষণ করছিল। ২০১০-এর পর ব্যাপক বন ধ্বংসের ফলে মহাদেশটি এখন কার্বন নির্গমন করছে। গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, বন উজাড় রোধে অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্বন বাফারগুলোর একটি হারিয়ে যেতে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্রাজিল ‘ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফ্যাসিলিটি’ (টিএফএফএফ) নামের একটি উদ্যোগ চালু করেছে, যার লক্ষ্য—সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে অর্থ দিয়ে বন অক্ষত রাখতে উৎসাহিত করা। এ জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিলও গঠন করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে কয়েকটি দেশ।
গবেষণার লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্টাল ফিউচারসের পরিচালক হাইকো বালৎসার বলেন, এই ফলাফল দেখায় যে—টিএফএফএফকে দ্রুত বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া দরকার। তাঁর ভাষায়, নীতিনির্ধারকদের উচিত বিশ্বের ক্রান্তীয় বন রক্ষায় আরও কঠোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
হাইকো মনে করিয়ে দেন, চার বছর আগে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ২৬-এ বিশ্বনেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বন ধ্বংস বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের এমন অঙ্গীকারেও খুব একটা কাজ হয়নি।
প্রসঙ্গত, টিএফএফএফের লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাদের বন অক্ষত রাখার জন্য অর্থ দেওয়া—যাতে খনিজ উত্তোলন, ধাতু সংগ্রহ কিংবা কৃষিজমি বাড়ানোর চাপ কমানো যায়। কিন্তু সবগুলো দেশ এতে অংশ না নিলে এই উদ্যোগ কার্যকর হবে না বলে জানান গবেষকেরা।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৫ দিন আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল
১ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল, যা বায়ুর মানের দিক থেকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’।
আইকিউএয়ার কর্তৃক প্রকাশিত লাইভ সিটি র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যানুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক দূষিত শহরগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর অবস্থান উদ্বেগজনক। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৪২০, যা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, স্কোর ২৯৩ এবং ক্যাটাগরি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’। তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের একিউআই স্কোর ২১২।
এ ছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলো যথাক্রমে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা (১৯৫), পাকিস্তানের করাচি (১৮২), বাহরাইনের মানামা (১৭৫), চীনের চেংদু (১৭০), ইরানের তেহরান (১৬৬), নেপালের কাঠমান্ডু (১৬৬) এবং সৌদি আরবের রিয়াদ (১৬৪) ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এই স্থানগুলো হলো ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেজ এজ ওয়াটার; বেচারাম দেউড়ি, কল্যাণপুর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং গোড়ান। এসব রেকর্ড এলাকায় বায়ুমান ১৬০ থেকে ৩৮৪।
সকাল ৯টার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২৯৩, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। অন্যদিকে নয়াদিল্লির বায়ুর মান ছিল ৪০৫, যা ৩০০-এর বেশি হওয়ায় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘বিপজ্জনক’ ক্যাটাগরিতে পড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ফের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এদিন ঢাকার আগে কেবল ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ছিল, যা বায়ুর মানের দিক থেকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’।
আইকিউএয়ার কর্তৃক প্রকাশিত লাইভ সিটি র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যানুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক দূষিত শহরগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর অবস্থান উদ্বেগজনক। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৪২০, যা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, স্কোর ২৯৩ এবং ক্যাটাগরি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’। তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের একিউআই স্কোর ২১২।
এ ছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলো যথাক্রমে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা (১৯৫), পাকিস্তানের করাচি (১৮২), বাহরাইনের মানামা (১৭৫), চীনের চেংদু (১৭০), ইরানের তেহরান (১৬৬), নেপালের কাঠমান্ডু (১৬৬) এবং সৌদি আরবের রিয়াদ (১৬৪) ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর মান বিশেষভাবে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এই স্থানগুলো হলো ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেজ এজ ওয়াটার; বেচারাম দেউড়ি, কল্যাণপুর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং গোড়ান। এসব রেকর্ড এলাকায় বায়ুমান ১৬০ থেকে ৩৮৪।
সকাল ৯টার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ২৯৩, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। বাতাসের মান ২০০-এর বেশি হলেই সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। অন্যদিকে নয়াদিল্লির বায়ুর মান ছিল ৪০৫, যা ৩০০-এর বেশি হওয়ায় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘বিপজ্জনক’ ক্যাটাগরিতে পড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বায়ুদূষণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে থাকছে এবং বায়ুর মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য ঘরের বাইরে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২ দশমিক ৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষস্থানে আবারও উঠে গেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৫ দিন আগে
বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে কয়েক দিন ধরে দ্বিতীয় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের তাপমাত্রা আরও কমেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে আজ ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৮ ঘণ্টা আগে
আফ্রিকার বনভূমি এখন আর কার্বন শোষণকারী নয়, বরং কার্বন নিঃসরণের উৎসে পরিণত হয়েছে—নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ তথ্য প্রকাশের পর প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু রক্ষাকারী হিসেবে পরিচিত এসব বন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১০ সালের পর থেকে ঘটে যাওয়া এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর তিনটি
২১ ঘণ্টা আগে