Ajker Patrika

বাংলাদেশে কেউ ধর্মের অবমাননা করতে পারবে না: ধর্ম উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালে চরমোনাইয়ের মাহফিলে ধর্ম উপদেষ্টা। ছবি: আজকের পত্রিকা
বরিশালে চরমোনাইয়ের মাহফিলে ধর্ম উপদেষ্টা। ছবি: আজকের পত্রিকা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালেদ হোসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশে কেউ ইসলাম অবমাননা করলে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া হবে। আপনারা কেউ দয়া করে আইন নিজের হাতে নেবেন না। আমি আশ্বস্ত করতে পারি, বাংলাদেশে কেউ কোনোভাবেই ধর্মের অবমাননা করতে পারবে না।’

আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই মাঠে তিন দিনব্যাপী মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আ ফ ম খালেদ বলেন, ‘আমার বিষয়ে আপনাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি; কিন্তু আমার সীমাবদ্ধতা আছে। সেই সীমাবদ্ধতা মেনেই কাজ করতে হয়।’

ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘আমি কোথাও নির্বাচনে প্রার্থী হই নাই, ফলে মন্ত্রী হওয়ারও কোনো সুযোগ নাই। তারপরেও আমাদের সকল প্রচেষ্টার লক্ষ্য দেশকে একটি ভালো অবস্থায় নেওয়া।’

এ সময় ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

টঙ্গীতে কাজ করতে এসে অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, কারখানা ছুটি ঘোষণা

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি
কারখানায় কাজ করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়া এক শ্রমিককে হাসপাতালে নিয়ে যান সহকর্মীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা
কারখানায় কাজ করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়া এক শ্রমিককে হাসপাতালে নিয়ে যান সহকর্মীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

গাজীপুরে টঙ্গীতে একটি পোশাক কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গীর মিলগেট এলাকার হামিম গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিসিএল (৩ নম্বর ইউনিট) সুইং বিভাগে কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ কারখানা ছুটি ঘোষণা করে।

‎কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আজ কারখানাটির প্রায় সব শ্রমিক দুপুরের খাবার শেষে আবার কাজে যোগ দেন। এই সময় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

‎কারখানাটির নিরাপত্তাকর্মী পরেশ কান্তি দাস বলেন, দুপুরের খাবার শেষে সব শ্রমিক কারখানায় কাজ শুরু করেন। হঠাৎ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান কারখানার অন্য শ্রমিক ও কর্মকর্তারা। আজ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে আজ সকালে একজন কারখানার কর্মী হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। খবরটি অন্য শ্রমিকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক, উদ্বেগ তৈরি হয়।

‎টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমানা হক বলেন, শারীরিক দুর্বলতা, বমি অনুভব হওয়া ও হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ায় কারখানাটির অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাথমিক সেবা শেষে প্রায় সবাই বাড়ি ফিরতে পারবেন।

‎হামিম গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকালে কারখানার ফিনিশিং বিভাগে কর্মরত কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর লুৎফর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। বেলা বাড়লে লুৎফরের মৃত্যুর খবরটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

বাড়ির পাশের বাগানে মিলল সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দিনাজপুরের হিলিতে বাড়ির পাশের বাগান থেকে এক সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের গড়িয়াল গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে আজ শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক।

নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুর সবুর আকন্দ (৬৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত অকিল আকন্দের ছেলে ও বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য।

পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে এশার নামাজের পর বাসা থেকে বের হোন। এরপর তিনি বাসায় ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

ঝিনাইদহে ছুরিকাঘাতে যুবদল কর্মীর মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
মুরাদ মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত
মুরাদ মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি সিটি মোড়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচা মুরাদ মণ্ডল (৩৭) মারা গেছেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং যুবদল কর্মী। সে পবহাটি এলাকার আফজাল মণ্ডলের ছেলে।

এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ভাতিজা সৌরভ মণ্ডলসহ অন্যরা পলাতক। আর ঘটনাস্থল থেকে জড়িতদের ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সৌরভ আলম মণ্ডলের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘হাসপাতালে আসা মুরাদের নাভি বরাবর ছুরির আঘাতের ক্ষত পাই। শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষতের কারণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা। নিহতের মাথায়ও ক্ষত ছিল।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন লোক হঠাৎ করেই দোকানে আসে। তাদের সবার বয়সই আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর হবে। এর মধ্যে কয়েকজন দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে আর আমি তিনজনকে ঠেকাই। কিন্তু যারা দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে তারাই মুরাদকে মেরেছে। শুধু সৌরভকে চিনতে পারছি, বাকিদের চিনতে পারিনি।’

নিহতের স্ত্রী মোছা. সাথী বলেন, ‘আমার সন্তানরা এতিম হয়ে গেল। সন্তানদের কে দেখবে। যারা আমার স্বামীকে মেরেছে, তাদের যেন আল্লাহ কঠিন শাস্তি দেন।’

নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই ও জেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক দাউদ হোসেন বলেন, ‘আমার দোকানে ঢুকেই সৌরভসহ অন্যরা মিলে মুরাদকে হত্যা করেছে। মুরাদের পেটে ছুরি মারে সৌরভ। মুরাদ আমার সঙ্গেই যুবদল করত। মুরাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে আজ এতিম হয়ে গেল। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনে।’

ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সামছুজ্জোহা বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা জড়িতদের আটকের চেষ্টা করছি। থানায় এখনো কোনো মামলা করা হয়নি।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত

নড়াইল প্রতিনিধি 
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হান্নান খান (৬০) নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

হান্নান খান উপজেলার বুড়িখালি গ্রামের মৃত জরিফ খানের ছেলে। গতকাল শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামে সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন।

নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িখালি গ্রামের বিরোধপূর্ণ একটি জমির মালিকানা নিয়ে ওই গ্রামের আয়ুব মোল্যা ও মিন্টু খানের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গতকাল সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমি নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়ালে মিন্টু খানপক্ষের হান্নান খান, ফারুক ভূঁইয়া, রাজিব ভূঁইয়া ও তবিবর ভূঁইয়া আহত হন। স্বজনেরা দ্রুত আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ওই চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে হান্নান খান মারা যান।

পরিদর্শক জামিল কবির জানান, ঘটনাস্থল অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত