
সম্প্রতি প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। বানিয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এটি সুনেরাহ অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক। নতুন এই ধারাবাহিকসহ নানা বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
শিহাব আহমেদ, ঢাকা

এ মাসে প্রচার শুরু হয়েছে আপনার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। নাটকটি সম্পর্কে জানতে চাই।
এই নাটকে পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ভিন্নধর্মী কিছু করার প্রয়াস থেকেই এই নাটকে যুক্ত হওয়া। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এটি পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। আমি অভিনয় করছি সায়রা চরিত্রে। ধারাবাহিকটি প্রচার করা হচ্ছে সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে।
প্রচারের শুরুতেই দর্শকের আগ্রহ সৃষ্টি করেছে ধারাবাহিকটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নাটকটি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। আপনার অনুভূতি কী?
দর্শকদের ভালো লাগার কথা মাথায় রেখে কাজ করি আমি। সব সময় চেষ্টা করি মন দিয়ে অভিনয় করার। যখন দর্শকের পছন্দ হয় সেটাই একজন শিল্পীর জন্য বড় পাওয়া হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুটিং করতে হয়, একবারের জন্য বিরক্ত হওয়া যায় না, ঠিকঠাকভাবে এক্সপ্রেশন দিতে হয়। গল্পটি সঠিকভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে অনেক কিছু মেইনটেইন করতে হয়। প্রচারের পর দর্শকের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেলে সেই আনন্দটা হয় অন্য রকম।
এর আগে কোনো ধারাবাহিকে কাজ করেননি। এই ধারাবাহিকে কাজ করার বিশেষ কোনো কারণ আছে কি?
প্রথমবার ধারাবাহিক করছি—এভাবে চিন্তা করিনি। এর আগে ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আমার আছে। নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ ভাই যখন গল্পটি শোনালেন, তখন খুব ভালো লাগল। সায়রা চরিত্রটি শুনে মজা লাগল, খুব ইন্টারেস্টিং। এ ছাড়া আমি এখন চেষ্টা করছি ভিন্ন ভিন্ন কাজের মাধ্যমে সব শ্রেণির দর্শকের কাছে পৌঁছাতে। আমার মনে হয়, এই ধারাবাহিকটি দিয়ে ভিন্ন একটা ঘরানার দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারব। ওইদিক থেকে ভাবলে মনে হয় আমার সিদ্ধান্তটা সঠিক। এ মাসেই প্রচার শুরু হয়েছে। আমার বিশ্বাস, সামনে আরও ভালো লাগবে দর্শকদের।
সাধারণত সিনেমা এবং ওটিটিতে পাওয়া যেত আপনাকে। গত বছর থেকে নাটকে নিয়মিত হয়েছেন। নাটকে যুক্ত হওয়ার পেছনে কী কারণ?
বিশেষ কোনো কারণ নেই। আমি সব সময় শিখি। নতুন কিছু শিখতে পছন্দ করি। সিনিয়ররা পরামর্শ বা বুদ্ধি দিলেন নাটকে অভিনয়ের চেষ্টা করো, এই অঙ্গনে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নেওয়ার দরকার আছে। আমিও চেষ্টা করলাম নতুন কিছু শিখতে। এ ছাড়া আমাদের এখানে ওয়েবের কাজ কম হয়। সিনেমা আরও কম হয়। নাটকটাই বেশি হয়। তবে শুধু যে নাটক নিয়েই আমার ব্যস্ততা, তা কিন্তু নয়। সব মাধ্যমেই কাজ করা হচ্ছে। গল্প ভালো লাগলে নতুন কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি, সেটা যে প্ল্যাটফর্মেই হোক।
নাটকে চরিত্র ধারণের জন্য সময় কম পাওয়া যায়। এই বিষয়টা কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
চ্যালেঞ্জ বলব না, এই বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে। প্রতিটি বিভাগের কাজ আলাদা ধরনের। অনেক সময় ধরে একটি চরিত্রে প্রবেশে যেমন আনন্দ পাই, তেমনি হুট করে যে করতে পারছি, এটাও একধরনের তৃপ্তি দেয়।
নাটকে কি নিয়মিত পাওয়া যাবে, নাকি ভিন্ন পরিকল্পনা আছে?
