রাহুল শর্মা, ঢাকা

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প শুধু স্থাপনার ক্ষতি বা পাঠদান ব্যাহতই করে না, এটি শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য, উপস্থিতি, শেখার পরিবেশ এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার গতিকেও দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাবিত করে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো অপ্রত্যাশিত দুর্যোগ শিশুদের ওপর গভীর মানসিক চাপ ফেলে। শিশুরা এমন ঘটনার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। অনেক সময় তারা ঘটনার পরও সারাক্ষণ ভয় পায়, ঘুমাতে পারে না, বারবার মনে হয় মাটি দুলছে বা ভবন কাঁপছে।’
দেশে গত শুক্র ও শনিবার মোট চার দফা ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মৃদু মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে সেকেন্ডের ব্যবধানে রাজধানীর বাড্ডা ও নরসিংদীর উৎপত্তিস্থল থেকে আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে প্রথমটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টির ৪ দশমিক ৩। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দেশ। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার অদূরে নরসিংদীর মাধবদীতে।
পরপর চারবারের ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করে আবাসিক হল দ্রুত খালি করতে নির্দেশ দেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে দেখা যায়। এদিকে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীনসহ বিভিন্ন আবাসিক হলের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হয়েছে তিন সদস্যের প্রকৌশল দল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও চার দিনের ছুটি ঘোষণা করে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ চারটি হল খালি করার পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল কলেজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে গতকাল রোববারের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকে থেকে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের শতাধিক স্কুল-কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর বহু ভবনে নতুন ফাটল দেখা গেছে, কিছু জায়গায় দেয়াল ও সিঁড়ির অংশ ভেঙেও পড়েছে।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এদিকে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে বেশির ভাগ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে। জানা যায়, রাজধানীর এজি চার্চ ও বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করেছে। এর মধ্যে এজি চার্চ স্কুল লোয়ার শিশু, আপার শিশু এবং ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষা বাতিল করেছে। আর একইভাবে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
রাজধানীতে যেসব স্কুল-কলেজ খোলা আছে, সেখানেও গতকাল রোববার শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। জানতে চাইলে প্রভাতী উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ (রোববার) অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। আতঙ্কের কারণে হয়তো অভিভাবকেরা শিশুদের স্কুলে পাঠাননি।
একই সুরে কথা বলেছেন ইস্পাহানি বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শরমিন শম্পা। তিনি বলেন, সবার মধ্যেই একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। স্বাভাবিক কারণেই আজ (রোববার) উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।
এদিকে ভূমিকম্পের মতো ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতি’তে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। গতকাল দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্লেগ্রাউন্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ভূমিকম্প যেকোনো সময় হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতা ও প্রস্তুতিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর জোর দেওয়া। কারণ, এতে ভীতি দূর হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার করা উচিত।’
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, শিগগির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প শুধু স্থাপনার ক্ষতি বা পাঠদান ব্যাহতই করে না, এটি শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য, উপস্থিতি, শেখার পরিবেশ এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার গতিকেও দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাবিত করে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো অপ্রত্যাশিত দুর্যোগ শিশুদের ওপর গভীর মানসিক চাপ ফেলে। শিশুরা এমন ঘটনার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। অনেক সময় তারা ঘটনার পরও সারাক্ষণ ভয় পায়, ঘুমাতে পারে না, বারবার মনে হয় মাটি দুলছে বা ভবন কাঁপছে।’
দেশে গত শুক্র ও শনিবার মোট চার দফা ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মৃদু মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে সেকেন্ডের ব্যবধানে রাজধানীর বাড্ডা ও নরসিংদীর উৎপত্তিস্থল থেকে আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে প্রথমটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টির ৪ দশমিক ৩। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দেশ। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার অদূরে নরসিংদীর মাধবদীতে।
পরপর চারবারের ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করে আবাসিক হল দ্রুত খালি করতে নির্দেশ দেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে দেখা যায়। এদিকে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীনসহ বিভিন্ন আবাসিক হলের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হয়েছে তিন সদস্যের প্রকৌশল দল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও চার দিনের ছুটি ঘোষণা করে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ চারটি হল খালি করার পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল কলেজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে গতকাল রোববারের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকে থেকে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের শতাধিক স্কুল-কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর বহু ভবনে নতুন ফাটল দেখা গেছে, কিছু জায়গায় দেয়াল ও সিঁড়ির অংশ ভেঙেও পড়েছে।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এদিকে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে বেশির ভাগ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে। জানা যায়, রাজধানীর এজি চার্চ ও বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করেছে। এর মধ্যে এজি চার্চ স্কুল লোয়ার শিশু, আপার শিশু এবং ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষা বাতিল করেছে। আর একইভাবে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
রাজধানীতে যেসব স্কুল-কলেজ খোলা আছে, সেখানেও গতকাল রোববার শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। জানতে চাইলে প্রভাতী উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ (রোববার) অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। আতঙ্কের কারণে হয়তো অভিভাবকেরা শিশুদের স্কুলে পাঠাননি।
একই সুরে কথা বলেছেন ইস্পাহানি বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শরমিন শম্পা। তিনি বলেন, সবার মধ্যেই একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। স্বাভাবিক কারণেই আজ (রোববার) উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।
এদিকে ভূমিকম্পের মতো ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতি’তে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। গতকাল দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্লেগ্রাউন্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ভূমিকম্প যেকোনো সময় হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতা ও প্রস্তুতিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর জোর দেওয়া। কারণ, এতে ভীতি দূর হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার করা উচিত।’
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, শিগগির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাহুল শর্মা, ঢাকা

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প শুধু স্থাপনার ক্ষতি বা পাঠদান ব্যাহতই করে না, এটি শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য, উপস্থিতি, শেখার পরিবেশ এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার গতিকেও দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাবিত করে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো অপ্রত্যাশিত দুর্যোগ শিশুদের ওপর গভীর মানসিক চাপ ফেলে। শিশুরা এমন ঘটনার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। অনেক সময় তারা ঘটনার পরও সারাক্ষণ ভয় পায়, ঘুমাতে পারে না, বারবার মনে হয় মাটি দুলছে বা ভবন কাঁপছে।’
দেশে গত শুক্র ও শনিবার মোট চার দফা ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মৃদু মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে সেকেন্ডের ব্যবধানে রাজধানীর বাড্ডা ও নরসিংদীর উৎপত্তিস্থল থেকে আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে প্রথমটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টির ৪ দশমিক ৩। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দেশ। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার অদূরে নরসিংদীর মাধবদীতে।
পরপর চারবারের ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করে আবাসিক হল দ্রুত খালি করতে নির্দেশ দেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে দেখা যায়। এদিকে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীনসহ বিভিন্ন আবাসিক হলের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হয়েছে তিন সদস্যের প্রকৌশল দল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও চার দিনের ছুটি ঘোষণা করে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ চারটি হল খালি করার পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল কলেজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে গতকাল রোববারের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকে থেকে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের শতাধিক স্কুল-কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর বহু ভবনে নতুন ফাটল দেখা গেছে, কিছু জায়গায় দেয়াল ও সিঁড়ির অংশ ভেঙেও পড়েছে।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এদিকে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে বেশির ভাগ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে। জানা যায়, রাজধানীর এজি চার্চ ও বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করেছে। এর মধ্যে এজি চার্চ স্কুল লোয়ার শিশু, আপার শিশু এবং ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষা বাতিল করেছে। আর একইভাবে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
রাজধানীতে যেসব স্কুল-কলেজ খোলা আছে, সেখানেও গতকাল রোববার শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। জানতে চাইলে প্রভাতী উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ (রোববার) অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। আতঙ্কের কারণে হয়তো অভিভাবকেরা শিশুদের স্কুলে পাঠাননি।
একই সুরে কথা বলেছেন ইস্পাহানি বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শরমিন শম্পা। তিনি বলেন, সবার মধ্যেই একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। স্বাভাবিক কারণেই আজ (রোববার) উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।
এদিকে ভূমিকম্পের মতো ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতি’তে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। গতকাল দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্লেগ্রাউন্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ভূমিকম্প যেকোনো সময় হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতা ও প্রস্তুতিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর জোর দেওয়া। কারণ, এতে ভীতি দূর হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার করা উচিত।’
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, শিগগির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প শুধু স্থাপনার ক্ষতি বা পাঠদান ব্যাহতই করে না, এটি শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য, উপস্থিতি, শেখার পরিবেশ এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার গতিকেও দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাবিত করে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো অপ্রত্যাশিত দুর্যোগ শিশুদের ওপর গভীর মানসিক চাপ ফেলে। শিশুরা এমন ঘটনার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। অনেক সময় তারা ঘটনার পরও সারাক্ষণ ভয় পায়, ঘুমাতে পারে না, বারবার মনে হয় মাটি দুলছে বা ভবন কাঁপছে।’
দেশে গত শুক্র ও শনিবার মোট চার দফা ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মৃদু মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে সেকেন্ডের ব্যবধানে রাজধানীর বাড্ডা ও নরসিংদীর উৎপত্তিস্থল থেকে আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে প্রথমটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টির ৪ দশমিক ৩। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দেশ। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার অদূরে নরসিংদীর মাধবদীতে।
পরপর চারবারের ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করে আবাসিক হল দ্রুত খালি করতে নির্দেশ দেয়। গতকাল রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে দেখা যায়। এদিকে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীনসহ বিভিন্ন আবাসিক হলের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হয়েছে তিন সদস্যের প্রকৌশল দল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও চার দিনের ছুটি ঘোষণা করে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ চারটি হল খালি করার পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল কলেজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে গতকাল রোববারের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকে থেকে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের শতাধিক স্কুল-কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর বহু ভবনে নতুন ফাটল দেখা গেছে, কিছু জায়গায় দেয়াল ও সিঁড়ির অংশ ভেঙেও পড়েছে।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এদিকে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে বেশির ভাগ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে। জানা যায়, রাজধানীর এজি চার্চ ও বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করেছে। এর মধ্যে এজি চার্চ স্কুল লোয়ার শিশু, আপার শিশু এবং ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষা বাতিল করেছে। আর একইভাবে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
রাজধানীতে যেসব স্কুল-কলেজ খোলা আছে, সেখানেও গতকাল রোববার শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। জানতে চাইলে প্রভাতী উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক নাহিদ ইসলাম বলেন, আজ (রোববার) অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল কম। আতঙ্কের কারণে হয়তো অভিভাবকেরা শিশুদের স্কুলে পাঠাননি।
একই সুরে কথা বলেছেন ইস্পাহানি বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শরমিন শম্পা। তিনি বলেন, সবার মধ্যেই একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। স্বাভাবিক কারণেই আজ (রোববার) উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।
এদিকে ভূমিকম্পের মতো ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতি’তে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। গতকাল দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্লেগ্রাউন্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ভূমিকম্প যেকোনো সময় হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতা ও প্রস্তুতিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে।
ভূমিকম্পের আতঙ্কের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর জোর দেওয়া। কারণ, এতে ভীতি দূর হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার করা উচিত।’
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, শিগগির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য ঠিক করার মতো নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এসবের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়।
১০ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল পর্যায়ে শিক্ষাকার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউট পরিচালকেরা সংশ্লিষ্ট ডিনদের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন ক্লাস শুরু করবেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভয়াবহ ভূমিকম্প ও ধারাবাহিক আফটারশকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়নের জন্য প্রকৌশলীদের বিশেষ পরিদর্শন টিম কাজ করছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে শীতকালীন ছুটি ও ভবন সংস্কারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।
এর আগে ২১ নভেম্বর কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নরসিংদী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় কয়েক শ মানুষ। ভূমিকম্পের সময় ঢাবির হলে আতঙ্কে লাফ দিয়ে পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
পরদিন আরও তিন দফা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথমে এক দিনের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পরে ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষাকার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে অনলাইন ক্লাসই আপাতত সর্বোত্তম বিকল্প। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৭ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীতকালীন ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল পর্যায়ে শিক্ষাকার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউট পরিচালকেরা সংশ্লিষ্ট ডিনদের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন ক্লাস শুরু করবেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চলবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভয়াবহ ভূমিকম্প ও ধারাবাহিক আফটারশকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়নের জন্য প্রকৌশলীদের বিশেষ পরিদর্শন টিম কাজ করছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে শীতকালীন ছুটি ও ভবন সংস্কারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।
এর আগে ২১ নভেম্বর কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নরসিংদী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় কয়েক শ মানুষ। ভূমিকম্পের সময় ঢাবির হলে আতঙ্কে লাফ দিয়ে পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
পরদিন আরও তিন দফা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথমে এক দিনের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পরে ১৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষাকার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে অনলাইন ক্লাসই আপাতত সর্বোত্তম বিকল্প। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৭ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীতকালীন ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
৬ দিন আগে
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য ঠিক করার মতো নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এসবের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়।
১০ ঘণ্টা আগেবিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য ঠিক করার মতো নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এসবের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ৪৭তম ব্যাচের চার শিক্ষার্থী সামেত ইবনে এনাম, সায়হান বিন সাজ্জাদ, মোছা. সাদিয়া ইসলাম ও সাদিয়া সাবাহ্ শরমিলী—তেমনই অনুপ্রেরণার এক উদাহরণ। পড়াশোনার চাপ, সময় ব্যবস্থাপনা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম—সব সামলে তাঁরা সিজিপিএর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা অনুজদের জন্য খুলে দিতে পারে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। চার শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে সে গল্প লিখেছেন মো. তাওকীর তাজাম্মুল।
মো. তাওকীর তাজাম্মুল

আগ্রহের বিষয়েও সময় দিতে হবে
বুটেক্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতিটি ক্লাসে মনোযোগী হওয়া এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নে ভালো করার চেষ্টা করেছি। এতে পরীক্ষার আগে পড়ার চাপ কমে যায় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। লেভেল-১ টার্ম-১-এর ফল দেখে নিয়মিত ক্লাস করার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। পরবর্তী টার্মগুলোতে সেই উপলব্ধি থেকেই আরও পরিশ্রম করেছি।
আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান, আমাদের বিভাগের শিক্ষকেরা এবং অন্যান্য কোর্সের শিক্ষকেরা অত্যন্ত আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল ছিলেন। তাঁদের সহায়তা ও দিকনির্দেশনা আমার একাডেমিক ফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমার বড় ভাই মো. শরিফুল ইসলামের আত্মত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রম আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পাশাপাশি সহপাঠী, বন্ধু, সিনিয়র ও জুনিয়র—সবাই নানা সময়ে সহযোগিতা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিজেকে শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিজের আগ্রহের বিষয়গুলোতেও সময় দেওয়া উচিত। এতে সফট স্কিল বিকাশের সুযোগ পাওয়া যায়। আমার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা, আইডিয়া বিকাশের প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ বিশেষভাবে সহায়ক ছিল।
অনুজদের বলব, ভালো ফলের জন্য নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা, ধারাবাহিক মূল্যায়নে ভালো করা ও আগের বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরুতে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে অনেকেরই সময় লাগে। তাই প্রথম দিকের ফল প্রত্যাশিত না হলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিয়মিত চেষ্টা আর ইতিবাচক মানসিকতাই শুরুর দিকের ঘাটতিকে সাফল্যের গল্পে রূপ দিতে পারে।
মোছা. সাদিয়া ইসলাম, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯০

প্রথমেই নিজের সক্ষমতা বুঝতে হবে
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমেই নিজের সক্ষমতা কত দূর, তা বোঝা দরকার। কারণ দেখা যায় একজন পুরো সেমিস্টার পড়ে যে ফল করল, অন্য একজন শুধু সিটি আর এক্সামের আগে পড়ে পূর্বের জনের চেয়ে ভালো ফল করছে। এ ক্ষেত্রে বলব, আরেকজন যেটা করছে হুবহু তা অনুসরণ করতে গেলেই সমস্যা। কিন্তু কিছু সাধারণ জিনিস যেমন নিয়মিত ক্লাস, সিটি, ভাইভার আগে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া, এগুলো আমি সব সময়ই ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি।
জুনিয়রদের উদ্দেশে বলব, নিয়মিত ক্লাসগুলো কর, ক্লাসের উপস্থিতির মার্কস অবশ্যই ভালো রাখতে হবে। ল্যাবগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে করার চেষ্টা কর, কারণ ল্যাবে একটু চেষ্টা করলেই ৪ গ্রেড পাওয়া সম্ভব। সিটির আগে কষ্ট করে হলেও ভালোমতো প্রস্তুতি নাও, তাহলে দেখবে টার্মে ভালো সিজিপিএ তোলা অনেক সহজ হয়ে গেছে। পুরো সেমিস্টারে যা-ই কর, টার্ম ফাইনালের মধ্যে একটু গুরুত্বের সঙ্গে পড়াশোনা কর।
সব শিক্ষক হয়তো ভালো পড়ান না, ভার্সিটির কার্যপদ্ধতি হয়তো ভালো নয়, অনেক সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু এসব বিষয় যত তাড়াতাড়ি মেনে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে, ততই তোমার জন্য ভালো। অভিযোগ করা কমিয়ে, নিজের কাজকর্ম উন্নত কর, দেখবে অভিযোগ করার ইস্যুই কমে গেছে।
সামেত ইবনে এনাম, ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯১

ধাপে ধাপে নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করেছি
আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনজুড়ে আমি একাডেমিক ক্যারিয়ারে ধারাবাহিকতা এবং উদ্দেশ্যপূর্ণ অগ্রগতির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। শুরুর দিকে কীভাবে কার্যকরভাবে পড়াশোনা করতে হয় বা প্রস্তুতি সুসংগঠিত করতে হয়, তা স্পষ্টভাবে বুঝতাম না। তবে সৌভাগ্যবশত, খুব দ্রুতই বুঝে গিয়েছিলাম, আমার লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন পথে এগোতে হবে।
আমি নিয়মিত রুটিন মেনে চলতাম। ক্লাস এবং ল্যাবে মনোযোগের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতাম। সেই সঙ্গে নোট নিতাম। এ নোটগুলো আমাকে ল্যাব ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নিতে এবং তত্ত্বীয় বিষয়গুলো বুঝতে অনেক সাহায্য করেছে। আমি ক্লাস টেস্টেও আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করেছি, যা আমাকে টার্ম ফাইনালের ক্ষেত্রে সব সময় এগিয়ে থাকতে সাহায্য করেছে। ধাপে ধাপে আমি প্রতিদিন নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করেছি।
আমি জুনিয়রদের প্রতি কিছু কথা বলতে চাই, শুরুর দিক থেকেই নিয়মিত ক্লাস ও ল্যাবে উপস্থিত থাকতে হবে এবং মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষক ও সিনিয়রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখ, কারণ সঠিক দিকনির্দেশনা তোমার পথ পরিবর্তন করতে পারে। নিজেকে এমন বন্ধুদের সঙ্গে রাখ, যারা তোমাকে সমর্থন করে। আমার ক্ষেত্রে, আমার বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
শুধু সিজিপিএ নয়, শেখা ও দক্ষতা উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দাও। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে দক্ষতাই সবচেয়ে বেশি মূল্যবান। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধু একাডেমিক নয়, এটি ব্যক্তিগত বিকাশেরও যাত্রা। তাই এ সময়টিকে উপভোগ কর, তবে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থেকো।
সাদিয়া সাবাহ্ শরমিলী, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৭৯

সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেওয়া পর্যন্ত থেমে থাকিনি
কলেজজীবনে আমি অন্যদের মতো একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ছিলাম। তখন আমার কোনো আকাঙ্ক্ষা ছিল না, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রথম স্থান অর্জন করতেই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, আমি কখনোই সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেওয়ার আগপর্যন্ত থেমে থাকিনি। আমি বিশ্বাস করি, কেউ যদি তার সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেয় তাহলে মহান আল্লাহর রহমতে সে ভালো কিছু করবেই। আমার ভেতরে সব সময় একটিই অনুভূতি কাজ করে সেটা হলো, আমি সর্বোচ্চ পরিশ্রম করব এবং আল্লাহকে ডাকব। তারপর আল্লাহ আমার ফল যা ভালো মনে করেন, তা-ই দেবেন।
সিজিপিএ ধরে রাখতে আমি যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলাম সেগুলো হলো: নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া এবং খুব মনোযোগ দিয়ে শিক্ষকদের লেকচার শোনা; নিয়মিত ক্লাস নোট করা। শিক্ষক কোন কোন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন, সেগুলো মার্ক করে রাখা; ল্যাবে নিজের আগ্রহ নিয়ে মেশিনগুলো বোঝা, ক্লাস গ্যাপ থাকলে ল্যাবে সময় দেওয়া, আরও বেশি মেশিনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া; প্রতিদিন না পড়তে পারলেও সিটি শুরু হওয়ার আগে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়া। কারণ সিটি মার্কস ভালো থাকলে টার্ম পরীক্ষায় চাপ অনেকটাই কমে আসে; পিএল তথা টার্ম পরীক্ষার আগে দেওয়া বন্ধের সময়টা নিজের সাধ্য অনুযায়ী সেরাভাবে কাজে লাগানো।
সত্য কথা বলতে, এগুলোই ছিল আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নেওয়া কিছু পদক্ষেপ। আমি দিনশেষে কোনো অপ্রাপ্তি নিয়ে যেতে চাই না। তাই আমি আমার লেভেলের সেরা শ্রমটা দিই, নামাজ আদায় করি, বাকিটা আল্লাহ আমার জন্য যা ভালো মনে করেন।
সায়হান বিন সাজ্জাদ, ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯০

আগ্রহের বিষয়েও সময় দিতে হবে
বুটেক্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতিটি ক্লাসে মনোযোগী হওয়া এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নে ভালো করার চেষ্টা করেছি। এতে পরীক্ষার আগে পড়ার চাপ কমে যায় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। লেভেল-১ টার্ম-১-এর ফল দেখে নিয়মিত ক্লাস করার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। পরবর্তী টার্মগুলোতে সেই উপলব্ধি থেকেই আরও পরিশ্রম করেছি।
আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান, আমাদের বিভাগের শিক্ষকেরা এবং অন্যান্য কোর্সের শিক্ষকেরা অত্যন্ত আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল ছিলেন। তাঁদের সহায়তা ও দিকনির্দেশনা আমার একাডেমিক ফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমার বড় ভাই মো. শরিফুল ইসলামের আত্মত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রম আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পাশাপাশি সহপাঠী, বন্ধু, সিনিয়র ও জুনিয়র—সবাই নানা সময়ে সহযোগিতা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিজেকে শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিজের আগ্রহের বিষয়গুলোতেও সময় দেওয়া উচিত। এতে সফট স্কিল বিকাশের সুযোগ পাওয়া যায়। আমার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা, আইডিয়া বিকাশের প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ বিশেষভাবে সহায়ক ছিল।
অনুজদের বলব, ভালো ফলের জন্য নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা, ধারাবাহিক মূল্যায়নে ভালো করা ও আগের বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরুতে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে অনেকেরই সময় লাগে। তাই প্রথম দিকের ফল প্রত্যাশিত না হলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিয়মিত চেষ্টা আর ইতিবাচক মানসিকতাই শুরুর দিকের ঘাটতিকে সাফল্যের গল্পে রূপ দিতে পারে।
মোছা. সাদিয়া ইসলাম, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯০

প্রথমেই নিজের সক্ষমতা বুঝতে হবে
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমেই নিজের সক্ষমতা কত দূর, তা বোঝা দরকার। কারণ দেখা যায় একজন পুরো সেমিস্টার পড়ে যে ফল করল, অন্য একজন শুধু সিটি আর এক্সামের আগে পড়ে পূর্বের জনের চেয়ে ভালো ফল করছে। এ ক্ষেত্রে বলব, আরেকজন যেটা করছে হুবহু তা অনুসরণ করতে গেলেই সমস্যা। কিন্তু কিছু সাধারণ জিনিস যেমন নিয়মিত ক্লাস, সিটি, ভাইভার আগে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া, এগুলো আমি সব সময়ই ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি।
জুনিয়রদের উদ্দেশে বলব, নিয়মিত ক্লাসগুলো কর, ক্লাসের উপস্থিতির মার্কস অবশ্যই ভালো রাখতে হবে। ল্যাবগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে করার চেষ্টা কর, কারণ ল্যাবে একটু চেষ্টা করলেই ৪ গ্রেড পাওয়া সম্ভব। সিটির আগে কষ্ট করে হলেও ভালোমতো প্রস্তুতি নাও, তাহলে দেখবে টার্মে ভালো সিজিপিএ তোলা অনেক সহজ হয়ে গেছে। পুরো সেমিস্টারে যা-ই কর, টার্ম ফাইনালের মধ্যে একটু গুরুত্বের সঙ্গে পড়াশোনা কর।
সব শিক্ষক হয়তো ভালো পড়ান না, ভার্সিটির কার্যপদ্ধতি হয়তো ভালো নয়, অনেক সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু এসব বিষয় যত তাড়াতাড়ি মেনে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে, ততই তোমার জন্য ভালো। অভিযোগ করা কমিয়ে, নিজের কাজকর্ম উন্নত কর, দেখবে অভিযোগ করার ইস্যুই কমে গেছে।
সামেত ইবনে এনাম, ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯১

ধাপে ধাপে নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করেছি
আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনজুড়ে আমি একাডেমিক ক্যারিয়ারে ধারাবাহিকতা এবং উদ্দেশ্যপূর্ণ অগ্রগতির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। শুরুর দিকে কীভাবে কার্যকরভাবে পড়াশোনা করতে হয় বা প্রস্তুতি সুসংগঠিত করতে হয়, তা স্পষ্টভাবে বুঝতাম না। তবে সৌভাগ্যবশত, খুব দ্রুতই বুঝে গিয়েছিলাম, আমার লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন পথে এগোতে হবে।
আমি নিয়মিত রুটিন মেনে চলতাম। ক্লাস এবং ল্যাবে মনোযোগের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতাম। সেই সঙ্গে নোট নিতাম। এ নোটগুলো আমাকে ল্যাব ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নিতে এবং তত্ত্বীয় বিষয়গুলো বুঝতে অনেক সাহায্য করেছে। আমি ক্লাস টেস্টেও আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করেছি, যা আমাকে টার্ম ফাইনালের ক্ষেত্রে সব সময় এগিয়ে থাকতে সাহায্য করেছে। ধাপে ধাপে আমি প্রতিদিন নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করেছি।
আমি জুনিয়রদের প্রতি কিছু কথা বলতে চাই, শুরুর দিক থেকেই নিয়মিত ক্লাস ও ল্যাবে উপস্থিত থাকতে হবে এবং মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষক ও সিনিয়রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখ, কারণ সঠিক দিকনির্দেশনা তোমার পথ পরিবর্তন করতে পারে। নিজেকে এমন বন্ধুদের সঙ্গে রাখ, যারা তোমাকে সমর্থন করে। আমার ক্ষেত্রে, আমার বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
শুধু সিজিপিএ নয়, শেখা ও দক্ষতা উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দাও। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে দক্ষতাই সবচেয়ে বেশি মূল্যবান। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধু একাডেমিক নয়, এটি ব্যক্তিগত বিকাশেরও যাত্রা। তাই এ সময়টিকে উপভোগ কর, তবে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থেকো।
সাদিয়া সাবাহ্ শরমিলী, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৭৯

সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেওয়া পর্যন্ত থেমে থাকিনি
কলেজজীবনে আমি অন্যদের মতো একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ছিলাম। তখন আমার কোনো আকাঙ্ক্ষা ছিল না, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রথম স্থান অর্জন করতেই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, আমি কখনোই সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেওয়ার আগপর্যন্ত থেমে থাকিনি। আমি বিশ্বাস করি, কেউ যদি তার সর্বোচ্চ পরিশ্রম দেয় তাহলে মহান আল্লাহর রহমতে সে ভালো কিছু করবেই। আমার ভেতরে সব সময় একটিই অনুভূতি কাজ করে সেটা হলো, আমি সর্বোচ্চ পরিশ্রম করব এবং আল্লাহকে ডাকব। তারপর আল্লাহ আমার ফল যা ভালো মনে করেন, তা-ই দেবেন।
সিজিপিএ ধরে রাখতে আমি যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলাম সেগুলো হলো: নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া এবং খুব মনোযোগ দিয়ে শিক্ষকদের লেকচার শোনা; নিয়মিত ক্লাস নোট করা। শিক্ষক কোন কোন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন, সেগুলো মার্ক করে রাখা; ল্যাবে নিজের আগ্রহ নিয়ে মেশিনগুলো বোঝা, ক্লাস গ্যাপ থাকলে ল্যাবে সময় দেওয়া, আরও বেশি মেশিনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া; প্রতিদিন না পড়তে পারলেও সিটি শুরু হওয়ার আগে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়া। কারণ সিটি মার্কস ভালো থাকলে টার্ম পরীক্ষায় চাপ অনেকটাই কমে আসে; পিএল তথা টার্ম পরীক্ষার আগে দেওয়া বন্ধের সময়টা নিজের সাধ্য অনুযায়ী সেরাভাবে কাজে লাগানো।
সত্য কথা বলতে, এগুলোই ছিল আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নেওয়া কিছু পদক্ষেপ। আমি দিনশেষে কোনো অপ্রাপ্তি নিয়ে যেতে চাই না। তাই আমি আমার লেভেলের সেরা শ্রমটা দিই, নামাজ আদায় করি, বাকিটা আল্লাহ আমার জন্য যা ভালো মনে করেন।
সায়হান বিন সাজ্জাদ, ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিজিপিএ-৩.৯০

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
৬ দিন আগে
প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়।
১০ ঘণ্টা আগেশিক্ষা ডেস্ক

চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য। আগ্রহী প্রার্থীরা চীনের এই সরকারি বৃত্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ ও প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে একাডেমিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাগার, বিশ্বমানের ফ্যাকাল্টি এবং আন্তবিষয়ক শিক্ষার পরিবেশের জন্য প্রতিষ্ঠানটি বেশ প্রসিদ্ধ।
সুযোগ-সুবিধা
ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসসি বৃত্তি সম্পূর্ণ অর্থায়িত। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চায়নিজ সরকার বৃত্তিতে অর্থায়ন করবে। বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। থাকছে সম্পূর্ণ মেডিকেল ইনস্যুরেন্স সুবিধা। পাশাপাশি মাসিক ভাতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাবেন আর্থিক সাপোর্ট। মাস্টার্সে শিক্ষার্থীদের জন্য মাসে ৩ হাজার চায়নিজ ইউয়ান এবং পিএইচডির জন্য থাকছে সাড়ে ৩ হাজার চায়নিজ ইউয়ান।
আবেদনের যোগ্যতা
বৃত্তির জন্য আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। প্রার্থীর অবশ্যই চীনা নাগরিকত্ব থাকা যাবে না। শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রার্থীকে সুস্থ থাকতে হবে। মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে। বয়স হতে হবে ৩৫ বছরের নিচে। আর পিএইচডিতে আবেদনকারীদের অবশ্যই মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। বয়স হতে হবে ৪০ বছরের নিচে। পাশাপাশি থাকতে হবে ভালো একাডেমিক রেজাল্ট এবং গবেষণা দক্ষতা। একই সঙ্গে সব প্রার্থীর ভাষাগত দক্ষতাও থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য
চীনা সরকারি স্কলারশিপের আবেদন ফরম। শিক্ষার্থীদের শারীরিক পরীক্ষার ফরমের কপি। ফরমে সব তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। ফরমের ছবিতে ডাক্তার বা হাসপাতালের সিল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষার ফল ৬ মাস পর্যন্ত বৈধ বলে বিবেচিত হবে। স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রির নোটারাইজড সনদপত্র জমা দিতে হবে। চীনা বা ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষার সনদ থাকলে অনুবাদের সঙ্গে নোটারাইজড কপি জমা দিতে হবে। দুজন অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকের সুপারিশপত্র। ন্যূনতম ৮০০ শব্দে অধ্যয়ন বা গবেষণার পরিকল্পনা লিখে জমা দিতে হবে। ভাষাগত দক্ষতার সনদ জমা দিতে হবে। এ ছাড়া অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সমাজবিজ্ঞান, মানবিকবিদ্যা থেকে শুরু করে কৃষি ও প্রকৌশল—সব ক্ষেত্রকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা জিওকেমিস্ট্রি, নিউক্লিয়ার সায়েন্স, পার্টিক্যাল ফিজিকস, রেডিওকেমিস্ট্রি, রিসোর্স অ্যান্ড পাওয়ার, কেমিস্ট্রি, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউরোলজি, ইন্টারনাল মেডিসিন, সার্জারি, জার্নালিজম, আইন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সোসিওলজি, পাবলিক হেলথ, এপিডেমিওলজি, মিউজিক, আর্ট ডিজাইনসহ অসংখ্য বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এই লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য। আগ্রহী প্রার্থীরা চীনের এই সরকারি বৃত্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ ও প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে একাডেমিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাগার, বিশ্বমানের ফ্যাকাল্টি এবং আন্তবিষয়ক শিক্ষার পরিবেশের জন্য প্রতিষ্ঠানটি বেশ প্রসিদ্ধ।
সুযোগ-সুবিধা
ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসসি বৃত্তি সম্পূর্ণ অর্থায়িত। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চায়নিজ সরকার বৃত্তিতে অর্থায়ন করবে। বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। থাকছে সম্পূর্ণ মেডিকেল ইনস্যুরেন্স সুবিধা। পাশাপাশি মাসিক ভাতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাবেন আর্থিক সাপোর্ট। মাস্টার্সে শিক্ষার্থীদের জন্য মাসে ৩ হাজার চায়নিজ ইউয়ান এবং পিএইচডির জন্য থাকছে সাড়ে ৩ হাজার চায়নিজ ইউয়ান।
আবেদনের যোগ্যতা
বৃত্তির জন্য আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। প্রার্থীর অবশ্যই চীনা নাগরিকত্ব থাকা যাবে না। শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রার্থীকে সুস্থ থাকতে হবে। মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে। বয়স হতে হবে ৩৫ বছরের নিচে। আর পিএইচডিতে আবেদনকারীদের অবশ্যই মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। বয়স হতে হবে ৪০ বছরের নিচে। পাশাপাশি থাকতে হবে ভালো একাডেমিক রেজাল্ট এবং গবেষণা দক্ষতা। একই সঙ্গে সব প্রার্থীর ভাষাগত দক্ষতাও থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য
চীনা সরকারি স্কলারশিপের আবেদন ফরম। শিক্ষার্থীদের শারীরিক পরীক্ষার ফরমের কপি। ফরমে সব তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। ফরমের ছবিতে ডাক্তার বা হাসপাতালের সিল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষার ফল ৬ মাস পর্যন্ত বৈধ বলে বিবেচিত হবে। স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রির নোটারাইজড সনদপত্র জমা দিতে হবে। চীনা বা ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষার সনদ থাকলে অনুবাদের সঙ্গে নোটারাইজড কপি জমা দিতে হবে। দুজন অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকের সুপারিশপত্র। ন্যূনতম ৮০০ শব্দে অধ্যয়ন বা গবেষণার পরিকল্পনা লিখে জমা দিতে হবে। ভাষাগত দক্ষতার সনদ জমা দিতে হবে। এ ছাড়া অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সমাজবিজ্ঞান, মানবিকবিদ্যা থেকে শুরু করে কৃষি ও প্রকৌশল—সব ক্ষেত্রকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা জিওকেমিস্ট্রি, নিউক্লিয়ার সায়েন্স, পার্টিক্যাল ফিজিকস, রেডিওকেমিস্ট্রি, রিসোর্স অ্যান্ড পাওয়ার, কেমিস্ট্রি, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউরোলজি, ইন্টারনাল মেডিসিন, সার্জারি, জার্নালিজম, আইন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সোসিওলজি, পাবলিক হেলথ, এপিডেমিওলজি, মিউজিক, আর্ট ডিজাইনসহ অসংখ্য বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এই লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
৬ দিন আগে
প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য ঠিক করার মতো নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এসবের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান।
১০ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়।
১০ ঘণ্টা আগেসাব্বির হোসেন

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়। তবে সময় বদলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন গবেষণার ধীরগতির চাকায় নতুন গতি যোগ করছে। চ্যাটবটের সীমা পেরিয়ে এটি হয়ে উঠেছে গবেষকদের দক্ষ ‘রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট’। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে এআই ব্যবহার করে গবেষণাপত্র প্রকাশের দীর্ঘ পথকে সংক্ষিপ্ত এবং মসৃণ করা যায়।
১. লিটারেচার রিভিউ
গবেষণার প্রথম এবং সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ ধাপ হলো ‘লিটারেচার রিভিউ’। খড়ের গাদায় সুই খোঁজার দিন শেষ, এখন হাজার হাজার পেপার পড়ে নিজের কাজের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক তথ্য বের করা বেশ কঠিন। এখানে এআই জাদুর মতো কাজ করে। কাঙ্ক্ষিত পেপার খুঁজে পেতে গুগল স্কলারের পাশাপাশি Connected Papers বা ResearchRabbit ব্যবহার করতে পারেন। এ টুলগুলো ভিজ্যুয়াল গ্রাফের মাধ্যমে দেখায়, একটি পেপার অন্য কোন কোন পেপারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে খুব দ্রুত প্রাসঙ্গিক পেপারগুলো খুঁজে পাওয়া যায়।
সারসংক্ষেপ বা সামারি তৈরি: Elicit, Scite. ai কিংবা Humata-এর মতো টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি বড় পিডিএফ ফাইল আপলোড করতে পারেন। এআই মুহূর্তের মধ্যে পুরো পেপারটি পড়ে আপনাকে মূল ফলাফল, মেথডলজি এবং সীমাবদ্ধতাগুলো বুলেট পয়েন্ট আকারে জানিয়ে দেবে।
পরামর্শ: এআইকে জিজ্ঞেস করুন, ‘এই পেপারের মূল রিসার্চ গ্যাপ (Research Gap) কী?’ এটি আপনাকে নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে সাহায্য করবে।
২. ড্রাফটিং এবং স্ট্রাকচারিং: রাইটার্স ব্লক কাটান
অনেক সময় গবেষকেরা তথ্য সব জোগাড় করলেও লেখা শুরু করতে পারেন না, যাকে বলা হয় ‘রাইটার্স ব্লক’। ChatGPT (GPT-4) বা Claude 3 এখানে দুর্দান্ত সহায়ক।
আউটলাইন তৈরি: আপনার গবেষণার বিষয়বস্তু চ্যাটবটকে দিন এবং একটি স্ট্যান্ডার্ড জার্নাল পেপারের আউটলাইন তৈরি করে দিতে বলুন।
প্যারাগ্রাফ লেখা: পুরো পেপার এআই দিয়ে না লিখিয়ে, একেকটি সেকশন ধরে ধরে ড্রাফট তৈরি করুন। যেমন: ‘Introduction-এর জন্য একটি খসড়া লিখে দাও, যেখানে এই ৩টি পয়েন্ট ফোকাস থাকবে।’
৩. একাডেমিক রাইটিং এবং প্রুফরিডিং
আমরা যারা নন-নেটিভ ইংলিশ স্পিকার (যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়), তাদের জন্য গ্রামার এবং বাক্যের গঠন ঠিক রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
ভাষার মান উন্নয়ন: Quillbot বা Wordtune ব্যবহার করে সাধারণ ইংরেজি বাক্যকে একাডেমিক এবং ফরমাল বাক্যে রূপান্তর করা যায়। এটি আপনার লেখার ফ্লো বা প্রবাহ সুন্দর করে।
গ্রামার চেক: Grammarly বা Trinka AI (বিশেষভাবে একাডেমিক রাইটিংয়ের জন্য তৈরি) ব্যবহার করে পাংচুয়েশন, গ্রামার এবং টোন ঠিক করে নেওয়া যায়।
৪. ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশন
গবেষণার ডেটা বিশ্লেষণ করতে এখন আর প্রোগ্রামিংয়ে খুব দক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই।
ডেটা প্রসেসিং: ChatGPT’s Advanced Data Analysis ফিচার ব্যবহার করে আপনি এক্সেল ফাইল আপলোড করতে পারেন। এটি মুহূর্তের মধ্যে ডেটা ক্লিন করে, স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস করে এবং চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করে দিতে পারে।
কোডিং সহায়তা: আপনি যদি Python বা R ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করেন, তবে কোডে কোথাও ভুল থাকলে বা নতুন কোড দরকার হলে এআইকে নির্দেশ দিলেই সে কোড লিখে দেবে।
৫. সঠিক জার্নাল নির্বাচন
পেপার তো লেখা হলো; কিন্তু কোন জার্নালে পাঠাবেন? ভুল জার্নালে সাবমিট করলে রিজেকশন রেট বাড়ে এবং সময় নষ্ট হয়।
জার্নাল ফাইন্ডার: Elsevier Journal Finder বা Springer Journal Suggester-এ আপনার পেপারের অ্যাবস্ট্রাক্ট বা শিরোনাম পেস্ট করলেই এআই আপনাকে সবচেয়ে উপযুক্ত জার্নালের তালিকা, তাদের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর এবং এক্সেপটেন্স রেটসহ দেখিয়ে দেবে।
সতর্কতা: এআই ব্যবহার করে কাজ সহজ করা মানে এই নয়, পুরো কাজটি এআইয়ের হাতে ছেড়ে দেবেন। কিছু নৈতিক এবং কারিগরি সতর্কতা অবশ্যই মানতে হবে। সেগুলো হলো:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষকদের প্রতিপক্ষ নয়, বরং পরম বন্ধু। যে পেপার তৈরি করতে আগে ৬ মাস লাগত, এআইয়ের সঠিক ব্যবহারে তা এখন ২-৩ মাসে মানসম্মতভাবে শেষ করা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এআই আপনাকে তথ্য দেবে, ড্রাফট দেবে; কিন্তু গবেষণার ‘নতুনত্ব’ বা ‘মৌলিকতা’ আপনাকেই নিশ্চিত করতে হবে। প্রযুক্তির এ শক্তিকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজে লাগালেই গবেষণাজগতে আপনি এগিয়ে থাকবেন সবার চেয়ে।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জগতে বহুল প্রচলিত কথা—‘Publish or perish’, অর্থাৎ প্রকাশ করো, নতুবা হারিয়ে যাও। একটি ভালো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা গবেষক বা পিএইচডি শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘ ও জটিল পথ। সেখানে টপিক নির্বাচন, লিটারেচার রিভিউ, ডেটা বিশ্লেষণ, লেখা ও এডিটিং—সব মিলিয়ে কখনো কখনো বছর পার হয়ে যায়। তবে সময় বদলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন গবেষণার ধীরগতির চাকায় নতুন গতি যোগ করছে। চ্যাটবটের সীমা পেরিয়ে এটি হয়ে উঠেছে গবেষকদের দক্ষ ‘রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট’। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে এআই ব্যবহার করে গবেষণাপত্র প্রকাশের দীর্ঘ পথকে সংক্ষিপ্ত এবং মসৃণ করা যায়।
১. লিটারেচার রিভিউ
গবেষণার প্রথম এবং সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ ধাপ হলো ‘লিটারেচার রিভিউ’। খড়ের গাদায় সুই খোঁজার দিন শেষ, এখন হাজার হাজার পেপার পড়ে নিজের কাজের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক তথ্য বের করা বেশ কঠিন। এখানে এআই জাদুর মতো কাজ করে। কাঙ্ক্ষিত পেপার খুঁজে পেতে গুগল স্কলারের পাশাপাশি Connected Papers বা ResearchRabbit ব্যবহার করতে পারেন। এ টুলগুলো ভিজ্যুয়াল গ্রাফের মাধ্যমে দেখায়, একটি পেপার অন্য কোন কোন পেপারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে খুব দ্রুত প্রাসঙ্গিক পেপারগুলো খুঁজে পাওয়া যায়।
সারসংক্ষেপ বা সামারি তৈরি: Elicit, Scite. ai কিংবা Humata-এর মতো টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি বড় পিডিএফ ফাইল আপলোড করতে পারেন। এআই মুহূর্তের মধ্যে পুরো পেপারটি পড়ে আপনাকে মূল ফলাফল, মেথডলজি এবং সীমাবদ্ধতাগুলো বুলেট পয়েন্ট আকারে জানিয়ে দেবে।
পরামর্শ: এআইকে জিজ্ঞেস করুন, ‘এই পেপারের মূল রিসার্চ গ্যাপ (Research Gap) কী?’ এটি আপনাকে নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে সাহায্য করবে।
২. ড্রাফটিং এবং স্ট্রাকচারিং: রাইটার্স ব্লক কাটান
অনেক সময় গবেষকেরা তথ্য সব জোগাড় করলেও লেখা শুরু করতে পারেন না, যাকে বলা হয় ‘রাইটার্স ব্লক’। ChatGPT (GPT-4) বা Claude 3 এখানে দুর্দান্ত সহায়ক।
আউটলাইন তৈরি: আপনার গবেষণার বিষয়বস্তু চ্যাটবটকে দিন এবং একটি স্ট্যান্ডার্ড জার্নাল পেপারের আউটলাইন তৈরি করে দিতে বলুন।
প্যারাগ্রাফ লেখা: পুরো পেপার এআই দিয়ে না লিখিয়ে, একেকটি সেকশন ধরে ধরে ড্রাফট তৈরি করুন। যেমন: ‘Introduction-এর জন্য একটি খসড়া লিখে দাও, যেখানে এই ৩টি পয়েন্ট ফোকাস থাকবে।’
৩. একাডেমিক রাইটিং এবং প্রুফরিডিং
আমরা যারা নন-নেটিভ ইংলিশ স্পিকার (যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়), তাদের জন্য গ্রামার এবং বাক্যের গঠন ঠিক রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
ভাষার মান উন্নয়ন: Quillbot বা Wordtune ব্যবহার করে সাধারণ ইংরেজি বাক্যকে একাডেমিক এবং ফরমাল বাক্যে রূপান্তর করা যায়। এটি আপনার লেখার ফ্লো বা প্রবাহ সুন্দর করে।
গ্রামার চেক: Grammarly বা Trinka AI (বিশেষভাবে একাডেমিক রাইটিংয়ের জন্য তৈরি) ব্যবহার করে পাংচুয়েশন, গ্রামার এবং টোন ঠিক করে নেওয়া যায়।
৪. ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশন
গবেষণার ডেটা বিশ্লেষণ করতে এখন আর প্রোগ্রামিংয়ে খুব দক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই।
ডেটা প্রসেসিং: ChatGPT’s Advanced Data Analysis ফিচার ব্যবহার করে আপনি এক্সেল ফাইল আপলোড করতে পারেন। এটি মুহূর্তের মধ্যে ডেটা ক্লিন করে, স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস করে এবং চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করে দিতে পারে।
কোডিং সহায়তা: আপনি যদি Python বা R ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করেন, তবে কোডে কোথাও ভুল থাকলে বা নতুন কোড দরকার হলে এআইকে নির্দেশ দিলেই সে কোড লিখে দেবে।
৫. সঠিক জার্নাল নির্বাচন
পেপার তো লেখা হলো; কিন্তু কোন জার্নালে পাঠাবেন? ভুল জার্নালে সাবমিট করলে রিজেকশন রেট বাড়ে এবং সময় নষ্ট হয়।
জার্নাল ফাইন্ডার: Elsevier Journal Finder বা Springer Journal Suggester-এ আপনার পেপারের অ্যাবস্ট্রাক্ট বা শিরোনাম পেস্ট করলেই এআই আপনাকে সবচেয়ে উপযুক্ত জার্নালের তালিকা, তাদের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর এবং এক্সেপটেন্স রেটসহ দেখিয়ে দেবে।
সতর্কতা: এআই ব্যবহার করে কাজ সহজ করা মানে এই নয়, পুরো কাজটি এআইয়ের হাতে ছেড়ে দেবেন। কিছু নৈতিক এবং কারিগরি সতর্কতা অবশ্যই মানতে হবে। সেগুলো হলো:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষকদের প্রতিপক্ষ নয়, বরং পরম বন্ধু। যে পেপার তৈরি করতে আগে ৬ মাস লাগত, এআইয়ের সঠিক ব্যবহারে তা এখন ২-৩ মাসে মানসম্মতভাবে শেষ করা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এআই আপনাকে তথ্য দেবে, ড্রাফট দেবে; কিন্তু গবেষণার ‘নতুনত্ব’ বা ‘মৌলিকতা’ আপনাকেই নিশ্চিত করতে হবে। প্রযুক্তির এ শক্তিকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজে লাগালেই গবেষণাজগতে আপনি এগিয়ে থাকবেন সবার চেয়ে।

পরপর চার দফা ভূমিকম্প ও মৃদু কম্পনের প্রভাবে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের ‘অস্থিরতা’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
৬ দিন আগে
প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ঘোষিত ১৫ দিনের ছুটি শেষ না হতেই অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন হলো নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য ঠিক করার মতো নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এসবের মধ্যে শিক্ষার্থীরা অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনে ল্যানঝো বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। বৃত্তিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
১০ ঘণ্টা আগে