সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা। এদিকে আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকা জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে আছে প্রচারে। মাঠে আছে নতুন দল এনসিপিও।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এই আসন শিল্প ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীকে দেওয়া হতে পারে এই আসনে জোটগত মনোনয়ন। তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করতে হবে দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ নিয়ে। বিপরীতে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহানগরের আমির আব্দুল জব্বার। এনসিপি থেকে নির্বাচন করবেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান আবদুল্লাহ আল আমিন। বিএনপি নিজের প্রার্থী না দিলে এই দুই দলের সঙ্গে বেশ ভালো লড়াই হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এই আসনের প্রার্থী নিয়ে এখনো বিরোধ দেখা যায়নি বিএনপির মধ্যে। মনোনয়ন পাওয়ার পর এই নেতার গণমিছিলে নারায়ণগঞ্জের অন্য নেতাদেরও দেখা গেছে। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মোল্লা। আর এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন কয়েকজন। নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন তাঁরাও।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের কোন্দল ব্যাপকভাবে সামনে এসেছে। তাঁর বিপক্ষে একজোট হয়ে সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীদের একাংশ। এই কর্মীরা সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর, কেন্দ্রীয় সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারের অনুসারী।
এই বিভাজনের কারণে শক্তিশালী হয়ে উঠছে জামায়াত। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দুপ্তারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস মোল্লা। পাশাপাশি এনসিপির পক্ষ থেকে এই আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন মাজহারুল হক কায়জার। তিনি বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুরের আত্মীয়। বিএনপির বিভক্তির সুযোগ নিতে পারেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপক্ষে একজোট হয়েছেন বিএনপির সাত প্রার্থী। বিক্ষোভ, মশাল মিছিলের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে চিঠিও দিয়েছেন একসঙ্গে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ অনেকে। চিঠিতে বিএনপি নেতারাই উল্লেখ করেন, এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জনপ্রিয়, বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী বিতর্কিত।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর উপজেলা) আসনে বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দিতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন একাধিক প্রার্থী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব ইউসুফ খান টিপু ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল একজোট হয়ে বিরোধিতা করছেন। এই চারজনই মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাঈনউদ্দিন আহমেদ। পাশাপাশি এনসিপি থেকে নির্বাচনে আগ্রহী ডাকসুর সাবেক জিএস ও ঢাবি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা। আলোচনায় আছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদুর রহমান তনু।
মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোমিন বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই শক্ত লড়াই দিতে প্রস্তুত। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকলে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ আসনে আমরা জয়ী হব।’
বিএনপির বিরোধের বিষয়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা বা বিষোদ্গার করলে দিন শেষে দলের ক্ষতি হয়। আমরা প্রত্যাশা করব, বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করে মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীরা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। অন্যথায় দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে।’

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা। এদিকে আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকা জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে আছে প্রচারে। মাঠে আছে নতুন দল এনসিপিও।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এই আসন শিল্প ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীকে দেওয়া হতে পারে এই আসনে জোটগত মনোনয়ন। তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করতে হবে দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ নিয়ে। বিপরীতে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহানগরের আমির আব্দুল জব্বার। এনসিপি থেকে নির্বাচন করবেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান আবদুল্লাহ আল আমিন। বিএনপি নিজের প্রার্থী না দিলে এই দুই দলের সঙ্গে বেশ ভালো লড়াই হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এই আসনের প্রার্থী নিয়ে এখনো বিরোধ দেখা যায়নি বিএনপির মধ্যে। মনোনয়ন পাওয়ার পর এই নেতার গণমিছিলে নারায়ণগঞ্জের অন্য নেতাদেরও দেখা গেছে। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মোল্লা। আর এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন কয়েকজন। নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন তাঁরাও।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের কোন্দল ব্যাপকভাবে সামনে এসেছে। তাঁর বিপক্ষে একজোট হয়ে সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীদের একাংশ। এই কর্মীরা সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর, কেন্দ্রীয় সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারের অনুসারী।
এই বিভাজনের কারণে শক্তিশালী হয়ে উঠছে জামায়াত। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দুপ্তারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস মোল্লা। পাশাপাশি এনসিপির পক্ষ থেকে এই আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন মাজহারুল হক কায়জার। তিনি বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুরের আত্মীয়। বিএনপির বিভক্তির সুযোগ নিতে পারেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপক্ষে একজোট হয়েছেন বিএনপির সাত প্রার্থী। বিক্ষোভ, মশাল মিছিলের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে চিঠিও দিয়েছেন একসঙ্গে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ অনেকে। চিঠিতে বিএনপি নেতারাই উল্লেখ করেন, এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জনপ্রিয়, বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী বিতর্কিত।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর উপজেলা) আসনে বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দিতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন একাধিক প্রার্থী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব ইউসুফ খান টিপু ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল একজোট হয়ে বিরোধিতা করছেন। এই চারজনই মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাঈনউদ্দিন আহমেদ। পাশাপাশি এনসিপি থেকে নির্বাচনে আগ্রহী ডাকসুর সাবেক জিএস ও ঢাবি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা। আলোচনায় আছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদুর রহমান তনু।
মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোমিন বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই শক্ত লড়াই দিতে প্রস্তুত। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকলে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ আসনে আমরা জয়ী হব।’
বিএনপির বিরোধের বিষয়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা বা বিষোদ্গার করলে দিন শেষে দলের ক্ষতি হয়। আমরা প্রত্যাশা করব, বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করে মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীরা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। অন্যথায় দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে।’
সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা। এদিকে আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকা জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে আছে প্রচারে। মাঠে আছে নতুন দল এনসিপিও।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এই আসন শিল্প ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীকে দেওয়া হতে পারে এই আসনে জোটগত মনোনয়ন। তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করতে হবে দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ নিয়ে। বিপরীতে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহানগরের আমির আব্দুল জব্বার। এনসিপি থেকে নির্বাচন করবেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান আবদুল্লাহ আল আমিন। বিএনপি নিজের প্রার্থী না দিলে এই দুই দলের সঙ্গে বেশ ভালো লড়াই হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এই আসনের প্রার্থী নিয়ে এখনো বিরোধ দেখা যায়নি বিএনপির মধ্যে। মনোনয়ন পাওয়ার পর এই নেতার গণমিছিলে নারায়ণগঞ্জের অন্য নেতাদেরও দেখা গেছে। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মোল্লা। আর এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন কয়েকজন। নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন তাঁরাও।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের কোন্দল ব্যাপকভাবে সামনে এসেছে। তাঁর বিপক্ষে একজোট হয়ে সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীদের একাংশ। এই কর্মীরা সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর, কেন্দ্রীয় সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারের অনুসারী।
এই বিভাজনের কারণে শক্তিশালী হয়ে উঠছে জামায়াত। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দুপ্তারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস মোল্লা। পাশাপাশি এনসিপির পক্ষ থেকে এই আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন মাজহারুল হক কায়জার। তিনি বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুরের আত্মীয়। বিএনপির বিভক্তির সুযোগ নিতে পারেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপক্ষে একজোট হয়েছেন বিএনপির সাত প্রার্থী। বিক্ষোভ, মশাল মিছিলের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে চিঠিও দিয়েছেন একসঙ্গে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ অনেকে। চিঠিতে বিএনপি নেতারাই উল্লেখ করেন, এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জনপ্রিয়, বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী বিতর্কিত।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর উপজেলা) আসনে বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দিতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন একাধিক প্রার্থী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব ইউসুফ খান টিপু ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল একজোট হয়ে বিরোধিতা করছেন। এই চারজনই মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাঈনউদ্দিন আহমেদ। পাশাপাশি এনসিপি থেকে নির্বাচনে আগ্রহী ডাকসুর সাবেক জিএস ও ঢাবি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা। আলোচনায় আছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদুর রহমান তনু।
মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোমিন বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই শক্ত লড়াই দিতে প্রস্তুত। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকলে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ আসনে আমরা জয়ী হব।’
বিএনপির বিরোধের বিষয়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা বা বিষোদ্গার করলে দিন শেষে দলের ক্ষতি হয়। আমরা প্রত্যাশা করব, বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করে মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীরা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। অন্যথায় দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে।’

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা। এদিকে আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকা জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে আছে প্রচারে। মাঠে আছে নতুন দল এনসিপিও।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এই আসন শিল্প ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীকে দেওয়া হতে পারে এই আসনে জোটগত মনোনয়ন। তিনি মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করতে হবে দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ নিয়ে। বিপরীতে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহানগরের আমির আব্দুল জব্বার। এনসিপি থেকে নির্বাচন করবেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান আবদুল্লাহ আল আমিন। বিএনপি নিজের প্রার্থী না দিলে এই দুই দলের সঙ্গে বেশ ভালো লড়াই হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এই আসনের প্রার্থী নিয়ে এখনো বিরোধ দেখা যায়নি বিএনপির মধ্যে। মনোনয়ন পাওয়ার পর এই নেতার গণমিছিলে নারায়ণগঞ্জের অন্য নেতাদেরও দেখা গেছে। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন মোল্লা। আর এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন কয়েকজন। নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন তাঁরাও।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের কোন্দল ব্যাপকভাবে সামনে এসেছে। তাঁর বিপক্ষে একজোট হয়ে সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীদের একাংশ। এই কর্মীরা সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুর, কেন্দ্রীয় সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারের অনুসারী।
এই বিভাজনের কারণে শক্তিশালী হয়ে উঠছে জামায়াত। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দুপ্তারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস মোল্লা। পাশাপাশি এনসিপির পক্ষ থেকে এই আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন মাজহারুল হক কায়জার। তিনি বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুরের আত্মীয়। বিএনপির বিভক্তির সুযোগ নিতে পারেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপক্ষে একজোট হয়েছেন বিএনপির সাত প্রার্থী। বিক্ষোভ, মশাল মিছিলের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে চিঠিও দিয়েছেন একসঙ্গে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ অনেকে। চিঠিতে বিএনপি নেতারাই উল্লেখ করেন, এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জনপ্রিয়, বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী বিতর্কিত।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর উপজেলা) আসনে বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দিতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন একাধিক প্রার্থী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব ইউসুফ খান টিপু ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল একজোট হয়ে বিরোধিতা করছেন। এই চারজনই মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাঈনউদ্দিন আহমেদ। পাশাপাশি এনসিপি থেকে নির্বাচনে আগ্রহী ডাকসুর সাবেক জিএস ও ঢাবি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা। আলোচনায় আছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদুর রহমান তনু।
মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোমিন বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই শক্ত লড়াই দিতে প্রস্তুত। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকলে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ আসনে আমরা জয়ী হব।’
বিএনপির বিরোধের বিষয়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা বা বিষোদ্গার করলে দিন শেষে দলের ক্ষতি হয়। আমরা প্রত্যাশা করব, বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করে মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীরা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। অন্যথায় দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির
৬ মিনিট আগে
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন
৯ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২৯ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে
৩৬ মিনিট আগেবেরোবি সংবাদদাতা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইয়ামিনকে সভাপতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. জহির রায়হানকে সাধারণ সম্পাদক করে বেরোবি শাখার ৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করেছে। এ ছাড়া আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গত ৯ জুলাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এক জরুরি সদস্য সমাবেশে বেরোবি শাখা শিবিরের ২০২৫ সেশনের বাকি সময়ের জন্য ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সুমন সরকারকে সভাপতি এবং একই শিক্ষাবর্ষের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রাকিব মুরাদকে সেক্রেটারির দায়িত্ব প্রদান করে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ছিল ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং ছাত্র সংসদ চালু করা। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সে বছরই ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত ব্রিফ করেন।
কাগজে-কলমে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও একের পর এক কমিটি গঠন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবি রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান মূলত প্রশাসনিক দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মোটেও কাম্য নয়।
ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান শেখ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক, শিক্ষাবান্ধব ও গবেষণাকেন্দ্রিক পরিবেশ রক্ষার প্রত্যয়ে পরিচালিত হয়ে আসার কথা ছিল কিন্তু কিছু রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে দলীয় কমিটি ঘোষণার উদ্যোগ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আমি মনে করি, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলীয় কমিটি গঠন শিক্ষার পরিবেশকে বিভক্ত, অস্থির এবং ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিগত বছরগুলোতে আমরা সেগুলো পরিলক্ষিত করছি। এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দুর্বলতারও প্রতিফলন। আমরা চাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি শিক্ষাঙ্গন হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং শিক্ষা, গবেষণা, চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।’
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রিশাদ নুর বলেন, ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে অফিশিয়ালি ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, সেখানে কীভাবে শিক্ষার্থীরা কোন সাহসে, কার প্ররোচনায় কমিটি দেয়—সেটা আমার বোধগম্য হয় না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রতি এই অবমাননাকে প্রত্যাখ্যান করে। এখন প্রশাসনের ওপরে পুরো বিষয়টা। তারা যদি আবু সাঈদের ত্যাগকে মনে রাখে, তাহলে এই অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করবে। লিস্ট আছে, নাম আছে, পরিচয় আছে। প্রশাসন যদি এবার শক্ত পদক্ষেপ না নিয়ে ছেড়ে দেয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি কখনোই শেষ করা সম্ভব হবে না।’
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রান্ত সরকার পলক বলেন, ‘রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনৈতিক কমিটি গঠন আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করি। বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানের স্থান, কোনো দলের আধিপত্যের নয়। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার শুধু বিভাজন ও অশান্তি বাড়ায়। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, ক্যাম্পাসকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’
মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ আর-রহমান স্বপ্নীল বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক কমিটি ঘোষণাগুলো আমাকে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে উদ্বিগ্ন করেছে। লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি সাধারণত শিক্ষার পরিবেশকে অস্থির করে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টি করে। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় এমন জায়গা হওয়া উচিত যেখানে পড়াশোনা, নিরাপত্তা আর নিরপেক্ষ পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় হওয়া আমাদের জন্য ভালো কোনো সংকেত নয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘ছাত্রশিবির যখন কমিটি প্রকাশ করেছিল, আমরা তাদের ডেকেছিলাম। তারা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মর্মে অঙ্গীকার করে বলেছে ক্যাম্পাসে কোনো রাজনীতি করবে না, যা করবে ক্যাম্পাসের বাইরে।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘দেখলাম ছাত্রদল তাদের কমিটি করেছে, কমিটিগুলো তো এখান থেকে করা হয় না; ঢাকা থেকে করা হয়। যেহেতু কমিটি করা হয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সিদ্ধান্তকে সম্মান রেখে সেভাবেই কার্যক্রম চালাবে বলে আশা করি। তারপরও কেউ যদি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায়, তাহলে শৃঙ্খলা কমিটি এবং সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইয়ামিনকে সভাপতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. জহির রায়হানকে সাধারণ সম্পাদক করে বেরোবি শাখার ৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করেছে। এ ছাড়া আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গত ৯ জুলাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এক জরুরি সদস্য সমাবেশে বেরোবি শাখা শিবিরের ২০২৫ সেশনের বাকি সময়ের জন্য ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সুমন সরকারকে সভাপতি এবং একই শিক্ষাবর্ষের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রাকিব মুরাদকে সেক্রেটারির দায়িত্ব প্রদান করে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ছিল ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং ছাত্র সংসদ চালু করা। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সে বছরই ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত ব্রিফ করেন।
কাগজে-কলমে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও একের পর এক কমিটি গঠন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবি রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান মূলত প্রশাসনিক দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মোটেও কাম্য নয়।
ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান শেখ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক, শিক্ষাবান্ধব ও গবেষণাকেন্দ্রিক পরিবেশ রক্ষার প্রত্যয়ে পরিচালিত হয়ে আসার কথা ছিল কিন্তু কিছু রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে দলীয় কমিটি ঘোষণার উদ্যোগ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আমি মনে করি, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলীয় কমিটি গঠন শিক্ষার পরিবেশকে বিভক্ত, অস্থির এবং ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিগত বছরগুলোতে আমরা সেগুলো পরিলক্ষিত করছি। এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দুর্বলতারও প্রতিফলন। আমরা চাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি শিক্ষাঙ্গন হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং শিক্ষা, গবেষণা, চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।’
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রিশাদ নুর বলেন, ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে অফিশিয়ালি ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, সেখানে কীভাবে শিক্ষার্থীরা কোন সাহসে, কার প্ররোচনায় কমিটি দেয়—সেটা আমার বোধগম্য হয় না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রতি এই অবমাননাকে প্রত্যাখ্যান করে। এখন প্রশাসনের ওপরে পুরো বিষয়টা। তারা যদি আবু সাঈদের ত্যাগকে মনে রাখে, তাহলে এই অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করবে। লিস্ট আছে, নাম আছে, পরিচয় আছে। প্রশাসন যদি এবার শক্ত পদক্ষেপ না নিয়ে ছেড়ে দেয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি কখনোই শেষ করা সম্ভব হবে না।’
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রান্ত সরকার পলক বলেন, ‘রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনৈতিক কমিটি গঠন আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করি। বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানের স্থান, কোনো দলের আধিপত্যের নয়। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার শুধু বিভাজন ও অশান্তি বাড়ায়। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, ক্যাম্পাসকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’
মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ আর-রহমান স্বপ্নীল বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক কমিটি ঘোষণাগুলো আমাকে একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে উদ্বিগ্ন করেছে। লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি সাধারণত শিক্ষার পরিবেশকে অস্থির করে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টি করে। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় এমন জায়গা হওয়া উচিত যেখানে পড়াশোনা, নিরাপত্তা আর নিরপেক্ষ পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় হওয়া আমাদের জন্য ভালো কোনো সংকেত নয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘ছাত্রশিবির যখন কমিটি প্রকাশ করেছিল, আমরা তাদের ডেকেছিলাম। তারা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মর্মে অঙ্গীকার করে বলেছে ক্যাম্পাসে কোনো রাজনীতি করবে না, যা করবে ক্যাম্পাসের বাইরে।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘দেখলাম ছাত্রদল তাদের কমিটি করেছে, কমিটিগুলো তো এখান থেকে করা হয় না; ঢাকা থেকে করা হয়। যেহেতু কমিটি করা হয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সিদ্ধান্তকে সম্মান রেখে সেভাবেই কার্যক্রম চালাবে বলে আশা করি। তারপরও কেউ যদি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায়, তাহলে শৃঙ্খলা কমিটি এবং সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন
৯ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২৯ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে
৩৬ মিনিট আগেনোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন চিকিৎসকসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রিংকি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ বাবুলের মেয়ে। আজ শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
রিংকির বড় ভাই মো. শাকিল অভিযোগ করে বলেন, ‘কয়েক দিন আগে রিংকির গলায় সমস্যা দেখা দিলে আমরা ঢাকায় ডাক্তার দেখাই। সেখান থেকে জানানো হয়, তার টনসিল ও পলিপসের সমস্যা আছে। তবে এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা নয়, প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। পরবর্তী সময়ে মাইজদীতে নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইএনটি হাসপাতালে চেম্বার করা ডা. মো. মজিবুল হকের কাছে নিয়ে আসি। তাঁকে দেখানোর পর তিনি জানান দুটি সমস্যার জন্য ছোট অপারেশন করতে হবে। মজিবুল হকের কথামতো ২৫ নভেম্বর দুপুরে রিংকিকে হাসপাতালে আনা হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টনসিল ও পলিপসের অপারেশন করা হয়। এর পরদিন তাড়াহুড়ো করে তাঁকে রিলিজ করে দেন ডাক্তার। বাড়ি নেওয়ার পর থেকে রিংকির শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আজ শনিবার সকালে রিংকির গলা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকলে আমরা দ্রুত তাকে ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে আসি। এখানে আনার পর তাঁরা জানান, সে মারা গেছে। এরপর দ্রুত হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান ডা. মজিবুল হক ও অন্যরা।’
তবে এ বিষয়ে জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত চিকিৎসক মজিবুল হকের ব্যবহৃত মোবাইলে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সুধারাম মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লন্ডন চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। প্রাথমিক তথ্যাদি নেওয়া হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন চিকিৎসকসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রিংকি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ বাবুলের মেয়ে। আজ শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
রিংকির বড় ভাই মো. শাকিল অভিযোগ করে বলেন, ‘কয়েক দিন আগে রিংকির গলায় সমস্যা দেখা দিলে আমরা ঢাকায় ডাক্তার দেখাই। সেখান থেকে জানানো হয়, তার টনসিল ও পলিপসের সমস্যা আছে। তবে এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা নয়, প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। পরবর্তী সময়ে মাইজদীতে নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইএনটি হাসপাতালে চেম্বার করা ডা. মো. মজিবুল হকের কাছে নিয়ে আসি। তাঁকে দেখানোর পর তিনি জানান দুটি সমস্যার জন্য ছোট অপারেশন করতে হবে। মজিবুল হকের কথামতো ২৫ নভেম্বর দুপুরে রিংকিকে হাসপাতালে আনা হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টনসিল ও পলিপসের অপারেশন করা হয়। এর পরদিন তাড়াহুড়ো করে তাঁকে রিলিজ করে দেন ডাক্তার। বাড়ি নেওয়ার পর থেকে রিংকির শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আজ শনিবার সকালে রিংকির গলা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকলে আমরা দ্রুত তাকে ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে আসি। এখানে আনার পর তাঁরা জানান, সে মারা গেছে। এরপর দ্রুত হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান ডা. মজিবুল হক ও অন্যরা।’
তবে এ বিষয়ে জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত চিকিৎসক মজিবুল হকের ব্যবহৃত মোবাইলে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সুধারাম মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লন্ডন চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। প্রাথমিক তথ্যাদি নেওয়া হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির
৬ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২৯ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে
৩৬ মিনিট আগেকুষ্টিয়া (দৌলতপুর) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জনি ওই ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি জামালপুর গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, ‘বেলা দেড়টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন জনি ইসলামকে হত্যা করেছে।’ তিনি আরও জানান, জনি মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার গোরস্তানের পাশে জনি ইসলামকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তিনি বর্তমানে কুষ্টিয়া সদরে একটি মিটিংয়ে থাকায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানাবেন।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জনি ওই ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি জামালপুর গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, ‘বেলা দেড়টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন জনি ইসলামকে হত্যা করেছে।’ তিনি আরও জানান, জনি মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার গোরস্তানের পাশে জনি ইসলামকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তিনি বর্তমানে কুষ্টিয়া সদরে একটি মিটিংয়ে থাকায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানাবেন।

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির
৬ মিনিট আগে
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন
৯ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে
৩৬ মিনিট আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।
রাজশাহী অঞ্চলের অপরাধীদের ধরতে ৯ নভেম্বর থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’। প্রথম দিন রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার চরাঞ্চলের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। ২১ নভেম্বর নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের অপরাধীদের ধরতে এ অভিযান চালানো হয়।
ডিআইজি জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপে নাটোর ও পাবনায় অভিযান চালিয়ে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিআইজি জানান, অভিযানে দুজন সর্বহারা সদস্য, ডাকাত দলের একজন সদস্য, অস্ত্রধারীর সহযোগী ও নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে ২০ জন, মাদক মামলার চারজন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ২৩ জন এবং ফ্যাসিস্ট বা সন্দেহভাজন হিসেবে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে একটি বিদেশি অস্ত্র, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, এক কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা ও সাতটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে আটটি বিচারাধীন মামলার আসামি ডাকাত দলের সদস্য শহিদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিঙ্গইন ভাটোপাড়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। তাঁকে অনেক দিন ধরেই পুলিশ খুঁজছিল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়াগড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেখানে পিস্তল হাতে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তিকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, এই ব্যক্তিকে ধরতে তাঁর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুটি দলের কেউই নিজেদের লোক বলে স্বীকার করছে না।
ডিআইজি বলেন, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অনেক মানুষ থাকে যারা ভাড়ায় খাটে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে এ ধরনের লোকদের আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এ অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করেছেন। রাজশাহী রেঞ্জের দুজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পুলিশ সুপার (এসপি), নাটোর ও পাবনার এসপি, সার্কেল অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) মাঠপর্যায়ে অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে জেলা পুলিশের সদস্যরা ছাড়াও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেন বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী, নাটোরের নলডাঙ্গা ও সিংড়া উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।
রাজশাহী অঞ্চলের অপরাধীদের ধরতে ৯ নভেম্বর থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’। প্রথম দিন রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ার চরাঞ্চলের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। ২১ নভেম্বর নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের অপরাধীদের ধরতে এ অভিযান চালানো হয়।
ডিআইজি জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপে নাটোর ও পাবনায় অভিযান চালিয়ে ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিআইজি জানান, অভিযানে দুজন সর্বহারা সদস্য, ডাকাত দলের একজন সদস্য, অস্ত্রধারীর সহযোগী ও নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে ২০ জন, মাদক মামলার চারজন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ২৩ জন এবং ফ্যাসিস্ট বা সন্দেহভাজন হিসেবে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে একটি বিদেশি অস্ত্র, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, এক কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা ও সাতটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে আটটি বিচারাধীন মামলার আসামি ডাকাত দলের সদস্য শহিদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিঙ্গইন ভাটোপাড়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। তাঁকে অনেক দিন ধরেই পুলিশ খুঁজছিল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়াগড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেখানে পিস্তল হাতে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তিকে গুলি ছুড়তে দেখা যায়। ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, এই ব্যক্তিকে ধরতে তাঁর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুটি দলের কেউই নিজেদের লোক বলে স্বীকার করছে না।
ডিআইজি বলেন, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অনেক মানুষ থাকে যারা ভাড়ায় খাটে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে এ ধরনের লোকদের আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এ অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করেছেন। রাজশাহী রেঞ্জের দুজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পুলিশ সুপার (এসপি), নাটোর ও পাবনার এসপি, সার্কেল অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) মাঠপর্যায়ে অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে জেলা পুলিশের সদস্যরা ছাড়াও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেন বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর অন্তঃকোন্দল সামনে এসেছে। ঘোষিত চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই প্রার্থী বদলের জন্য একজোট হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করছেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও সক্রিয়ভাবেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো। সম্প্রতি (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবির
৬ মিনিট আগে
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ভুল চিকিৎসার কারণে রোগী মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত ওই রোগীর নাম রিংকি আক্তার (২০)। হাসপাতালটিতে পলিপস ও টনসিলের অস্ত্রোপচারে (অপারেশন) রিংকির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। এ ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন
৯ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় জনি ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকার একটি গোরস্তানের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২৯ মিনিট আগে