আমি আসলে খুব পরিকল্পনা করে কাজ করি না। তাই নিয়মিত দেখা যেতে পারে, আবার নাও হতে পারে। সিনেমায় ঢুকে পড়লে নাটকে বিরতি পড়তে পারে। যেখানে যতটুকু সময় দিতে হয় ততটুকু সময় তো দিতে হবে। প্রতিটি প্রজেক্টেই প্রয়োজন অনুসারে সময় দিতে চাই। সেভাবেই সবকিছু ম্যানেজ করার চেষ্টা করছি।
নতুন একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং শেষ করেছেন। সিরিজটি নিয়ে কিছু বলুন।
রাবা খানের গল্পে এটি পরিচালনা করেছেন আরাফাত মহসিন নিধি। এখন এটা নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। সিরিজটি আমার কাছে স্পেশাল। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে এ নিয়ে কথা বলব।
‘দাগি’ ও ‘উৎসব’ সিনেমায় আপনাকে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। স্বল্প উপস্থিতির চরিত্রগুলোতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত কতটুকু প্রভাব ফেলেছে ক্যারিয়ারে?
এই সিদ্ধান্ত আমার ক্যারিয়ারে অনেক প্রভাব পড়েছে। স্বল্প সময়ের স্ক্রিন প্রেজেন্স হলেও দুটি সিনেমাতেই আমার চরিত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমন কাজই করতে চাই যেটা ইমপ্যাক্টফুল হবে আমার জন্য। আমাকে সেখানেই পাওয়া যাবে যেখানে চরিত্রের গুরুত্ব থাকবে। আমি কতটুকু স্ক্রিনে থাকছি সেটা বিষয় না, আমার অভিনীত চরিত্রটি গল্পে কতটুকু প্রভাব ফেলছে, সেটাই বড় কথা। আমি চাই দর্শক যেন আমাকে না দেখে চরিত্রটাকে দেখে। অভিনয় আমার কাছে আত্মার ভাষা, যেখানে আমি প্রতিবার ভাঙি, আবার নতুন হয়ে গড়ি।
এ মাসে প্রচার শুরু হয়েছে আপনার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। নাটকটি সম্পর্কে জানতে চাই।
এই নাটকে পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ভিন্নধর্মী কিছু করার প্রয়াস থেকেই এই নাটকে যুক্ত হওয়া। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এটি পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। আমি অভিনয় করছি সায়রা চরিত্রে। ধারাবাহিকটি প্রচার করা হচ্ছে সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে।
প্রচারের শুরুতেই দর্শকের আগ্রহ সৃষ্টি করেছে ধারাবাহিকটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নাটকটি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। আপনার অনুভূতি কী?
দর্শকদের ভালো লাগার কথা মাথায় রেখে কাজ করি আমি। সব সময় চেষ্টা করি মন দিয়ে অভিনয় করার। যখন দর্শকের পছন্দ হয় সেটাই একজন শিল্পীর জন্য বড় পাওয়া হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুটিং করতে হয়, একবারের জন্য বিরক্ত হওয়া যায় না, ঠিকঠাকভাবে এক্সপ্রেশন দিতে হয়। গল্পটি সঠিকভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে অনেক কিছু মেইনটেইন করতে হয়। প্রচারের পর দর্শকের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেলে সেই আনন্দটা হয় অন্য রকম।
এর আগে কোনো ধারাবাহিকে কাজ করেননি। এই ধারাবাহিকে কাজ করার বিশেষ কোনো কারণ আছে কি?
