ভোলা প্রতিনিধি

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে আন্দোলনকারীরা দিক্ভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন ও সেতু কর্তৃপক্ষ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসি মো. আব্দুল জব্বার বলেন, পাঁচ দফা দাবিতে ভোলার ২০ শিক্ষার্থী সেতু ভবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে বিকেল ৪টার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে আসেন। পদ্মা সেতু দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার অনুমতি না পেয়ে তাঁরা পদ্মা নদী সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। আমরা নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা সাঁতরে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছিলেন। পদ্মা সেতুর ৪২ নম্বর পিলারের কাছে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিবিএর লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন নোমান হাওলাদার, মো. তানজিম ও মেহেদী। তাঁদের বাড়ি ভোলার বিভিন্ন এলাকায়। তাঁদেরকে মাদারীপুর জেলা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেতা মো. রশিদ আহমেদ ও মীর মোশারেফ হোসেন অমী।
রশিদ আহমেদ ও মোশারেফ হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁদের দলটি তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। এক ভাগ মাদারীপুরে রয়েছে, এক ভাগ শিমুলিয়া এবং এক ভাগ মাওয়া ঘাটে। তিনটি দলে তাঁরা প্রায় ৩৫ জন রয়েছেন। যাঁদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুসহ ৫ দাবিতে ভোলা থেকে সড়কপথে হেঁটে ও নদী সাঁতরে ঢাকা পদযাত্রায় অংশ নেন ২০ শিক্ষার্থী। তাঁরা ‘আমরা ভোলাবাসী’ সংগঠনের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধা। পরে তাঁদের সঙ্গে পথে পথে অনেক শিক্ষার্থী যোগ দেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাশন থেকে ১১ নভেম্বর সকালে প্রথমে হেঁটে ভোলা সদরে আসেন তাঁরা। এরপর ১৪ নভেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকা দিয়ে সাঁতরে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে বরিশালের লাহার হাটে যান। তেঁতুলিয়া নদী সাঁতরে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বরিশালে যান শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে আজ বুধবার পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছেন।
গ্যাসসমৃদ্ধ ভোলা জেলা একটি সেতুর অভাবে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা মো. শরিফ হাওলাদার বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, হেঁটে পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে যাব। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বাধা দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে এবং ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা পদ্মা পাড়ি দিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছি। অনেক হয়রানির শিকার হয়ে যাত্রা শুরু করছি।’
আন্দোলনকারীরা চরফ্যাশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাচ্ছেন। এর জন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করবেন না। এমনকি তাঁরা নদী পার হতেও কোনো নৌযান ব্যবহার করবেন না বলেও জানান পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা। পদযাত্রা চলাকালে শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির সপক্ষে জনসাধারণের সমর্থন আদায়ে পথে পথে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। ঘোষণা অনুযায়ী সড়কপথে ঢাকা সেতু ভবনের সামনে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হওয়ার কথা।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, ভোলার ঘরে ঘরে পাইপলাইনে গ্যাস-সংযোগ, গ্যাসভিক্তিক শিল্প কলকারখানা, মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। সরকারের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমাদের কথা দিয়েছিল, আগামী ডিসেম্বরে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ শুরু করবে। কিন্তু তাদের কথা অনুযায়ী সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কোনো কাজ দেখছি না। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের অন্যান্য দাবি পূরণের বিষয়ে কোনো অগ্রগতিও দেখছি না। তারই প্রতিবাদে চরফ্যাশন টাওয়ারের সামনে থেকে হেঁটে ভোলা টু ঢাকা সেতু ভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছি। আমরা এখন পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছি।’

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে আন্দোলনকারীরা দিক্ভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন ও সেতু কর্তৃপক্ষ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসি মো. আব্দুল জব্বার বলেন, পাঁচ দফা দাবিতে ভোলার ২০ শিক্ষার্থী সেতু ভবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে বিকেল ৪টার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে আসেন। পদ্মা সেতু দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার অনুমতি না পেয়ে তাঁরা পদ্মা নদী সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। আমরা নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা সাঁতরে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছিলেন। পদ্মা সেতুর ৪২ নম্বর পিলারের কাছে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিবিএর লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন নোমান হাওলাদার, মো. তানজিম ও মেহেদী। তাঁদের বাড়ি ভোলার বিভিন্ন এলাকায়। তাঁদেরকে মাদারীপুর জেলা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেতা মো. রশিদ আহমেদ ও মীর মোশারেফ হোসেন অমী।
রশিদ আহমেদ ও মোশারেফ হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁদের দলটি তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। এক ভাগ মাদারীপুরে রয়েছে, এক ভাগ শিমুলিয়া এবং এক ভাগ মাওয়া ঘাটে। তিনটি দলে তাঁরা প্রায় ৩৫ জন রয়েছেন। যাঁদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুসহ ৫ দাবিতে ভোলা থেকে সড়কপথে হেঁটে ও নদী সাঁতরে ঢাকা পদযাত্রায় অংশ নেন ২০ শিক্ষার্থী। তাঁরা ‘আমরা ভোলাবাসী’ সংগঠনের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধা। পরে তাঁদের সঙ্গে পথে পথে অনেক শিক্ষার্থী যোগ দেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাশন থেকে ১১ নভেম্বর সকালে প্রথমে হেঁটে ভোলা সদরে আসেন তাঁরা। এরপর ১৪ নভেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকা দিয়ে সাঁতরে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে বরিশালের লাহার হাটে যান। তেঁতুলিয়া নদী সাঁতরে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বরিশালে যান শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে আজ বুধবার পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছেন।
গ্যাসসমৃদ্ধ ভোলা জেলা একটি সেতুর অভাবে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা মো. শরিফ হাওলাদার বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, হেঁটে পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে যাব। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বাধা দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে এবং ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা পদ্মা পাড়ি দিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছি। অনেক হয়রানির শিকার হয়ে যাত্রা শুরু করছি।’
আন্দোলনকারীরা চরফ্যাশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাচ্ছেন। এর জন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করবেন না। এমনকি তাঁরা নদী পার হতেও কোনো নৌযান ব্যবহার করবেন না বলেও জানান পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা। পদযাত্রা চলাকালে শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির সপক্ষে জনসাধারণের সমর্থন আদায়ে পথে পথে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। ঘোষণা অনুযায়ী সড়কপথে ঢাকা সেতু ভবনের সামনে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হওয়ার কথা।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, ভোলার ঘরে ঘরে পাইপলাইনে গ্যাস-সংযোগ, গ্যাসভিক্তিক শিল্প কলকারখানা, মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। সরকারের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমাদের কথা দিয়েছিল, আগামী ডিসেম্বরে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ শুরু করবে। কিন্তু তাদের কথা অনুযায়ী সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কোনো কাজ দেখছি না। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের অন্যান্য দাবি পূরণের বিষয়ে কোনো অগ্রগতিও দেখছি না। তারই প্রতিবাদে চরফ্যাশন টাওয়ারের সামনে থেকে হেঁটে ভোলা টু ঢাকা সেতু ভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছি। আমরা এখন পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছি।’
ভোলা প্রতিনিধি

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে আন্দোলনকারীরা দিক্ভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন ও সেতু কর্তৃপক্ষ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসি মো. আব্দুল জব্বার বলেন, পাঁচ দফা দাবিতে ভোলার ২০ শিক্ষার্থী সেতু ভবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে বিকেল ৪টার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে আসেন। পদ্মা সেতু দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার অনুমতি না পেয়ে তাঁরা পদ্মা নদী সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। আমরা নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা সাঁতরে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছিলেন। পদ্মা সেতুর ৪২ নম্বর পিলারের কাছে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিবিএর লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন নোমান হাওলাদার, মো. তানজিম ও মেহেদী। তাঁদের বাড়ি ভোলার বিভিন্ন এলাকায়। তাঁদেরকে মাদারীপুর জেলা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেতা মো. রশিদ আহমেদ ও মীর মোশারেফ হোসেন অমী।
রশিদ আহমেদ ও মোশারেফ হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁদের দলটি তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। এক ভাগ মাদারীপুরে রয়েছে, এক ভাগ শিমুলিয়া এবং এক ভাগ মাওয়া ঘাটে। তিনটি দলে তাঁরা প্রায় ৩৫ জন রয়েছেন। যাঁদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুসহ ৫ দাবিতে ভোলা থেকে সড়কপথে হেঁটে ও নদী সাঁতরে ঢাকা পদযাত্রায় অংশ নেন ২০ শিক্ষার্থী। তাঁরা ‘আমরা ভোলাবাসী’ সংগঠনের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধা। পরে তাঁদের সঙ্গে পথে পথে অনেক শিক্ষার্থী যোগ দেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাশন থেকে ১১ নভেম্বর সকালে প্রথমে হেঁটে ভোলা সদরে আসেন তাঁরা। এরপর ১৪ নভেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকা দিয়ে সাঁতরে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে বরিশালের লাহার হাটে যান। তেঁতুলিয়া নদী সাঁতরে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বরিশালে যান শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে আজ বুধবার পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছেন।
গ্যাসসমৃদ্ধ ভোলা জেলা একটি সেতুর অভাবে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা মো. শরিফ হাওলাদার বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, হেঁটে পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে যাব। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বাধা দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে এবং ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা পদ্মা পাড়ি দিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছি। অনেক হয়রানির শিকার হয়ে যাত্রা শুরু করছি।’
আন্দোলনকারীরা চরফ্যাশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাচ্ছেন। এর জন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করবেন না। এমনকি তাঁরা নদী পার হতেও কোনো নৌযান ব্যবহার করবেন না বলেও জানান পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা। পদযাত্রা চলাকালে শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির সপক্ষে জনসাধারণের সমর্থন আদায়ে পথে পথে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। ঘোষণা অনুযায়ী সড়কপথে ঢাকা সেতু ভবনের সামনে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হওয়ার কথা।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, ভোলার ঘরে ঘরে পাইপলাইনে গ্যাস-সংযোগ, গ্যাসভিক্তিক শিল্প কলকারখানা, মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। সরকারের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমাদের কথা দিয়েছিল, আগামী ডিসেম্বরে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ শুরু করবে। কিন্তু তাদের কথা অনুযায়ী সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কোনো কাজ দেখছি না। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের অন্যান্য দাবি পূরণের বিষয়ে কোনো অগ্রগতিও দেখছি না। তারই প্রতিবাদে চরফ্যাশন টাওয়ারের সামনে থেকে হেঁটে ভোলা টু ঢাকা সেতু ভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছি। আমরা এখন পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছি।’

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে আন্দোলনকারীরা দিক্ভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত লোকজন ও সেতু কর্তৃপক্ষ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসি মো. আব্দুল জব্বার বলেন, পাঁচ দফা দাবিতে ভোলার ২০ শিক্ষার্থী সেতু ভবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে বিকেল ৪টার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে আসেন। পদ্মা সেতু দিয়ে হেঁটে পার হওয়ার অনুমতি না পেয়ে তাঁরা পদ্মা নদী সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। আমরা নিষেধ করা সত্ত্বেও তাঁরা সাঁতরে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছিলেন। পদ্মা সেতুর ৪২ নম্বর পিলারের কাছে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিবিএর লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন নোমান হাওলাদার, মো. তানজিম ও মেহেদী। তাঁদের বাড়ি ভোলার বিভিন্ন এলাকায়। তাঁদেরকে মাদারীপুর জেলা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপি নেতা মো. রশিদ আহমেদ ও মীর মোশারেফ হোসেন অমী।
রশিদ আহমেদ ও মোশারেফ হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁদের দলটি তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। এক ভাগ মাদারীপুরে রয়েছে, এক ভাগ শিমুলিয়া এবং এক ভাগ মাওয়া ঘাটে। তিনটি দলে তাঁরা প্রায় ৩৫ জন রয়েছেন। যাঁদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুসহ ৫ দাবিতে ভোলা থেকে সড়কপথে হেঁটে ও নদী সাঁতরে ঢাকা পদযাত্রায় অংশ নেন ২০ শিক্ষার্থী। তাঁরা ‘আমরা ভোলাবাসী’ সংগঠনের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধা। পরে তাঁদের সঙ্গে পথে পথে অনেক শিক্ষার্থী যোগ দেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাশন থেকে ১১ নভেম্বর সকালে প্রথমে হেঁটে ভোলা সদরে আসেন তাঁরা। এরপর ১৪ নভেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকা দিয়ে সাঁতরে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে বরিশালের লাহার হাটে যান। তেঁতুলিয়া নদী সাঁতরে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বরিশালে যান শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে আজ বুধবার পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছেন।
গ্যাসসমৃদ্ধ ভোলা জেলা একটি সেতুর অভাবে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা মো. শরিফ হাওলাদার বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, হেঁটে পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে যাব। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বাধা দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে এবং ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা পদ্মা পাড়ি দিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছি। অনেক হয়রানির শিকার হয়ে যাত্রা শুরু করছি।’
আন্দোলনকারীরা চরফ্যাশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাচ্ছেন। এর জন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করবেন না। এমনকি তাঁরা নদী পার হতেও কোনো নৌযান ব্যবহার করবেন না বলেও জানান পদযাত্রায় অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধা শিক্ষার্থীরা। পদযাত্রা চলাকালে শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির সপক্ষে জনসাধারণের সমর্থন আদায়ে পথে পথে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। ঘোষণা অনুযায়ী সড়কপথে ঢাকা সেতু ভবনের সামনে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হওয়ার কথা।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, ভোলার ঘরে ঘরে পাইপলাইনে গ্যাস-সংযোগ, গ্যাসভিক্তিক শিল্প কলকারখানা, মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। সরকারের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমাদের কথা দিয়েছিল, আগামী ডিসেম্বরে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ শুরু করবে। কিন্তু তাদের কথা অনুযায়ী সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান কোনো কাজ দেখছি না। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের অন্যান্য দাবি পূরণের বিষয়ে কোনো অগ্রগতিও দেখছি না। তারই প্রতিবাদে চরফ্যাশন টাওয়ারের সামনে থেকে হেঁটে ভোলা টু ঢাকা সেতু ভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছি। আমরা এখন পদ্মা নদী সাঁতরে ঢাকা সেতু ভবনের দিকে এগোচ্ছি।’

বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ মিনিট আগে
দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১২ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
১৪ মিনিট আগে
নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
১৯ মিনিট আগেটঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরে টঙ্গীতে একটি পোশাক কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গীর মিলগেট এলাকার হামিম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিসিএল (৩ নম্বর ইউনিট) সুইং বিভাগে কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ কারখানা ছুটি ঘোষণা করে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আজ কারখানাটির প্রায় সব শ্রমিক দুপুরের খাবার শেষে আবার কাজে যোগ দেন। এই সময় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
কারখানাটির নিরাপত্তাকর্মী পরেশ কান্তি দাস বলেন, দুপুরের খাবার শেষে সব শ্রমিক কারখানায় কাজ শুরু করেন। হঠাৎ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান কারখানার অন্য শ্রমিক ও কর্মকর্তারা। আজ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে আজ সকালে একজন কারখানার কর্মী হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। খবরটি অন্য শ্রমিকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক, উদ্বেগ তৈরি হয়।
টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমানা হক বলেন, শারীরিক দুর্বলতা, বমি অনুভব হওয়া ও হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ায় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাথমিক সেবা শেষে প্রায় সবাই বাড়ি ফিরতে পারবেন।
হামিম গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকালে কারখানার ফিনিশিং বিভাগে কর্মরত কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর লুৎফর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গাজীপুরে টঙ্গীতে একটি পোশাক কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গীর মিলগেট এলাকার হামিম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিসিএল (৩ নম্বর ইউনিট) সুইং বিভাগে কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ কারখানা ছুটি ঘোষণা করে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আজ কারখানাটির প্রায় সব শ্রমিক দুপুরের খাবার শেষে আবার কাজে যোগ দেন। এই সময় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
কারখানাটির নিরাপত্তাকর্মী পরেশ কান্তি দাস বলেন, দুপুরের খাবার শেষে সব শ্রমিক কারখানায় কাজ শুরু করেন। হঠাৎ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান কারখানার অন্য শ্রমিক ও কর্মকর্তারা। আজ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে আজ সকালে একজন কারখানার কর্মী হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। খবরটি অন্য শ্রমিকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক, উদ্বেগ তৈরি হয়।
টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমানা হক বলেন, শারীরিক দুর্বলতা, বমি অনুভব হওয়া ও হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ায় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাথমিক সেবা শেষে প্রায় সবাই বাড়ি ফিরতে পারবেন।
হামিম গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকালে কারখানার ফিনিশিং বিভাগে কর্মরত কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর লুৎফর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১০ দিন আগে
দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১২ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
১৪ মিনিট আগে
নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
১৯ মিনিট আগেহিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে আজ শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক।
নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুর সবুর আকন্দ (৬৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত অকিল আকন্দের ছেলে ও বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য।
পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে এশার নামাজের পর বাসা থেকে বের হোন। এরপর তিনি বাসায় ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে আজ শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক।
নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুর সবুর আকন্দ (৬৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত অকিল আকন্দের ছেলে ও বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য।
পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে এশার নামাজের পর বাসা থেকে বের হোন। এরপর তিনি বাসায় ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১০ দিন আগে
বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
১৪ মিনিট আগে
নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
১৯ মিনিট আগেঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ভাতিজা সৌরভ মণ্ডলসহ অন্যরা পলাতক। আর ঘটনাস্থল থেকে জড়িতদের ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সৌরভ আলম মণ্ডলের ছেলে।
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘হাসপাতালে আসা মুরাদের নাভি বরাবর ছুরির আঘাতের ক্ষত পাই। শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষতের কারণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা। নিহতের মাথায়ও ক্ষত ছিল।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন লোক হঠাৎ করেই দোকানে আসে। তাদের সবার বয়সই আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর হবে। এর মধ্যে কয়েকজন দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে আর আমি তিনজনকে ঠেকাই। কিন্তু যারা দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে তারাই মুরাদকে মেরেছে। শুধু সৌরভকে চিনতে পারছি, বাকিদের চিনতে পারিনি।’
নিহতের স্ত্রী মোছা. সাথী বলেন, ‘আমার সন্তানরা এতিম হয়ে গেল। সন্তানদের কে দেখবে। যারা আমার স্বামীকে মেরেছে, তাদের যেন আল্লাহ কঠিন শাস্তি দেন।’
নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই ও জেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক দাউদ হোসেন বলেন, ‘আমার দোকানে ঢুকেই সৌরভসহ অন্যরা মিলে মুরাদকে হত্যা করেছে। মুরাদের পেটে ছুরি মারে সৌরভ। মুরাদ আমার সঙ্গেই যুবদল করত। মুরাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে আজ এতিম হয়ে গেল। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনে।’
ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সামছুজ্জোহা বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা জড়িতদের আটকের চেষ্টা করছি। থানায় এখনো কোনো মামলা করা হয়নি।’

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ভাতিজা সৌরভ মণ্ডলসহ অন্যরা পলাতক। আর ঘটনাস্থল থেকে জড়িতদের ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সৌরভ আলম মণ্ডলের ছেলে।
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘হাসপাতালে আসা মুরাদের নাভি বরাবর ছুরির আঘাতের ক্ষত পাই। শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষতের কারণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা। নিহতের মাথায়ও ক্ষত ছিল।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন লোক হঠাৎ করেই দোকানে আসে। তাদের সবার বয়সই আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর হবে। এর মধ্যে কয়েকজন দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে আর আমি তিনজনকে ঠেকাই। কিন্তু যারা দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে তারাই মুরাদকে মেরেছে। শুধু সৌরভকে চিনতে পারছি, বাকিদের চিনতে পারিনি।’
নিহতের স্ত্রী মোছা. সাথী বলেন, ‘আমার সন্তানরা এতিম হয়ে গেল। সন্তানদের কে দেখবে। যারা আমার স্বামীকে মেরেছে, তাদের যেন আল্লাহ কঠিন শাস্তি দেন।’
নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই ও জেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক দাউদ হোসেন বলেন, ‘আমার দোকানে ঢুকেই সৌরভসহ অন্যরা মিলে মুরাদকে হত্যা করেছে। মুরাদের পেটে ছুরি মারে সৌরভ। মুরাদ আমার সঙ্গেই যুবদল করত। মুরাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে আজ এতিম হয়ে গেল। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনে।’
ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সামছুজ্জোহা বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা জড়িতদের আটকের চেষ্টা করছি। থানায় এখনো কোনো মামলা করা হয়নি।’

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১০ দিন আগে
বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ মিনিট আগে
দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১২ মিনিট আগে
নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
১৯ মিনিট আগেনড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
হান্নান খান উপজেলার বুড়িখালি গ্রামের মৃত জরিফ খানের ছেলে। গতকাল শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন।
নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িখালি গ্রামের বিরোধপূর্ণ একটি জমির মালিকানা নিয়ে ওই গ্রামের আয়ুব মোল্যা ও মিন্টু খানের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গতকাল সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমি নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়ালে মিন্টু খানপক্ষের হান্নান খান, ফারুক ভূঁইয়া, রাজিব ভূঁইয়া ও তবিবর ভূঁইয়া আহত হন। স্বজনেরা দ্রুত আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ওই চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে হান্নান খান মারা যান।
পরিদর্শক জামিল কবির জানান, ঘটনাস্থল অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
হান্নান খান উপজেলার বুড়িখালি গ্রামের মৃত জরিফ খানের ছেলে। গতকাল শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন।
নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িখালি গ্রামের বিরোধপূর্ণ একটি জমির মালিকানা নিয়ে ওই গ্রামের আয়ুব মোল্যা ও মিন্টু খানের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গতকাল সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমি নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়ালে মিন্টু খানপক্ষের হান্নান খান, ফারুক ভূঁইয়া, রাজিব ভূঁইয়া ও তবিবর ভূঁইয়া আহত হন। স্বজনেরা দ্রুত আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ওই চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে হান্নান খান মারা যান।
পরিদর্শক জামিল কবির জানান, ঘটনাস্থল অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

‘দাবি মোদের একটাই, ভোলা-বরিশাল সেতু চাই’—স্লোগান নিয়ে ভোলা থেকে ঢাকা পদযাত্রায় পদ্মা নদী সাঁতরে পার হতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে তিন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১০ দিন আগে
বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ মিনিট আগে
দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১২ মিনিট আগে
ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।
১৪ মিনিট আগে