প্রথমবার ধারাবাহিক করছি—এভাবে চিন্তা করিনি। এর আগে ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আমার আছে। নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ ভাই যখন গল্পটি শোনালেন, তখন খুব ভালো লাগল। সায়রা চরিত্রটি শুনে মজা লাগল, খুব ইন্টারেস্টিং। এ ছাড়া আমি এখন চেষ্টা করছি ভিন্ন ভিন্ন কাজের মাধ্যমে সব শ্রেণির দর্শকের কাছে পৌঁছাতে। আমার মনে হয়, এই ধারাবাহিকটি দিয়ে ভিন্ন একটা ঘরানার দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারব। ওইদিক থেকে ভাবলে মনে হয় আমার সিদ্ধান্তটা সঠিক। এ মাসেই প্রচার শুরু হয়েছে। আমার বিশ্বাস, সামনে আরও ভালো লাগবে দর্শকদের।
সাধারণত সিনেমা এবং ওটিটিতে পাওয়া যেত আপনাকে। গত বছর থেকে নাটকে নিয়মিত হয়েছেন। নাটকে যুক্ত হওয়ার পেছনে কী কারণ?
বিশেষ কোনো কারণ নেই। আমি সব সময় শিখি। নতুন কিছু শিখতে পছন্দ করি। সিনিয়ররা পরামর্শ বা বুদ্ধি দিলেন নাটকে অভিনয়ের চেষ্টা করো, এই অঙ্গনে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নেওয়ার দরকার আছে। আমিও চেষ্টা করলাম নতুন কিছু শিখতে। এ ছাড়া আমাদের এখানে ওয়েবের কাজ কম হয়। সিনেমা আরও কম হয়। নাটকটাই বেশি হয়। তবে শুধু যে নাটক নিয়েই আমার ব্যস্ততা, তা কিন্তু নয়। সব মাধ্যমেই কাজ করা হচ্ছে। গল্প ভালো লাগলে নতুন কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি, সেটা যে প্ল্যাটফর্মেই হোক।
নাটকে চরিত্র ধারণের জন্য সময় কম পাওয়া যায়। এই বিষয়টা কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে?
চ্যালেঞ্জ বলব না, এই বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে। প্রতিটি বিভাগের কাজ আলাদা ধরনের। অনেক সময় ধরে একটি চরিত্রে প্রবেশে যেমন আনন্দ পাই, তেমনি হুট করে যে করতে পারছি, এটাও একধরনের তৃপ্তি দেয়।
নাটকে কি নিয়মিত পাওয়া যাবে, নাকি ভিন্ন পরিকল্পনা আছে?
আমি আসলে খুব পরিকল্পনা করে কাজ করি না। তাই নিয়মিত দেখা যেতে পারে, আবার নাও হতে পারে। সিনেমায় ঢুকে পড়লে নাটকে বিরতি পড়তে পারে। যেখানে যতটুকু সময় দিতে হয় ততটুকু সময় তো দিতে হবে। প্রতিটি প্রজেক্টেই প্রয়োজন অনুসারে সময় দিতে চাই। সেভাবেই সবকিছু ম্যানেজ করার চেষ্টা করছি।
নতুন একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং শেষ করেছেন। সিরিজটি নিয়ে কিছু বলুন।
রাবা খানের গল্পে এটি পরিচালনা করেছেন আরাফাত মহসিন নিধি। এখন এটা নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। সিরিজটি আমার কাছে স্পেশাল। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে এ নিয়ে কথা বলব।
‘দাগি’ ও ‘উৎসব’ সিনেমায় আপনাকে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। স্বল্প উপস্থিতির চরিত্রগুলোতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত কতটুকু প্রভাব ফেলেছে ক্যারিয়ারে?
এই সিদ্ধান্ত আমার ক্যারিয়ারে অনেক প্রভাব পড়েছে। স্বল্প সময়ের স্ক্রিন প্রেজেন্স হলেও দুটি সিনেমাতেই আমার চরিত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমন কাজই করতে চাই যেটা ইমপ্যাক্টফুল হবে আমার জন্য। আমাকে সেখানেই পাওয়া যাবে যেখানে চরিত্রের গুরুত্ব থাকবে। আমি কতটুকু স্ক্রিনে থাকছি সেটা বিষয় না, আমার অভিনীত চরিত্রটি গল্পে কতটুকু প্রভাব ফেলছে, সেটাই বড় কথা। আমি চাই দর্শক যেন আমাকে না দেখে চরিত্রটাকে দেখে। অভিনয় আমার কাছে আত্মার ভাষা, যেখানে আমি প্রতিবার ভাঙি, আবার নতুন হয়ে গড়ি।

শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
আজ দুপুর থেকে তীব্র বুক ব্যথায় ভুগছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। সেখানেই মারা যান তিনি।
১ দিন আগেবিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে স্থগিতের ঘোষণা এসেছে তিনটি কনসার্টের। বাকি তিন কনসার্ট নিয়েও দর্শক-শ্রোতাদের মনে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
১৪ নভেম্বর ঢাকায় গান শোনানোর কথা ছিল পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আলী আজমতের। ‘লেজেন্ডস লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক এই কনসার্টে নগর বাউল জেমসেরও গাওয়ার কথা ছিল। কনসার্টে অংশ নিতে তিন দিন আগেই ঢাকায় পৌঁছান আলী আজমত। কিন্তু কনসার্টের দিন সকালে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানায়, স্থগিত করা হয়েছে আয়োজন।
এরপর স্থগিত করা হয় পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড জালের কনসার্ট। আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্টেইজ কো-এর আয়োজনে জাল ব্যান্ডের কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল ২৮ নভেম্বর রাজধানীর ৩০০ ফুটের স্বদেশ অ্যারেনায়। ‘সাউন্ড অব সোল’ শিরোনামের এ কনসার্টে আরও পারফর্ম করার কথা ছিল দেশের দুই ব্যান্ড ওয়ারফেজ ও লেভেল ফাইভের।
সর্বশেষ নিরাপত্তাজনিত কারণে বাতিল করা হয়েছে ভারতের সংগীতশিল্পী অনুভ জৈনের কনসার্ট। ১২ ডিসেম্বর ১০০ ফুটের কোর্টসাইড মাদানি অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই কনসার্ট। তবে ২৫ নভেম্বর এটি স্থগিত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান হাইপনেশন।
এদিকে আগামী কয়েক সপ্তাহে দেশের মঞ্চে পারফর্ম করার কথা আছে পাকিস্তানি ব্যান্ড কাভিশ ও সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের। আগামী ৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাদানি অ্যাভিনিউয়ের কোর্টসাইডে ‘ওয়েভ ফেস্ট: ফিল দ্য উইন্টার’ শিরোনামের কনসার্টে কাভিশ ব্যান্ডের সঙ্গে দেশের দুই ব্যান্ড শিরোনামহীন ও মেঘদল-এর গান শোনানোর কথা আছে। কনসার্টটি আয়োজন করেছে প্রাইম ওয়েভ কমিউনিকেশন।
১৩ ডিসেম্বর মেইন স্টেজ আয়োজিত এক কনসার্টে ঢাকায় গান শোনানোর কথা আতিফ আসলামের। এ ছাড়া ‘ইকোস অব রেভল্যুশন ২.০’ শিরোনামের চ্যারিটি কনসার্টে পারফর্ম করার কথা আছে আতিফের। আতিফের এই কনসার্টও বাতিলের গুঞ্জন উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়ায়, এখনো ভেন্যু কর্তৃপক্ষের অনুমতি পায়নি আয়োজকেরা। তবে আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ কয়েক দিন আগে নিশ্চিত করেছে, নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে আতিফ আসলামের কনসার্ট।
আয়োজকেরা আশ্বস্ত করলেও শেষ পর্যন্ত বিদেশি শিল্পীদের এই কনসার্টগুলো নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। তবে এ অনিশ্চয়তার মধ্যেও আয়োজকেরা অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকায় আয়োজিত কনসার্টগুলো স্থগিত হয়ে গেলেও ঢাকার বাইরে নিয়মিত কনসার্টে অংশ নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা। ঢাকার ভেতরেও বিভিন্ন করপোরেট শো এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করছেন তাঁরা।

শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে স্থগিতের ঘোষণা এসেছে তিনটি কনসার্টের। বাকি তিন কনসার্ট নিয়েও দর্শক-শ্রোতাদের মনে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
১৪ নভেম্বর ঢাকায় গান শোনানোর কথা ছিল পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আলী আজমতের। ‘লেজেন্ডস লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক এই কনসার্টে নগর বাউল জেমসেরও গাওয়ার কথা ছিল। কনসার্টে অংশ নিতে তিন দিন আগেই ঢাকায় পৌঁছান আলী আজমত। কিন্তু কনসার্টের দিন সকালে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানায়, স্থগিত করা হয়েছে আয়োজন।
এরপর স্থগিত করা হয় পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড জালের কনসার্ট। আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্টেইজ কো-এর আয়োজনে জাল ব্যান্ডের কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল ২৮ নভেম্বর রাজধানীর ৩০০ ফুটের স্বদেশ অ্যারেনায়। ‘সাউন্ড অব সোল’ শিরোনামের এ কনসার্টে আরও পারফর্ম করার কথা ছিল দেশের দুই ব্যান্ড ওয়ারফেজ ও লেভেল ফাইভের।
সর্বশেষ নিরাপত্তাজনিত কারণে বাতিল করা হয়েছে ভারতের সংগীতশিল্পী অনুভ জৈনের কনসার্ট। ১২ ডিসেম্বর ১০০ ফুটের কোর্টসাইড মাদানি অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই কনসার্ট। তবে ২৫ নভেম্বর এটি স্থগিত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান হাইপনেশন।
এদিকে আগামী কয়েক সপ্তাহে দেশের মঞ্চে পারফর্ম করার কথা আছে পাকিস্তানি ব্যান্ড কাভিশ ও সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের। আগামী ৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাদানি অ্যাভিনিউয়ের কোর্টসাইডে ‘ওয়েভ ফেস্ট: ফিল দ্য উইন্টার’ শিরোনামের কনসার্টে কাভিশ ব্যান্ডের সঙ্গে দেশের দুই ব্যান্ড শিরোনামহীন ও মেঘদল-এর গান শোনানোর কথা আছে। কনসার্টটি আয়োজন করেছে প্রাইম ওয়েভ কমিউনিকেশন।
১৩ ডিসেম্বর মেইন স্টেজ আয়োজিত এক কনসার্টে ঢাকায় গান শোনানোর কথা আতিফ আসলামের। এ ছাড়া ‘ইকোস অব রেভল্যুশন ২.০’ শিরোনামের চ্যারিটি কনসার্টে পারফর্ম করার কথা আছে আতিফের। আতিফের এই কনসার্টও বাতিলের গুঞ্জন উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়ায়, এখনো ভেন্যু কর্তৃপক্ষের অনুমতি পায়নি আয়োজকেরা। তবে আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ কয়েক দিন আগে নিশ্চিত করেছে, নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে আতিফ আসলামের কনসার্ট।
আয়োজকেরা আশ্বস্ত করলেও শেষ পর্যন্ত বিদেশি শিল্পীদের এই কনসার্টগুলো নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। তবে এ অনিশ্চয়তার মধ্যেও আয়োজকেরা অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকায় আয়োজিত কনসার্টগুলো স্থগিত হয়ে গেলেও ঢাকার বাইরে নিয়মিত কনসার্টে অংশ নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা। ঢাকার ভেতরেও বিভিন্ন করপোরেট শো এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করছেন তাঁরা।

সম্প্রতি প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। বানিয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এটি সুনেরাহ অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক। নতুন এই ধারাবাহিকসহ নানা বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
৮ দিন আগে
রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
আজ দুপুর থেকে তীব্র বুক ব্যথায় ভুগছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। সেখানেই মারা যান তিনি।
১ দিন আগেবিনোদন ডেস্ক

রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর। এ বছর এখন পর্যন্ত তাঁর সিনেমা মুক্তির তালিকা শূন্য। রণবীরের সব প্রত্যাশার কেন্দ্রে আছে স্পাই অ্যাকশন থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’। ৫ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা। মুক্তির মাত্র এক সপ্তাহ আগেই আইনি জটিলতায় পড়ল আদিত্য ধর পরিচালিত এ সিনেমা।
রণবীর সিংয়ের ধুরন্ধর সিনেমার মুক্তি আটকাতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শহীদ মেজর মোহিত শর্মার মা-বাবা। অভিযোগ, এই সিনেমা তৈরির আগে পরিবারের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাই আদালতে তাঁদের আবেদন, ধুরন্ধর সিনেমার মুক্তি যেন দ্রুত স্থগিত করা হয়।
টিজার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে ছিল ধুরন্ধর। অতিরিক্ত রক্তারক্তি ও হিংসাত্মক দৃশ্য দেখানোয় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্ক আছে সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়েও। যার অন্যতম কারণ রণবীর সিংয়ের চরিত্রটি। তাঁর চরিত্রকে নাকি ভারতীয় সেনাবাহিনীর শহীদ মেজর মোহিত শর্মার আদলে সাজানো হয়েছে। এমনকি ২০০০ সালের দিকে মোহিত যখন ছদ্মপরিচয়ে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন, সেই ঘটনাও আছে সিনেমায়। তবে ধুরন্ধর সিনেমার নির্মাতা কখনো বিষয়টি স্বীকার করেননি। আর তা নিয়েই আপত্তি মোহিত শর্মার পরিবারের।
মেজর শর্মার পরিবার তাঁদের পিটিশনে অভিযোগ করেছেন, মেজর শর্মার জীবনের সঙ্গে সিনেমাটির গল্প মিলে গেলেও, নির্মাতারা এই অনুপ্রেরণার কথা স্বীকার করেননি। ভারতীয় সেনাবাহিনী কিংবা মেজর শর্মার বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি না নিয়েই এই স্পেশাল ফোর্সেস অফিসারের জীবন, গোপন অভিযান এবং আত্মত্যাগের ঘটনা সরাসরি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ধুরন্ধর সিনেমায়।
মোহিত শর্মার পরিবারের দাবি, একজন শহীদকে কোনো বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পরিবারের অনুমতি না নিয়ে, শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো সৈনিকের জীবন নিয়ে সিনেমা বানানোর অধিকার কারও থাকা উচিত নয়।
তবে পরিচালক আদিত্য ধর বলেছেন, ‘রণবীরের চরিত্রের সঙ্গে মোহিতের কোনো মিল নেই। মেজর মোহিত শর্মার জীবন থেকে ধুরন্ধর মোটেই উদ্বুদ্ধ নয়। যদি কখনো তাঁর বায়োপিক তৈরি করি, তাহলে পরিবারের অনুমতি নিয়ে করব।’

রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর। এ বছর এখন পর্যন্ত তাঁর সিনেমা মুক্তির তালিকা শূন্য। রণবীরের সব প্রত্যাশার কেন্দ্রে আছে স্পাই অ্যাকশন থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’। ৫ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা। মুক্তির মাত্র এক সপ্তাহ আগেই আইনি জটিলতায় পড়ল আদিত্য ধর পরিচালিত এ সিনেমা।
রণবীর সিংয়ের ধুরন্ধর সিনেমার মুক্তি আটকাতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শহীদ মেজর মোহিত শর্মার মা-বাবা। অভিযোগ, এই সিনেমা তৈরির আগে পরিবারের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাই আদালতে তাঁদের আবেদন, ধুরন্ধর সিনেমার মুক্তি যেন দ্রুত স্থগিত করা হয়।
টিজার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে ছিল ধুরন্ধর। অতিরিক্ত রক্তারক্তি ও হিংসাত্মক দৃশ্য দেখানোয় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্ক আছে সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়েও। যার অন্যতম কারণ রণবীর সিংয়ের চরিত্রটি। তাঁর চরিত্রকে নাকি ভারতীয় সেনাবাহিনীর শহীদ মেজর মোহিত শর্মার আদলে সাজানো হয়েছে। এমনকি ২০০০ সালের দিকে মোহিত যখন ছদ্মপরিচয়ে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন, সেই ঘটনাও আছে সিনেমায়। তবে ধুরন্ধর সিনেমার নির্মাতা কখনো বিষয়টি স্বীকার করেননি। আর তা নিয়েই আপত্তি মোহিত শর্মার পরিবারের।
মেজর শর্মার পরিবার তাঁদের পিটিশনে অভিযোগ করেছেন, মেজর শর্মার জীবনের সঙ্গে সিনেমাটির গল্প মিলে গেলেও, নির্মাতারা এই অনুপ্রেরণার কথা স্বীকার করেননি। ভারতীয় সেনাবাহিনী কিংবা মেজর শর্মার বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি না নিয়েই এই স্পেশাল ফোর্সেস অফিসারের জীবন, গোপন অভিযান এবং আত্মত্যাগের ঘটনা সরাসরি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ধুরন্ধর সিনেমায়।
মোহিত শর্মার পরিবারের দাবি, একজন শহীদকে কোনো বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পরিবারের অনুমতি না নিয়ে, শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো সৈনিকের জীবন নিয়ে সিনেমা বানানোর অধিকার কারও থাকা উচিত নয়।
তবে পরিচালক আদিত্য ধর বলেছেন, ‘রণবীরের চরিত্রের সঙ্গে মোহিতের কোনো মিল নেই। মেজর মোহিত শর্মার জীবন থেকে ধুরন্ধর মোটেই উদ্বুদ্ধ নয়। যদি কখনো তাঁর বায়োপিক তৈরি করি, তাহলে পরিবারের অনুমতি নিয়ে করব।’

সম্প্রতি প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। বানিয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এটি সুনেরাহ অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক। নতুন এই ধারাবাহিকসহ নানা বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
৮ দিন আগে
শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
আজ দুপুর থেকে তীব্র বুক ব্যথায় ভুগছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। সেখানেই মারা যান তিনি।
১ দিন আগেবিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
রাহুলের অনুপস্থিতিতে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কনক আদিত্য। আজ মহিলা সমিতিতে সাংস্কৃতিক সংগঠন আমরা সূর্যমুখীর সুবর্ণজয়ন্তীতে গাইবে জলের গান।
১৯৭৫ সালের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন আমরা সূর্যমুখী। ৩০ নভেম্বর সংগঠনটির ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আজ ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে গান শোনাবে জলের গান।
বেইলি রোডের নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে আয়োজন। এক বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। তিনি জানাবেন বর্ণাঢ্য সংগীতজীবনের নানা অধ্যায়ের গল্প। বিশেষ অতিথি থাকবেন একুশে পদকজয়ী কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদ ও ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
সূচনা বক্তব্য দেবেন সংগঠনটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম সেলিম।

প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
রাহুলের অনুপস্থিতিতে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কনক আদিত্য। আজ মহিলা সমিতিতে সাংস্কৃতিক সংগঠন আমরা সূর্যমুখীর সুবর্ণজয়ন্তীতে গাইবে জলের গান।
১৯৭৫ সালের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন আমরা সূর্যমুখী। ৩০ নভেম্বর সংগঠনটির ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আজ ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে গান শোনাবে জলের গান।
বেইলি রোডের নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে আয়োজন। এক বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। তিনি জানাবেন বর্ণাঢ্য সংগীতজীবনের নানা অধ্যায়ের গল্প। বিশেষ অতিথি থাকবেন একুশে পদকজয়ী কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদ ও ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
সূচনা বক্তব্য দেবেন সংগঠনটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম সেলিম।

সম্প্রতি প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। বানিয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এটি সুনেরাহ অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক। নতুন এই ধারাবাহিকসহ নানা বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
৮ দিন আগে
শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর।
৮ ঘণ্টা আগে
আজ দুপুর থেকে তীব্র বুক ব্যথায় ভুগছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। সেখানেই মারা যান তিনি।
১ দিন আগেবিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

মারা গেছেন ‘একটা চাদর হবে’খ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে জেনস সুমনের।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুর থেকে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর ফেরানো যায়নি। সেখানেই মারা যান সুমন।
জেনস সুমনের প্রকৃত নাম গালিব আহসান মেহেদি। সুমন তাঁর ডাকনাম। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু তাঁর। পরিচিতি পান ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে। ২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলে। রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন জেনস সুমন।
জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। একে একে প্রকাশ পেয়েছে ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’ ইত্যাদি অ্যালবাম।
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর শেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। পরে বিরতিতে চলে যান তিনি। ১৬ বছরের বিরতির পর গত বছর প্রকাশ পায় তাঁর নতুন গান ‘আসমান জমিন’। এর পর থেকে নিয়মিত গান প্রকাশ করছিলেন সুমন।
গত সেপ্টেম্বরে আজকের পত্রিকাকে তিনি জানিয়েছিলেন, লম্বা বিরতি শেষে নতুন করে শূন্য থেকে শুরু করেছেন তিনি। তবে সংগীত ক্যারিয়ারের নতুন এই ইনিংস দীর্ঘায়িত হলো না জেনস সুমনের।

মারা গেছেন ‘একটা চাদর হবে’খ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে জেনস সুমনের।
জানা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুর থেকে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন সুমন। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে আর ফেরানো যায়নি। সেখানেই মারা যান সুমন।
জেনস সুমনের প্রকৃত নাম গালিব আহসান মেহেদি। সুমন তাঁর ডাকনাম। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু তাঁর। পরিচিতি পান ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে। ২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গানটি প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলে। রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন জেনস সুমন।
জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। একে একে প্রকাশ পেয়েছে ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’ ইত্যাদি অ্যালবাম।
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর শেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। পরে বিরতিতে চলে যান তিনি। ১৬ বছরের বিরতির পর গত বছর প্রকাশ পায় তাঁর নতুন গান ‘আসমান জমিন’। এর পর থেকে নিয়মিত গান প্রকাশ করছিলেন সুমন।
গত সেপ্টেম্বরে আজকের পত্রিকাকে তিনি জানিয়েছিলেন, লম্বা বিরতি শেষে নতুন করে শূন্য থেকে শুরু করেছেন তিনি। তবে সংগীত ক্যারিয়ারের নতুন এই ইনিংস দীর্ঘায়িত হলো না জেনস সুমনের।

সম্প্রতি প্রচার শুরু হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। বানিয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এটি সুনেরাহ অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক। নতুন এই ধারাবাহিকসহ নানা বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
৮ দিন আগে
শীতের শুরুতে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাফ ডজন কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছিল বিভিন্ন আয়োজক প্রতিষ্ঠান। এই তালিকায় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীদের সঙ্গে ছিলেন ভারত ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় একের পর এক কনসার্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রোহিত শেঠির ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা দিয়েছিলেন রণবীর সিং। গত বছর মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন না তিনি। অজয় দেবগন আর অক্ষয় কুমারই ছিলেন গল্পের কেন্দ্রে। তবু ২০২৪ সালে এই একটি সিনেমা দিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় ছিলেন রণবীর।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশকের পথচলা জলের গানের। প্রথম থেকে এই গানের দলটির হাল ধরেছিলেন রাহুল আনন্দ। গত এক বছরের বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে থাকলেও থেমে নেই জলের গানের কার্যক্রম। সতীর্থরা জলের গানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে